সেনাবাহিনী বা সেনাপ্রধানের বিরুদ্ধে এত ক্ষোভ কেন? গোয়েন্দা সংস্থা নিয়ে এত ক্ষোভ প্রকাশ করছেন কেন? সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে উপদেষ্টারা। সম্প্রতি, গোয়েন্দা সংস্থা ও সেনাবাহিনীকে নিয়ে এমন কিছু মন্তব্য করেছেন নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারী, যেটা ঘিরে প্রবল সমালোচনা তৈরি হয়েছে। এদিকে গোপালগঞ্জে এই ছাত্রনেতাদের রক্ষা করাতে প্রবল সমালোচনার মুখে পড়েছিল সেনাবাহিনী। আজ তাদের বিরুদ্ধেই সুর চড়াচ্ছে, ছাত্রনেতারা। অন্যদিকে বাংলাদেশ সেনাপ্রধান এবং সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুয়ো তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। এদিকে আইএসপিআরের তরফে বলা হচ্ছে, সাবধান থাকুন এই ভুয়ো তথ্য ছড়ানো থেকে। এই ভুয়ো তথ্য ছড়ানোকারীরা এতটাই শক্তিশালী সমাজে? কেন তাদের চিহ্নিত করা যাচ্ছে না? অনেকে সাম্প্রতিক ঘটনা প্রবাহ দেখে দুয়ে দুয়ে চার করার চেষ্টা করছেন। তবে কি মাস্টারমাইন্ড ইউনূসের স্নেহধন্য ছাত্র নেতারা?
সেনাপ্রধান প্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামানের নামে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন ভুয়ো অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে এবং সেসব প্রোফাইল থেকে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হচ্ছে। বুধবার এক বিবৃতিতে এমন তথ্যই জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর বা আইএসপিআর।
বিবৃতিতে বলা হয়, সবার অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, সেনাবাহিনী প্রধানের নিজস্ব কোনও ফেসবুক প্রোফাইল বা অন্যান্য সামাজিক মাধ্যমে কোনও ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট নেই এবং ভবিষ্যতেও এই ধরনের কোনও অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করার কোনও পরিকল্পনা নেই।
সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামানের বিরুদ্ধে বেশ কিছু ভুয়ো প্রোফাইল খোলা হয়েছে। আইএসপিআর জানিয়েছে, সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামানের নামে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন ভুয়ো প্রোফাইল খোলা হয়েছে এবং সেই সমস্ত প্রোফাইল থেকে বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হচ্ছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, জনসাধারণ ও গণমাধ্যমকে এ ধরনের ভুয়ো অ্যাকাউন্ট থেকে প্রচারিত তথ্যের মাধ্যমে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য বিনীতভাবে অনুরোধ করা হল।
এই ধরনের বিভ্রান্তমূলক কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তকরণ এবং তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে আইএসপিআরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
প্রশ্ন উঠছে, এগুলি কারা করছে? গোপালগঞ্জের ঘটনার আগে দেখা গিয়েছে, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা সেনাবাহিনী এবং সেনাপ্রধানের বিরুদ্ধে নানান মন্তব্য করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে কিন্তু সরকার বা সেনাবাহিনী শাস্তির আওতায় নিয়ে আসেনি। কিন্তু ওয়াকিবহাল মহল বলছে, এখন সেই সময়টা এসেছে। তাহলে অন্তত সমাজের কাছে এই মেসেজ টা যাবে, যে দেশের গুরুত্বপূর্ণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীদের বিরুদ্ধে কোনও মন্তব্য করলে, এটা কোন পর্যায়ে শাস্তি হতে পারে! এর পাশাপাশি এত কিছুর পরও সেনাবাহিনী গোপালগঞ্জের ঘটনা এবং তার পরবর্তী কিছু ঘটনার পর দেখা গিয়েছে, সেনাবাহিনী এই ছাত্রনেতাদের রক্ষা করেছে। তারপরও নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীর মত নেতারা সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে বিষোদগার করতে ছাড়ছে না। ফলে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা, কোথাও দুয়ে দুয়ে চার করার চেষ্টা করছেন।












Discussion about this post