বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একের পর এক ভুল পদক্ষেপ করছে। কোনও সরকার যখন কর্তৃত্ববাদী হয়ে ওঠে, তখনই সেই সরকার ভুল পদক্ষেপ করে। অনেকে বলছেন, ইউনূসের পতন অনিবার্য। হাসিনা আতঙ্কে ইউনুস চরম ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন বলে মত বিশেষজ্ঞদের।
মহম্মদ ইউনূস সরকারের সম্পর্কে মন্তব্য করেছেন, যে এই সরকার নিজেই ফ্যাসিবাদী হয়ে উঠেছে।ফলে ভুল পদক্ষেপ করা স্বাভাবিক। এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নিজেই একটি পক্ষ। তারা দলীয় কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে। এই অবস্থায় তাদের প্রতিপক্ষ হয়ে উঠেছে। ইউনুস সরকারের প্রতিদ্বন্ধে আওয়ামীলীগ। আওয়ামীলীগের ঠেকানোর জন্য যা যা করার দরকার সেটাই করছে। তাদের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এর মধ্যে অন্তর্বর্তী সরকার একটি বিবৃতি দিয়েছেন। সেখানে বলা হচ্ছে, যদি শেখ হাসিনার অডিও প্রচার করা হয়, তবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই ধরনের কার্যকলাপ সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯-এর আওতায় গুরুতর লঙ্ঘন।শুক্রবার সরকারের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ফৌজদারি অপরাধে দণ্ডিত এবং গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত পলাতক আসামি শেখ হাসিনার অডিও প্রচার করা আইনত নিষিদ্ধ। এর আগে, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সাবেক এই স্বৈরাচারের ঘৃণামূলক বক্তব্য সম্প্রচার নিষিদ্ধ করেছিল। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দুঃখের সঙ্গে লক্ষ্য করেছে, কিছু গণমাধ্যম আইন ও আদালতের নির্দেশ উপেক্ষা করে শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করেছে, যেখানে তিনি মিথ্যা ও উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন।
জানা যাচ্ছে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বিভিন্ন গণমাধ্যমের কর্মকর্তাদের সতর্ক করে দিয়েছে। বিবৃতিতে দৃঢ়ভাবে জানানো হয়েছে, ভবিষ্যতে যদি কেউ শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রকাশ করে, তাহলে তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকারের ভাষ্য, এই ধরনের প্রচার দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরি করতে এবং সহিংসতা উসকে দিতে পারে। সেই কারণেই নাকি সরকার এমন আইনের আওতায় নিয়ে এসেছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জুলাই গণ অভ্যুত্থানের সময় শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীকে হত্যার নির্দেশ দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগের পর শেখ হাসিনা বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে গিয়েছেন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কিছুক্ষেত্রে তাকে দোষী সাব্যস্ত করেছে এবং তিনি মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে বিচারাধীন। বাংলাদেশের আইন অনুসারে, আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯ অনুসারে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রয়েছে। এবং সেটা নেওয়া হবে। আসলে সরকারের বক্তব্য, শেখ হাসিনা ভারতে বসে অডিও বার্তার মাধ্যমে যা দিচ্ছেন, সেগুলি উস্কানিমূলক। তাতে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা হারাচ্ছে বাংলাদেশে।
অনেকে বলছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের পতন অনিবার্য। এর আগেও তারা ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তারা অভিযোগ করেছিল, ভারতের বিভিন্ন শহরের মাটিকে ব্যবহার করে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে কাজ চালাচ্ছে। শুধু তাই নয়, ভারত উত্তর দিয়েছে, এটা দেশের আইন বিরুদ্ধ। অনেকে বলছেন, এখন দেখার, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ভবিষ্যৎ ঠিক কি হয়।












Discussion about this post