বাংলাদেশের বিভিন্ন গণমাধ্যম আওয়ামী লীগকে নিয়ে একাধিক খবর করছে। তারমধ্যে বলা হচ্ছে, আওয়ামী লীগকে ফেরাতে নাকি নীল নকশা করা হয়েছে। এবং বলা হচ্ছে, ব্যবসায়ী এস আলম সম্প্রতি দিল্লি গিয়ে শেখ হাসিনার সঙ্গে গোপন বৈঠক করেছেন। এবং তিনি নাকি আড়াই হাজার কোটি টাকা হস্তান্তর করেছেন। এমনকি আরও দু হাজার কোটি টাকা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় ফেরানোর উদ্দেশ্যে। কিন্তু যা বলা হচ্ছে, সেটা কি আদেও সত্যি? নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে? সত্যিই কি হাসিনাকে ফেরানোর জন্য কোটি কোটি টাকা ব্যয় করা হচ্ছে? তাই গোপনে দেশে ফেরানোর জন্য রুটম্যাপ করা হচ্ছে?
এক বছর হয়ে গিয়েছে শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটেছে। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটেছে সেটা ষড়যন্ত্র করে। যেটা এখন প্রায় প্রমাণিত। এমনকি বিরোধী শক্তিরা যদি এই সরকারকে পতন করে দিতে পারে, তবে আওয়ামী লীগকে ফেরাতে নীল নকশা নয়, সাদা নকশা করা হচ্ছে, সেটাই বলা উচিত।
এদিকে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রেস ক্লাবের একটি অনুষ্ঠানে বলেছেন, আওয়ামী লীগ নাকি ফিরছে। ফেরার চেষ্টা করছে। তাদের টাকা দেওয়া হচ্ছে। এমন নানা কথা বলা হচ্ছে। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এগুলো একেবারেই হাওয়াতে ভেসে আসা কথা নয়। শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ফেরার চেষ্টা করছেন। যেটা তিনি নিজেও বার বার একাধিক অডিও বার্তাতে বলেছেন। আবার কেউ কেউ বলছেন, আওয়ামী লীগকে ফিরতে হবে কেন, তারা তো রয়েছে। বাংলাদেশের মানুষের মনে রয়েছে। ভুলে গেলে চলবে না, গত বছর তার সরকারকে যে উৎখাত করা হয়েছে, সেটা চক্রান্ত করে।
কেউ কেউ বলছেন, দেশে ব্যাপকভাবে সক্রিয় হয়েছে আওয়ামী লীগ। আর সেই কারণে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ঘুম উড়ে গিয়েছে। তবে আওয়ামী লীগের তো পালানোর পথ ছিল। তারা ভারতে আশ্রয় নিয়েছে। কিন্তু এই সরকারের এমন পরিস্থিতি হলে, তারা কোথায় গিয়ে আশ্রয় নেবে? পাকিস্তানে যেতে পারবেন, যারা সরকারের দায়িত্বে রয়েছেন। কিন্তু বাকিরা?
কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারতের সাহায্য নিয়ে শেখ হাসিনা বাংলাদেশের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে। শুধু তাই নয়, যদি আওয়ামী লীগকে অংশগ্রহণ করতে না দেয় বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, তবে ভারত বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে ফের নতুন করে একশন নেবে। ফলে নত স্বীকার করতে হবে মহম্মদ ইউনূস এবং তার দোসরদের। এমনকি বাংলাদেশের বর্তমান যে পরিস্থিতি, তাতে চারিদিক থেকে তারা চাপে রয়েছে। তারমধ্যে বিভিন্ন মাধ্যমে শেখ হাসিনার ফেরার আতঙ্ক তৈরি করছে। আতঙ্কিত হচ্ছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এখন দেখার, শেষমেষ কি বর্তমান সরকারের জন্য কি নিয়ে আসে।












Discussion about this post