বাংলাদেশের পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ। অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছে বাংলাদেশ। যে দেশে সাংবাদিকদের প্রশ্ন করতে দেওয়া হয় না, যে দেশে সাংবাদিকদের তুলে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সন্ত্রাস দমন আইনে মামলা দেওয়া হয়, সেই দেশের পরিস্থিতি কোন জায়গায়, সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। এমনিতেই বাংলাদেশে নাকি ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হতে পারে। আর সেই নির্বাচনে নির্ঘন্ট ঘোষিত হবে ডিসেম্বরে। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ততদিনে বাংলাদেশ পূর্ব পাকিস্তানে পরিণত হবে। তার কারণ, স্বৈরাচার ইউনূসের অত্যাচার। যেখানে কন্ঠ রোদ করা হচ্ছে। আসলে ধ্বংসের পথে নিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশকে। বলছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা।
মুক্তিযোদ্ধা থেকে শুরু করে শিক্ষক, সাংবাদিক.. কারোর রেহাই নেই। ঢাকাতে মঞ্চ ৭১ নামে একটি অনুষ্ঠান থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় লতিফ সিদ্দিকী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর শেখ হাফিজুর রহমান কার্জন, সাংবাদিক মঞ্জুর আলম পান্না সহ ১৬ জনকে। এদিকে তাদের উপর মব করা হয়েছিল। ওই অনুষ্ঠানে ছাত্র সমন্বয়কারী, বিএনপি এবং জামাতের কয়েকজন ছাত্র যুবরা এই মব করে। এদিকে যাদের উপর মব করা হল, তাদের পুলিশ তুলে নিয়ে গিয়ে গ্রেফতার করে। শাহবাগ থানার তরফে সন্ত্রাস দমন আইনের মামলা দেওয়া হয়। এমনকি আদালতে তোলা হলে তাদের জামিন দেওয়া হয় না। প্রশ্ন উঠছে, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কথা বললে কি শেখ হাসিনার দোসর হয়ে যায়? বঙ্গবন্ধুকে শ্রদ্ধা জানালে আওয়ামী লীগ হয়ে যায়? পাশাপাশি সাংবাদিক মঞ্জুর আলম পান্নাকে যখন পুলিশ হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যায়, তখন ওই সংবাদিক বলেন, আপনারা বলুন, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কথা বললে কি সন্ত্রাস ছড়ানো হয়? আমাকে দেখে কি সন্ত্রাসবাদী মনে হচ্ছে? যে হাতে পুলিশ হাতকড়া করিয়েছে, এই হাত তুলে মঞ্জুর আলম পান্না বলেন, এই হাত দিয়ে আমি লিখি। সেটা রোদ করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, এই সময় কিছু সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, আপনারা কি সন্ত্রাস করেছেন? প্রশ্ন উঠছে, বাংলাদেশের পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে পৌঁছেছে। তার কারণ একজন সাংবাদিককে রাষ্ট্রের শোষণ যন্ত্র দিয়ে শোষণ করা হচ্ছে, আর সেই একই পেশার অন্যরা, সেটা নিয়ে প্রশ্ন করছেন। বাংলাদেশ যে ভালো নেই সেটা বারবার প্রমাণ হয়েছে।
কখনও সংখ্যালঘুরা আক্রান্ত হচ্ছেন, আবার কখনও দেখা যাচ্ছে শিক্ষক, মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক। কেউই পার পাচ্ছেন না। এরমধ্যেই খবর, রাশিয়া, চিন ও ভারতের মধ্যে বৈঠক হতে চলেছে। সেখানে যে বাংলাদেশ নিয়ে আলোচনা হবে সেটা স্পষ্ট। বলছেন বিশেষজ্ঞরা। একদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসন, পাকিস্তানকে তোষণ এবং সঙ্গে নিয়েছে বাংলাদেশকে। বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করে ভারতকে আক্রমণের ছক, যেটা মোটেই মানবে না ভারত। অনেকেই বলছেন, বাংলাদেশের সেন্ট মার্টিন দ্বীপ থেকে করিডোর, বন্দরে নজর পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের। কিন্তু সেটা ভারত, চিন কেউ চায় না। ফলে সেপ্টেম্বরে কিছু একটা ঘটতে পারে বলে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। এর পাশাপাশি বাংলাদেশ নির্বাচন হলে ইনক্লুসিভ নির্বাচন করাতে উদ্যোগী ভারত থেকে বেশ কয়েকটি রাষ্ট্র। ফলে নির্বাচন হলে আওয়ামী লীগ যে অংশগ্রহণ করবে, সাটে বলাই বাহুল্য। তখন কোথায় পালাবেন মহম্মুদ ইউনূস থেকে ছাত্রনেতারা? সেটাই এখন সবথেকে বড় প্রশ্ন।












Discussion about this post