পাকিস্তানকে সঙ্গে নিয়ে ভারতের উত্তর পূর্ব রাজ্য বা সেভেন সিস্টার্সকে অঘোষিত দখলের হুমকি বাংলাদেশের। সেভেন সিস্টার্সয়ের কিছু অংশকে বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত করে বুঝিয়ে দেওয়া হল, সেগুলির দিকে নজর রয়েছে বাংলাদেশের। এই নিয়ে ভারতীয় রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা চর্চা করছে। এটা এমন একটি হুশিয়ারি যা ভারতের সার্বভৌমত্বের জন্য দ্বিমুখী উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। একদিকে বাংলাদেশের সঙ্গে লাগোয়া সেভেন সিস্টার্স, অন্যদিকে পাকিস্তানের সঙ্গে সংযুক্ত কাশ্মীর..দুই দিকেই ভারত এখন বিপাকে পড়তে পারে। এমনটাই বলছে বাংলাদেশে কূটনৈতিক মহল। কিন্তু ভারতীয় বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশ-পাকিস্তানকে একসঙ্গে জব্দ করার সক্ষমতা রাখে ভারত। তবে চিন্তা বাড়িয়েছে, পাকিস্তানের যৌথ বাহিনীর চেয়ারম্যান জেনারেল সাহির শামসাদ মির্জা। তিনি বাংলাদেশ সফর করে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস এবং সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামানের সঙ্গে বৈঠক করেন। সৌজন্য সাক্ষাতকালে মহুমূদ ইউনূস, সাহির শামসাদ মির্জাকে একটি আর্ট অব ট্র্যামফ পুস্তিকা উপহার দেন। আর সেখানেই একটি মানচিত্র লক্ষ্য করা যায়। যে মানচিত্রে দেখা যায়, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের উত্তর পূর্বের কিছুটা অংশ ঢুকিয়ে নেওয়া হয়েছে। সেই ছবি আবার নিজের সোশ্যাল মিডিয়া পেজে আপলোড করেন মুহাম্মদ ইউনূস। আর এটা ঘিরেই চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে ভারতের অভ্যন্তরে। ওই বইটিতে ২০২৪ সালের জুলাই গণ অভ্যুত্থানের ঘটনা প্রবাহকে বাংলাদেশের নতুন ভোর হিসাবে দেখানো হয়েছে। অনেকে বলছেন, বাংলাদেশ ইচ্ছে করে, ভারতকে যুদ্ধের জন্য উস্কাচ্ছে। কিন্তু উল্টে সীমান্তবর্তী এলাকাতে বড় চালে ভারত।
২৫ অক্টোবর পাকিস্তনের জয়েন্ট চিফ অব স্টাফ কমিটির চেয়ারম্যান জেনারেল সাহির শামসাদ মির্জা, তিনি ঢাকার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে একটি সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। সৌজন্য সাক্ষাৎ বলা হলেও, সেখানে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক আলোচনা হবে, সেটা বলাই বাহুল্য। আলোচনায় উঠে আসে, দুই দেশের বর্তমান পরিস্থিতির কথা। জানা যাচ্ছে, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও মজবুত করতে চাইছে। সেই নিয়েই আলোচনা চলেছে। এমনকি দুই দেশের সাংস্কৃতিক আদানপ্রদান সম্পর্কেও আলোচনা হয়েছে। তবে কি বাংলাদেশের সংস্কৃতি বাদ দিয়ে পাকিস্তানের সংস্কৃতি ধারণ করতে চাইছে ইউনূসের দেশ? বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে বাণিজ্য সংযোগ এবং বিনিয়োগ সম্প্রসারণের একটি বিশাল সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেছেন পাক সেনাকর্তা। অর্থাৎ বাংলাদেশ এখন পাকিস্তানের উপর অত্যন্ত নির্ভরশীল। শুধু তাই নয়, ভারতের সঙ্গে আর কোনও আদান প্রদান করতে ইচ্ছুক নয় বাংলাদেশ। সেটা পরিস্কার হল। এদিকে ১৯৭১ সালে মুক্তি যুদ্ধে ভারত রক্ত দিয়ে পাশে দাঁড়িয়েছিল। এমনকি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী বিশ্ব জনমত তৈরি করার জন্য বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছিল। নতুন রাষ্ট্র তৈরি হয়েছিল। কিন্তু এখন ইউনূসের সরকার বলছে, বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে ভারত নাকি ভুল খবর প্রচার করছে। কিন্তু বাংলাদেশের জানা উচিত, আমেরিকা থেকে ইংল্যান্ড…বড় বড় গণমাধ্যম বাংলাদেশকে নিয়ে খবর করছে। শেখ হাসিনার আমলে বাংলাদেশ কি ছিল, আর প্রখ্যাত নোবেল জয়ী মুহাম্মদ ইউনূসের আমলে বাংলাদেশের কি হাল! এক্ষেত্রেও কি বলা হবে, ভারত প্রভাবিত করেছে? যদি তাই হয়, তবে তো গোটা বিশ্বকে চালনা করছে ভারত। বরং ভারতের জন্য এটি ইতিবাচক। আসল কথা হল, পাকিস্তানকে সঙ্গে নিয়ে ভারতকে উস্কাচ্ছে বাংলাদেশ। কিন্তু ভারতও ভিতরে ভিতরে তৈরি আছে। এত সহজে যুদ্ধে জড়াবে না। বরং উপযুক্ত জবাব দেবে কাজের মাধ্যমে। আর তাতেও যদি শিক্ষা না হয় পাকিস্তান ও তাদের দোসর বাংলাদেশের, তবে খাড়ার ঘা তো নামবেই!
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more











Discussion about this post