আবারও বাংলাদেশের সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ্জামান কে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে গুঞ্জন শুরু হয়েছে। দেশে সরকার পরিবর্তনের পরে নানান ধরণের আলোচনা দেখা গেছে, এনসিপির বড় বড় নেতারা সেনাপ্রধানের বিরুদ্ধে নানান মন্তব্য করেছে। কিন্তু এসব কিছুর প্রেক্ষিতে সেনাবাহিনীর তরফ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি। সেনাবাহিনী ও সেনাপ্রধান চুপ চাপ থেকে সব সহ্য করেছেন। এনিয়ে অনেকে সমালোচনা করে বলেছেন, সেনাবাহিনীর প্রধানকে আক্রমণ করার মাধ্যমে গোটা সেনাবাহিনীকে যা ইচ্ছা মন্তব্য করা হচ্ছে তখন সেনাবাহিনী কেন চুপ থাকবে ? এই চুপ থাকার কারণ কী নিদিষ্ট যারা কথা বলছে তাদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়ার বাস্তবতা নেই সেটা প্রমান করার জন্য ? নাকি যে কেউ মিথ্যা অপপ্রচার মিথ্যা অপবাদ দিলে তার বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর সোচ্ছার হওয়া উচিত, যেমন এই মুহূর্তে সেনাবাহিনীর তরফ থেকে সোচ্চার হওয়ার ঘটনা দেখা যাচ্ছে।
আবারও বাংলাদেশের সেনাপ্রধানকে নিয়ে সেই গুঞ্জন, অপপ্রচার, গুজব এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যার কারণে সেনাবাহিনী একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ৬ টি ফটো কার্ড ব্যবহার করে তারা তাদের ভেরিফাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানিয়েছে, সেনাপ্রধানকে নিয়ে যে গুজব রটানো হচ্ছে সেই তথ্য সত্য নয়। বিভ্রান্তিকর অপপ্রচার প্রসঙ্গে ইদানিং পরিলক্ষিত হচ্ছে সামাজিক মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সেনাপ্রধানকে জড়িয়ে নির্বাচন সংক্রান্ত বিভিন্ন অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। জনসাধারণ কে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অপপ্রচার থেকে সতর্ক থাকতে বিনীত ভাবে অনুরোধ জানানো হচ্ছে।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের ১৯ শে জুন এই একইধরনের প্রচারের বিরুদ্ধে সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। সেনাবাহিনীর তরফ থেকে যে ৬ টি ছবিকে ফেক বলা হচ্ছে সেখানে ২ টি বিষয় উঠে এসেছে। প্রথমত, নির্বাচন আয়োজনে সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ্জামানের ৬ টি প্রস্তাব। দ্বিতীয়ত, সারা বাংলাদেশে একই দিনে নির্বাচন না দিয়ে ৮ দিনে ৮ বিভাগে নির্বাচন দিতে হবে সেনাপ্রধান এই সিদ্ধান্ত সরকারকে জানিয়েছে। এই দুটি নিয়ে মূলত এই ৬ টি ফটো কার্ডে সেনাবাহিনী সরকারকে বেশ কিছু চরমপত্র দিয়েছে। সেনাবাহিনীর তরফ থেকে স্পষ্ট করে দেওয়া হল এগুলো সত্য নয়। প্রশ্ন উঠছে, সেনাবাহিনী বা সেনাবাহিনীর প্রধানের তরফ থেকে এ কথা সরকারকে না জানানো হলে এই প্রচার – প্ররোচনার কাঁচামাল সরবরাহ করল কারা ?












Discussion about this post