উত্তপ্ত বাংলাদেশের পরিস্থিতি। আশঙ্কায় রয়েছে ওসমান হাদির জীবন। ইনক্লাব মঞ্চের আহ্বায়ক তথা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে শুক্রবার জুম্মার নামাজের পরে গুলি করা হয়। তাঁর মাথায় গুলি লাগে। গুরুতর অবস্থায় হাদিকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসার পর তাঁকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। চিকিৎসক সূত্রে খবর, তিনি এখন কোমায় রয়েছেন। বিএনপির তরফেও হাসপাতালে দেখতে গিয়েছিলেন ওসমান হাদিকে। কিন্তু এক সম্ভাব্য প্রার্থীকে গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনা নিয়ে অনেকেই কাটাছেঁড়া করছেন।
শরীফ ওসমান হাদি বিতর্কিত কিছু মন্তব্য করে খবরের শিরোনামে এসেছিলেন। এরমধ্যে খবর ছিল ঢাকা ৮ আসন থেকে তিনি নির্বাচন করবেন বলে বলেছিলেন। ঢাকা ৮ আসনে বিএনপির ডাক সাইটের নেতা মির্জা আব্বাস দাঁড়িয়েছেন। সেখানে হাদি কতটা সুবিধা করতে পারবেন, সেটা নিয়ে বহু প্রশ্ন ছিল। কিন্তু যখন জুম্মার নামাজের পরে বিজয় নগর, ফকিরা পুর….এই এলাকার মাঝ বরাবর তিনি গুলিবিদ্ধ হন, তখন একাধিক প্রশ্ন ওঠে। হাদির সমর্থকরা বিএনপির দিকে ঠেলছে। এই কাজ মির্জা আব্বাসের লোক করিয়েছে বলে বলার চেস্টা করছেন তারা। এমনকি যখন মির্জা আব্বাস হাসপাতালে ওসমান হাদিকে দেখতে যান তখন, হাসপাতালে যাওয়ার পরে হাদির সমর্থকরা তাঁকে নিয়ে কটু কথা বলেছেন।
অন্যদিকে প্রধান উপদেষ্টার ফেসবুক পেজ থেকে একটি পোস্ট দেওয়া হয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে, ওসমান হাদির উপর হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে প্রধান উপদেষ্টা নির্দেশ। রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় ইনক্লাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা ৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী সারিফ ওসমান হাদী দুর্বৃত্তদের গলিতে গুরুতর আহত হওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অন্তর্ভুক্তি কালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মোহমুদ ইউনূস। তিনি বলেন, নির্বাচনী পরিবেশে এমন সহিংস্র হামলা একেবারেই অগ্রহণযোগ্য এবং দেশের শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক অঙ্গনের জন্য এটি অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা। এর মধ্যেই গুলি করার সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে এসেছে। দেখা যাচ্ছে, দুজন দুষ্কৃতী বাইকে করে এসে ওসমান খাদির দিকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়েই দ্রুত বেরিয়ে যায়।
গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান তিনি কিছুদিন আগে বলেন যে, তার কাছে খবর আছে, নির্বাচনের প্রার্থীদের মধ্যে অন্তত ৫০ জনকে টার্গেট করা হয়েছে। টার্গেট কিলিংয়ের ঘটনা ঘটতে পারে। এরপরই এই ঘটনা। অনেকে বলছেন, রাশেদ খানকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিত। তিনি কোথা থেকে এই তথ্য পেয়েছেন। আলজাজিরার সাংবাদিক জুলকারনাইন সাহের একটি পোস্ট দিয়েছেন। সেখানে তিনি উল্লেখ করেছেন, বিদেশ থেকে বেশ কয়েকজন সন্ত্রাসী বাংলাদেশে ঢোকানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এমনটাই ইঙ্গিত দিচ্ছেন তিনি। যারা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সহিংসতার ঘটনা যাতে তৈরি হয়, সেটারই চেষ্টা চালাচ্ছে। অনেকে এই প্রশ্নও তুলছে যে, সরকার বলেছিল একটি সুষ্ঠ নির্বাচন হওয়া প্রয়োজন। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে, যে পরিস্থিতি, তাতে নির্বাচন না পিছিয়ে যায়। অন্তত সরকার ও প্রশাসনের গুরত্ব দিয়ে দেখা উচিত। এখন দেখার, শএষমেশ কি করা হয়।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post