সোমবার ঢাকার শহীদ মিনারে একটি সমাবেশের আয়োজন করেছিল এনসিপি। সেথানে উপস্থিত একাধিক নেতার মধ্যে ছিলেন এনসিপি-র দক্ষিণাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ এবং সদ্য ইস্তফা দেওয়া বাংলাদেশের তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। এই দুজনই অগ্নিঝড়া ভাষণে কার্যত ভারতকে তীব্র আক্রমণ করলেন। এমনকি ভারতের সেভেন সিস্টার্স দখলের হুমকিও দিলেন। যা নিয়ে নতুন করে দু-দেশের মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন শুরু হতে পারে বলেই মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল।
ঠিক কি বলেছে হাসনাত আবদুল্লাহ? ভারত বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা অনুযায়ী দেশটিকে একটি ফিলিস্তিন রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়। পাশাপাশি হাসনাত আবদুল্লাহ রীতিমতো হুঙ্কার ছেড়ে বলেছেন, বাংলাদেশকে অশান্ত করার কোনও চেষ্টা করা হলে, সমগ্র উত্তর-পূর্ব ভারত থেকে আলাদা হয়ে যাবে। অন্যদিকে ভারতকে লক্ষ্য করে মাহফুজ আলমের হুঙ্কার, সুশীলতা করে লাভ নেই, এবার লাশ পড়লে লাশ নেব। জুলাই আন্দোলনকারীদের ওপর কোনো আক্রমণ হলে এবার পাল্টা আক্রমণে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে মাহফুজ এ কথা বলেন।
উল্লেখ্য, জুলাই অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আলোচনায় উঠে আসা ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলার প্রতিবাদে সোমবার ঢাকায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সর্বদলীয় সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু সেই সভা কার্যত ভারত বিরোধীতার একটা কর্মশালায় পরিণত হয়। একের পর এক বক্তা ভারতকে নানা ভাষায় আক্রমণ করেছেন ওই সভায়। তবে সকলকে ছাপিয়ে যান হাসনাত ও মাহফুজ। উল্লেখ্য, এর আগে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসও ভারতের সেভেন সিস্টার্স নিয়ে হুমকি দিয়েছিলেন। তারপর থেকে বাংলাদেশের একাধিক ব্যক্তির মুখে এই হুঁশিয়ারি শোনা গিয়েছে। এবার ছাত্র নেতারা সেভেন সিস্টার্সকে বিচ্ছিন্ন করার হুমকি দিলেন। ওয়াকিবহাল মহল মনে করছেন, খুব শীঘ্রই বাংলাদেশকে উচিৎ শিক্ষা দিতে পারে ভারত। ভারতীয় সেনাবাহিনীও যাবতীয় প্রস্তুতি সেরে রেখেছে। এখন দেখার, হাসনাত-মাহফুজের বক্তব্যের কোনও প্রতিক্রিয়া দেয়।












Discussion about this post