বাংলাদেশে কি বড় কিছু ঘটতে চলেছে? কারণ সেদেশে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামানের সঙ্গে ছাত্রনেতা সারজিস ও ছাত্রনেতা হাসনাতের সাক্ষাৎ ঘিরে পারদ চড়েছে বাংলাদেশের রাজনীতিতে। কেন দুই ছাত্র নেতা গিয়েছিলেন সেনাপ্রধানের সঙ্গে দেখা করতে? প্রশ্ন বাংলাদেশের গণ অধিকার পরিষদের নুরের। এর নেপথ্যে কি কোনও ষড়যন্ত্র রয়েছে? তার দাবি, বাংলাদেশে কিছু রাজনৈতিক দল এবং সদ্য গঠিত সংগঠনের বক্তব্য সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে নেতিবাচক মনোভাব তৈরি করছে। দুই ছাত্র নেতা সেনাপ্রধানের সঙ্গে কেন বৈঠক করলেন, সেই নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠে আসছে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে। রাজনৈতিক পরিস্থিতির আবহে সতর্ক করলেন সেনাপ্রধান। নতুন পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকতে বলেছেন সেনাবাহিনীকে। কিন্তু নতুন পরিস্থিতি বলতে কি বোঝাতে চেয়েছেন ওয়াকার, ভাষণে সেটা ব্যাখ্যা করেননি তিনি। স্বভাবতই জল্পনা শুরু হয়েছে।
বাংলাদেশ এখন যে অবস্থায় অবস্থান করছে, তাতে পট পরিবর্তন নাকি গৃহযুদ্ধের মুখে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ? ছাত্র নেতারা একটি রাজনৈতিক দল গঠন করে, বাংলাদেশী নতুন ভাবে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করতে চাইছে। আর এতে মদত জোগাচ্ছেন মোহাম্মদ ইউনূস। কারণ তিনি পাকাপাকি ভাবে বাংলাদেশের মসনদে বসার পরিকল্পনা কষছেন। এই পরিস্থিতি বুঝে ফুসে উঠছে বিএনপি সহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলি। দাবি উঠে আসছে, নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হবে না। তবে বিএনপি’র বক্তব্য, যে সমস্ত আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তাদের বাদ দিয়ে আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলে, তাতে তাদের কোনও অসুবিধা নেই। আর এই অচল অবস্থার মধ্যেই প্রবলভাবে অভিযোগ উঠে আসছে, মোহাম্মদ ইউনুস ছাত্র নেতাদের মদত যোগাচ্ছে। যাতে তারা বাংলাদেশ বেড়ে উঠতে পারে, এবং জঙ্গি সংগঠনদের সাহায্য নিয়ে নির্বাচন গড়িমসি করে ইউনুসকে ক্ষমতার অলিন্দে চিরকালের জন্য বসে রাখতে পারে। অর্থাৎ অত্যন্ত জটিল পরিস্থিতির মধ্যে বাংলাদেশ।












Discussion about this post