শেখ হাসিনা সরকারের পতন হয়েছে সাত মাস কেটে গিয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশ রয়েছে বাংলাদেশেই। পরিস্থিতির কোনও বদল হয়নি। খুন, চুরি, ডাকাতি, অপহরণ, ধর্ষণ ঘটেই চলেছে। এদিকে নির্বাচন নিয়ে টালবাহানা চলছে দেশের অন্দরে। এখনও দিন ঠিক হয়নি নির্বাচনের। অন্যদিকে একটি নতুন দল আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে। তার উদ্যোগ নিয়েছে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কয়েকজন নেতা। কিন্তু কিছুতেই পরিস্থিতি আয়ত্তে আসছে না বাংলাদেশের। কার্যত ব্যর্থ বাংলাদেশ সরকারের উপদেষ্টা মোহাম্মদ ইউনুস। আর সামগ্রিক পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের শত্রুরা এখন ষড়যন্ত্র করছে বলে মন্তব্য বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া।
জানা যাচ্ছে, চিকিৎসার জন্য লন্ডনে রয়েছেন খালেদা জিয়া। সেখান থেকে দলের ভার্চুয়াল বৈঠকে খালেদা বলেন, এখনও বাংলাদেশে বহু মানুষ রয়েছে, যারা গভীর চক্রান্ত করছে। দীর্ঘ ১৫ বছর আমাদের বহু সহকর্মী প্রাণ দিয়েছেন। জুলুম, নির্যাতন হচ্ছে। বহু মিথ্যা মামলায় জর্জরিত করে দেওয়া হয়েছে। দেশ একটি সংকটময় পরিস্থিতি থেকে পেরিয়ে এসেছে বলে জানান খালেদা জিয়া। প্রত্যেকেই একসঙ্গে কাজ করে দেশকে অরাজক পরিস্থিতি থেকে বের করে আনতে হবে বলে জানান তিনি। প্রতিহিংসা নয়, প্রতিশোধ নয়, ভালোবাসা দিয়ে গোটা দেশকে আগামী প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য করে তোলার বার্তা দেন বিএনপি নেত্রী।
অর্থাৎ বাংলাদেশ যে ভালো পরিস্থিতির মধ্যে নেই, সেটাও বলতে চাইলেন খালেদা জিয়া। ইউনুস দেশ চালাতে পারছেন না, সেটাই বোঝাতে চাইছে বিএনপি। সেই কারণেই বহুদিন আগে থেকেই নির্বাচন চাইছে তারা। যখন নির্বাচন নিয়ে গড়িমসি চলছিল, তখন বিএনপির বহু নেতৃত্ব বাংলাদেশের বিভিন্ন সভা থেকে কার্যত হুশিয়ারি দিতে থাকে।
এদিকে বাংলাদেশের সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ জামান বার্তা দিয়েছেন, প্রত্যেকে যেন একসঙ্গে মিলে কাজ করে। তাতে সুন্দর হবে বাংলাদেশ। এর পাশাপাশি তিনি বলেন, নিজেদের মধ্যে কাদা ছোড়াছুড়ি করে লাভ নেই। তাতে আমাদের দেশের সার্বভৌমত্ব নষ্ট হবে বলে উল্লেখ করেন সেনাপ্রধান। অর্থাৎ, সেনাপ্রধান ঘুরপথে স্বীকার করে নিলেন, ইউনুস দেশ চালাতে ব্যর্থ।
বর্তমানে এই পরিস্থিতি গোটা বাংলাদেশে। এরপর বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কোন দিকে এগোয়, সেটাই এখন দেখার।












Discussion about this post