বিশ্বকাপে মাঠের প্রস্তুতির আগে চলছে বোর্ড রুমের লড়াই। বাংলাদেশের ক্রিকেট এখন অনিশ্চয়তা। একদিকে অভ্যন্তরীণ বিতর্ক, অন্যদিকে আইসিসির কড়া অবস্থান এবং সময়সীমা। ক্রিকেট বিষয়ক ওয়েবসাইট থেকে জানা গেছে, গত শনিবার ঢাকায় অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে আইসিসি বিসিবিকে এই ডেডলাইনের কথা জানিয়ে দিয়েছে। সোমবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিসিবি পরিচালক আমজাদ হোসেন বলেন, ‘গত শনিবার ১৭ জানুয়ারি আইসিসির একজন প্রতিনিধি আসেন এবং আমাদের ক্রিকেট বোর্ডের প্রতিনিধি দলের একটি বৈঠক হয়। বিকল্প ভেন্যুর জন্য আমরা অনুরোধ করি, তাদের প্রতিনিধির সঙ্গে আমাদের বিস্তরিত আলোচনা হয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘ওনারা তখন আমাদেরকে বলেন, এই ব্যাপারগুলো তারা আইসিসিকে গিয়ে অবহিত করবে এবং পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত আমাদেরকে জানিয়ে দেবে। যদি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ খেলতে রাজি না হয়, তার জন্যও তৈরি বিকল্প। সে ক্ষেত্রে ICC র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের পরেই থাকা স্কটল্যান্ডকে সুযোগ দেবে ICC। অর্থাৎ, সবদিক থেকেই এখন বিপাকে বাংলাদেশ। যদি বাংলাদেশ তার সিদ্ধান্ত না বদলায়, তা হলে তাদের ছাড়াই বিশ্বকাপ আয়োজনের পথে হাঁটবে ICC। বিসিবি জানিয়েছে, তারা আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে আগ্রহী। কিন্তু কোনও পরিস্থিতিতেই ভারতে গিয়ে ম্যাচ খেলবে না। বিসিবি-র যুক্তি নিরাপত্তা এবং সামগ্রিক ব্যাপারে পর্যালোচনা করে শ্রীলঙ্কায় খেলাই তাদের কাছে গ্রহণযোগ্য। আইসিসির তরফ থেকে জানানো হয়েছে, বিশ্বকাপের নির্ধারিত সূচি বদলের কোনও সম্ভাবনা নেই। শুধু ভ্যেনু নয়, বিসিবি যে বিকল্প পথ খুজে বের করেছে সেটিও মানতে নারাজ ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা। উল্লেখ্যযোগ্য ভাবে, আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি ভারত ও শ্রীলঙ্কায় শুরু হতে চলেছে আইসিসি টি২০ বিশ্বকাপ। ৮ মার্চ টুর্মামেন্টের ফাইনাল। টুর্নামেন্টে গ্রুপ সি- আছে বাংলাদেশ। তাদের গ্রুপ পরবের তিনটি ম্যাচ হওয়ার কথা কলকাতায়, একটি মুম্বইতে। বিশ্বকাপ শুরুর দিনই কলকাতায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে মাঠে নামার কথা বাংলাদেশের। এরপর ৯ ফেব্রুয়ারি ইতালির বিপক্ষে এবং ১৪ ফেব্রুয়ারি ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ইডেনেই ম্যাচ খেলার কথা বাংলাদেশের। আর নেপালের বিরুদ্ধে ১৭ ফেব্রুয়ারি মুম্বইতে খেলার কথা বাংলাদেশের। অন্যদিকে, আইসিসিরি সময় বেধে দেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন বিসিবি পরিচালক আমজাদ হোসেন। বৈঠকে কোনো সময়সীমা বেধে দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছে তিনি। আমজাদ বলেন, ‘ওনারা তখন আমাদের বলেন যে ঠিক আছে, এই ব্যাপারগুলো তারা আইসিসিকে অবহিত করবেন এবং পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত আমাদের জানিয়ে দেবেন। এ ব্যাপারে ওনারা কোনো নির্দিষ্ট তারিখ বা কবে নাগাদ জানাবেন কিছুই বলেননি। শুধু বলেছেন যে আমাদের পরবর্তী তারিখটা কবে হবে জানিয়ে দেবেন।’ সাংবাদিকরা পাল্টা একাধিক প্রশ্ন করলে তিনি কোনও উত্তর না দিয়ে বেরিয়ে যান। এখন দেখার কোন দিকে এগোয় জল।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post