২০২৪ এর ৫ই অগাষ্ট বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছেড়ে শেষ পর্যন্ত দেশ ত্যাগ করতে হয় শেখ হাসিনা কে। পরবর্তীকালে সেই আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানের রূপ নেয়। হাসিনা বিরোধী আন্দোলনে মুখরিত হয়ে উঠেছিল গোটা বাংলাদেশ। এমনকি সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছিল আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে। সেই সময় শেখ হাসিনাকে স্বৈরাচারী সরকার বলে তকমা দেগেছিল আন্দোলনকারীরা। তারপরই গঠন করা হয় অন্তবর্তি সরকার। তার মাথায় বসানো হয় মোহাম্মদ ইউসকে। কিন্তু এক মাস কাটতে না কাটতেই চাপে পড়ে যায় ইউনূস। একাধিক ইস্যুতে পথে নেমেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র ছাত্রীরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে আরেকটি বিশ্ববিদ্যালয় করার ডাক দিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের একাংশ। এমনকি ইউনুস প্রশাসনকে সময়সীমা বেধে দিয়েছে। আর সেই সময়ের মধ্যে যদি ইউনুস দাবি না পূরণ করে, তবে বড় আন্দোলনের পথে হাঁটবেন তারা।
জানা যাচ্ছে, ২৭ জানুয়ারি এই আন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়াও আরও বহু ছাত্রছাত্রী যোগ দিয়েছেন। তাদের মোট ৬ টি দাবি রয়েছে। যা নিয়ে উত্তাল ঢাকা। এদিকে ইউনূসের সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলেন আন্দোলনকারীরা। ছাত্রদের আন্দোলনের জেরে দেশ ত্যাগ করেছিলেন শেখ হাসিনা। আন্দোলনকারীদের একটাই দাবি ছিল স্বরাচারি হাসিনাকে উৎখাত করতে হবে। আর সেটাই হয়েছিল।
এদিকে মোঃ ইউনূসের আমলে দেখা যাচ্ছে, সেই একই বিষয়। ইউনূসের উপর ছাত্ররা ক্ষিপ্ত, আন্দোলন করছেন। তীব্র বিক্ষোভে ফেটে পড়ছে ঢাকার রাজপথ। তবে কি শেষমেষ, হাসিনার মতোই কি পরিণতি হবে মোহাম্মদ ইউনূসের? এই প্রশ্নই এখন সবথেকে বেশি প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে বাংলাদেশের অন্দরে।












Discussion about this post