একটি কড়া সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে ভারত সরকার। যে সিদ্ধান্ত নিঃসন্দেহে চিন্তা বাড়াবে বাংলাদেশের মতো দেশকে। ডোনাল্ড ট্রাম্প বাংলাদেশকে আর্থিকভাবে স্বচ্ছ বন্ধ করে দিয়েছে। আর সেই হুবহু অ্যাকশন নিলেও ভারতও। ভারত সিদ্ধান্ত নিয়েছে মালদ্বীপকে আর কোনওভাবে আর্থিক সাহায্য করবে না। অবশ্যই এর পিছনে রয়েছেন মালদ্বীপের প্রধানমন্ত্রী মুইজুর। বিশ্বাসঘাতকতা করেছে মালদ্বীপ, সেই কারণে আর্থিকভাবে সাহায্য বন্ধ করে দিয়েছে ভারত।
সাম্প্রতিককালে নজর রাখলে দেখা যাবে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক অবনতি হয়েছে। কিন্তু তারপরও ভারত কোনও করা পদক্ষেপ করেনি বাংলাদেশের বিরুদ্ধে। কারণ ভারত বিশ্বাস করে, সে দেশে নির্বাচন হলে রাজনৈতিক সম্পূর্ণভাবে পরিবর্তন হবে। ফের হাসিনা বাংলাদেশে ফিরে এলে ভারত বাংলাদেশের সম্পর্ক আগের মতো হয়ে যাবে। কিন্তু এক্ষেত্রে মইজু সরকারকে ভারত সরকার বেশ কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে বলেছিল। এমনকি প্রথমবারের মতো মইজু সরকারকে ক্ষমা করে দেয় ভারত। এইবার চীনের সঙ্গে ফ্রি ট্রেড পলিসি নিল মইজু সরকার। এর ফলেই চটেছে ভারত।
পূর্বে একাধিকবার মালদ্বীপ ভারতের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। যখন ময়জু সরকার নির্বাচনে লরেন, তখন তিনি ইন্ডিয়া আউট ক্যাম্পেইন করেছিলেন। শুধু তাই নয়, তার সরকার যে চীনের সাপোর্টে চলছে, তা আন্তর্জাতিক মহল দেখেছ চমকে গিয়েছিল। কিন্তু অ্যান্টি-ভারত ক্যাম্পেইন করে নির্বাচনী জয়লাভ করে মালদ্বীপের মসনদে বসে, এটা বুঝে গিয়েছেন ভারতকে বাদ দিয়ে কোনওভাবেই তিনি রাষ্ট্র চালাতে পারবেন না। কিন্তু ভারত সরকার এইবার বড় সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলল। মালদ্বীপকে আর্থিকভাবে সাহায্য বন্ধ করে দিয়েছে ভারত সরকার। ফলে চরম বিপাকে পড়েছে গোটা দেশের অর্থনৈতিক পরিকাঠামো।
তবে প্রশ্ন উঠছে, এর মধ্যে দিয়ে বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করলেন মোদি? ভারতকে দূরে সরিয়ে মালদ্বীপ যেরকম চলতে পারবে না, তার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য বাংলাদেশও। এবার কি সামগ্রিক পরিস্থিতি থেকে শিক্ষা নেবে মোহাম্মদ ইউনুস? চরম ভারত বিরোধী করে যে ভুল করছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, তা কি তারা বুঝতে পারছে? যদিও রোজকার পরিসংখ্যান দেখলে বোঝা যাবে, নিত্য প্রয়োজনীয় খুঁটিনাটি জিনিস ভারতের থেকে নিতে হচ্ছে বাংলাদেশকে। হয়তো বাংলাদেশের সরকারের কাছে ধীরে ধীরে এইবার পরিষ্কার হচ্ছে ভারতের বিশ্বব্যাপী প্রভাব।












Discussion about this post