গাজীপুরে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী মোজাম্মেল হকের বাড়িতে হামলার ঘটনার পর আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সারা দেশ জুড়ে যৌথ বাহিনীর অভিযান কর্মসূচি বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার।
গত শনিবার স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা প্রাক্তন লেফটেন্যান্ট জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তরফে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে গণমাধ্যমে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে গাজীপুরে ছাত্র জনতার ওপর হামলার ঘটনায় আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংশ্লিষ্ট এলাকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং হামলাকারীদের প্রকাশ্যে এনে বিচারের আওতায় আনতে এই যৌথবাহিনী গঠন করে অপারেশন সিদ্ধান্ত,,।
বাংলাদেশের মাটি থেকে আওয়ামী লীগকে উৎখাত করতেই এই নিদান। অপারেশন ডেভিল হান্ট অভিযান শুরু করেছে মোহম্মদ ইউনূস। ওই অভিযানে আওয়ামী লীগের নেতা, কর্মীদের গ্রেফতার না করে এনকাউন্টার করে লাশ করার নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
উল্লেখযোগ্যভাবে ২০০২ সালে খালেদা জিয়ার শাসনকালে অপারেশন ক্লিন হাট অভিযান শুরু হয়েছিল আওয়ামী লীগ নেতাদের উৎখাত করতে। এইবার অন্তবর্তী সরকারের শাসসকালে মহুমুদ ইউনূসের জমানায় একই অভিযান শুরু হয়েছিল। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা তথা প্রাক্তন সেনা আধিকারিক জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এই কথা ঘোষণা করেন নিরাপত্তা বাহিনীতে থাকা শীর্ষকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে। এই কথা ঘোষণা হতেই অবাক হয়ে যান বৈঠকে থাকা শীর্ষ আধিকারিকরা।
এমনিতেই গোটা বাংলাদেশ জুড়ে চরম নৈরাজ্য চলছে। গত বুধবার রাতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৩২ নম্বর ধানমন্ডির বাড়ি ভেঙে কুড়িয়ে দেয় মদতপুষ্ট বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা এবং হিজবুত তাহেরির সদস্যরা। তার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে একাধিক আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। এমনকি ২০০ র বেশি আওয়ামী লীগের কার্যালয় ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ গোটা দেশ জুড়ে শুধুমাত্র আওয়ামী লীগ দলের চিহ্ন মুছে ফেলা তাই নয়, বঙ্গবন্ধুর সমস্ত স্মৃতি নিশ্চিহ্ন করে ফেলার কার্যকলাপ শুরু করেছে জঙ্গিগোষ্ঠী গুলির মদতপুষ্ট ছাত্র নেতারা।
বাংলাদেশ কি ক্রমশ কট্টর মৌলবাদীদের হাতে চলে গেল? কারণ এই ধরনের ঘটনা দেখে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হচ্ছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।












Discussion about this post