বাংলাদেশকে ধ্বংশের হাত থেকে বাঁচাতে পারেন সেনাপ্রধান। কিন্তু দেশ ধ্বংশ করতে যিনি বদ্ধপরিকর, যার মনে কট্টর পাকিস্তানিদের মত, ভারত বিরোধীতার সুর। তার কাছে সংবিধান গনতন্ত্র কোন কিছুরই কোন মূল্য থাকবে না এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু সেনাপ্রধান কি করবেন। এই বিরাট ষড়যন্ত্রে পড়ে, বাঁচার পথ খুঁজতে নিজেকে আত্মসমর্পনের পথে নিয়ে যাবেন। নাকি বাংলাদেশের বীর শহীদদের কথা স্মরণ করে, শেষ একবার এই ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সেনাদের একত্রিত করে যুদ্ধে নামবেন।
আওয়ামীলিগকে কোন ভাবেই মোকাবিলা করতে পারবে না জেনেই, পরিকল্পনা করে আওয়ামীলীগকে নিষিদ্ধ করেছে সেদেশের পাকিস্তানের পাপেট ইউনূস সরকার। ইউনূস বাহিনীর ষড়যন্ত্র ফাঁস হয়ে যাওয়ার ভয় আর জনগনের আক্রোশ আতঙ্কে রেখেছে সব উপদেষ্টাদের, এই বুঝি কোথা থেকে ষড়যন্ত্র ফাঁস হয়ে যায়। এই বুঝি সেনাপ্রধান তাদের দুর্নীতির দায়ে আটক করে। কারণ তাদের বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস এখন একটি বিভাগেরই আছে, সেটি হল সেনাবিভাগ এবং সেনাপ্রধানের। কিন্তু সেখানেও ইউনূস বাহিনীর ষড়যন্ত্র, সেনার মধ্যে বিভাজন ঘটিয়েও নিশ্চিন্তে থাকতে পারছে না তদারকী সরকার। কোন দিকেই তাদের হাতে রাশ নেই, সেনাকে সামলাতে গেলে অর্থ দফতর ধরে, তখন অর্থদফতরের অবলুপ্তি ঘটালে, পুলিশ ধরবে, তাদের নির্মমভাবে পুড়িয়ে হত্যা করেও রেহাই নেই।এখন ভয় এই বুঝি জনগন উপদেষ্টাদের উপর চড়াও হয়ে হামলা করে। এই ভয়েই মুখ বন্ধ করে পালাচ্ছে উপদেষ্টারা।। আসলেই বাংলাদেশ আর আফগানিস্তান পৃথিবীর সব দেশের থেকে আলাদা। সারাক্ষন এনজিও আর বিলাসিতায় থাকা ইউনূস সাহেব, দেশ নিয়ে না ভাবা সাধারণ মানুষকে ভুল বোঝাতে সক্ষম হলেও, দেশের যারা ভবিষ্যৎ সেই শিক্ষার্থীদের ভূল বোঝাতে পারছেন না, আর পারবেনও না। কারণ এই তদারকী সরকারের সব কিছু সামলানোর ক্ষমতা নেই। এই জন্য প্রয়োজন রাজনীতি বোঝেই এমন কোন ব্যক্তির।এই মত আমাদের নয়, আপনাদের সঙ্গে আন্দোলোনে থাকা সামনের সারির নেতাদেরই।। এই ছাত্রউপদেষ্টারা এক সময় কোটা বিরোধী আন্দোলোন শুরু করেছিলেন, হাসিনা সেটি মেনে নিলে। তাদের আন্দোলোনের রূপরেখা বদলে যায়। যা সাধারণ শিক্ষার্থীদের জানানোই হয়নি। কারণ ছাত্র আন্দোলোন হাসিনা সরকার মেনে নিলে, ছাত্ররা নিজেরাই বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে, নিজেরাই নিজেদের কিছু মাতাল লোকজনদের মেরে হাসিনার উপর দোষ চাপিয়ে, হাসিনার পদত্যাগের দাবীতে, লং মার্চ টু ঢাকা শুরু করেন। তখন পুলিশ শুধুমাত্র বাঁধা দেন। যা তাদের কর্তব্য, যেটা এখন হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন মাহফুজের মত জঙ্গী ছাত্র উপদেষ্টারা। এখন আপনারা বলছেন কথায় কথায় যুমুনা চল বলা যাবে না। আপনারা তো হাসিনাকে ক্ষতম করতে যাচ্ছিলেন, তা আপনাদের ব্যবহারেই স্পষ্ট ছিল। কিন্তু এখন যাদের আটকাতে চাইছেন তারা তো সাধারণ ছাত্র, যারা এক সময় আপনাদের সঙ্গে আন্দোলন করেছিলেন বলে আপনারাই দাবী করছেন। তাহলে আপনাদের সহযোদ্ধাদের এত ভয় কিসের।












Discussion about this post