কেঁচো খুঁড়তে কেউটে। এইবার সম্মুখ সমরে নাহিদ ইউনূস। নিজের লোকের কাছের মানুষের কাছেই নাস্তানাবুদ নোবেল জয়ী। আগুন লেগেছে বাংলাদেশের অন্দরে। বলা ভাল, সরকারের অন্দরে। নারদে নারদে লড়াই। যে নাহিদ ইসলাম ইউনূসের সবথেকে কাছের মানুষ ছিলেন, সেই নাহিদের তোপের মুখে তিনি। কিন্তু কেন? কি এমন ঘটল?
বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম প্রথম আলোর সূত্র ধরে জানা গিয়েছে, ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে বসেন মোহাম্মদ ইউনূস। বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এই বৈঠক হয়। সেখানে মোহম্মদ ইউনূস জানান, অন্তবর্তীকালীন সরকারের কোনও পরিকল্পনা নেই আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার। তবে যে সমস্ত আওয়ামী লীগ নেতা, কর্মীদের বিরুদ্ধে খুন, বা মানবতা বিরোধী অভিযোগ রয়েছে, তাদের বিচার হবে বাংলাদেশের আদালতে। নাহিদের এই অভিযোগই চটেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতারা। ছাত্রনেতারা কার্যত তেড়েফুঁড়ে উঠেছেন ইউনূসের বিরুদ্ধে। ইউনূস তীব্র আক্রমণ করছেন তারা। সাংবাদিক সম্মেলন করে অন্তবর্তী সরকারকে দুষছেন তারা।
তবে কি এইবার বাংলাদেশে তদারকি সরকার ভাঙতে শুরু করেছে? নতুন রাজনৈতিক দল এনসিপি বা জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্যরা যখন তখন ইউনুসকে তুলোধোনা করছেন। ফলে বলাই বাহুল্য, এই শুরু। এরপর নির্বাচন যত এগিয়ে আসবে ততই তাদের গৃহযুদ্ধ প্রকট হবে। মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ। একদিকে সেনাপ্রধান মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন, এখন ছাত্রনেতারা। এখন কোথায় যাবেন মহম্মদ ইউনূস, সেটাই দেখার।












Discussion about this post