নির্ধারিত সময়ের একদিন আগেই ভারতে এসেছেন বাংলাদেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান। দ্য গ্রেট রজার যিনি আবার ইউনুসের খুব কাছের ব্যক্তি হিসাবেই পরিচিত। তিনি দিল্লিতে একান্তে বৈঠক করেছেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের সঙ্গে। এখানেই গভীর প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে হঠাৎ কেন তড়িঘড়ি ভারতের জেমস বন্ড নামে খ্যাত অজিত ডোভালের সাথে একান্ত গোপন বৈঠকের প্রয়োজন হল বাংলাদেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টার? দুজনের মধ্যে ফাঁসির সাজাপ্রাপ্ত বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণ নিয়ে কোনও কথা হয়েছে কিনা, তা জানা যায়নি।কেননা, দু’পক্ষের তরফে এ বিষয়ে কিছু বলা হয়নি। তবে হাসিনার ট্রাইবুনাল আদালতে সাজা ঘোষণার পরেই তড়িঘড়ি ভারতে ছুটে আসা যে আলোচনার বিষয়বস্তু হাসিনাই হতে চলেছে তা আর বুঝে নিতে অপেক্ষা রাখে না। এখন প্রশ্ন এটাই তবে কি খলিলুর ভারতে সাথে মিশে ইউনূসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নাড়তে চলেছেন। পরিস্থিতি ক্রমশ ঘোলাটে হচ্ছে বাংলাদেশে। দিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের তরফে এক প্রেস বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ‘ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল ও তাঁর সহযোগীদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের জাতীয নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান।গত ১৭ ই নভেম্বর গত বছরের জুলাইয়ে ছাত্র আন্দোলনে গুলি চালানোর আদেশ দেওয়ার অপরাধে বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার ফাঁসির সাজা ঘোষণা করা হয়। আর ওই সাজা ঘোষণার পরেই গতকাল মঙ্গলবার দিল্লিতে পৌঁছন বাংলাদেশের তদারকি সরকারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান। বুধবার দিল্লিতে আসার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু একদিন আগেই তড়িঘড়ি দিল্লিতে চলে আসেন তিনি। এবং সরাসরি অজিত ডোভারের সাথে বৈঠক করেন এবং সেই বৈঠক ছিল তিন থেকে চার ঘন্টার অবশ্যই আলোচনার প্রধান বিষয়বস্তু ছিলেন হাসিনা তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। পরেই আবার তিনি বৃহস্পতিবার বিকেলেই ঢাকা ফিরে যাবেন। ঘটনা ক্রমে সোমবারই অর্থাৎ ১৭ ই নভেম্বর গত বছরের জুলাইয়ের গণহত্যার জন্য বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর জমানার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা শুনিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। ওই রায়ের পরেই বাংলাদেশের তদারকি সরকারের বিদেশ উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন জানিয়েছিলেন, ‘সাজাপ্রাপ্ত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ জানিয়ে ভারত সরকারকে চিঠি পাঠানো হবে।’ আর তার ওই বক্তব্যের পরে বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার তড়িঘড়ি দিল্লি আসা তা নিয়ে ই সমস্ত রহস্যের দানা বাঁধছে তবে কিছু রাজনৈতিক মহল আবার জানাচ্ছেন অজিত ডোভালের দেওয়া সমস্ত শর্ত গুরুর আদেশ হিসাবে যেন মেনে চলছেন খলিলুর রহমান তবে কি ভারতের সাথে খলিলুর যোগ বাংলাদেশে আরেক নতুন সমীকরণের জন্ম দিচ্ছে?
আজ অর্থাৎ বৃহস্পতিবার দিল্লির হায়দরাবাদ হাউসে বসতে চলেছে সপ্তম কলম্বো সিকিউরিটি কনক্লেভের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের বৈঠক। ওই বৈঠকে যোগ দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা তথা প্রাক্তন সিআইএ এজেন্ট খলিলুর রহমানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল। আর সেই ডাকেই হঠাৎ তড়িঘড়ি খলিলুরের ভারত সফর এবং অজিত ডোভালের গোপন বৈঠকে যোগদান এ এক অন্য রহস্যের দানা বাঁধছে তবে কি খলিলুর ইউনুস বিরোধী ভারতপন্থী হিসাবেই হাসিনাকে পাশে চাইছেন কারণ আমরা জানি আগামী ২৬ শে বাংলাদেশে নির্বাচন আর সেই নির্বাচনে জোরপূর্বক ইউনুস সরকার হাসিনার আওয়ামী লীগকে অংশগ্রহণ করতে দেয়নি। তাই এক নতুন সমীকরণ নিয়ে এগোচ্ছেন বাংলাদেশের খলিলুর আর তাতেই চরম বিপদে পড়তে চলেছে ইউনুস!বাংলাদেশ ও নেপালে রাজনৈতিক পালাবদলের পরে যার যোগ্যতা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠেছে তবে কি বাংলাদেশে আবারো এক পালাবদল ঘটতে চলেছে ইউনূসের বিদায় ঘটিয়ে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রিয়পাত্র হওয়ার কারণে অজিত ডোভালের সমস্ত সিদ্ধান্তকেই যে ভারত তথা দিল্লি মান্যতা দেয় তা পূর্বের বেশ কিছু ঘটনা সামনে এসেছে তবে হাসিনাকে নিয়ে ভারত এখন কি পদক্ষেপ নেয় খলিলুরের বৈঠকের পর ইউনূসের বিপদ যে বাড়ছে তা ভারতের অঙ্গভঙ্গি চালচলন দেখলেই বোঝা যাচ্ছে যে বাংলাদেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টা মিস্টার খলিলুর রহমান ভারতের গোপন বার্তা সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশে ফিরেছেন।
অন্যদিকে দেখার বিষয় ভারতের জেমস বন্ড অজিত ডোভাল যে বার্তা বাংলাদেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টাকে দিয়ে পাঠালেন তা কতটা বাংলাদেশে গিয়ে প্রযোজ্য হয়। ভারতের গোপন খেলায় ইউনূস ই বা কতটা চাপে পড়তে চলেছে।।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post