বাংলাদেশের রাজনীতিতে যে ঘটনাগুলি ঘটছে, তাতে অনেকেই স্বাভাবিক বলে মনে করছেন না। বাংলাদেশের বর্তমান পরিবেশ অস্থিরতার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে, সেটা স্পষ্ট। অনেকেই কথা বলছেন, সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামানের চিন সফরে নিয়ে। তবে কি ইউনূসের কথাতে চিন সফরে গিয়েছেন সেনাপ্রধান? নাকি এর সঙ্গে ছাত্ররাও জড়িত? কারণ কিছু ছাত্রনেতাকে দেখা গিয়েছে চিন সফর করতে।
সেনাপ্রধান এই মুহূর্তে বাংলাদেশের মানুষের কাছে ঠিক কতটা গ্রহণযোগ্য, সেটা নিয়ে সন্দিহান রয়েছে। তার কারণ গোপালগঞ্জের ঘটনা। অন্যদিকে সেনাবাহিনী কি আদেও সন্তুষ্ট? কিছুদিন আগেই অফিসার্স এড্রেসে কোনও আধিকারিক নাকি পয়েন্ট দেননি। যেটা নিয়ে আগে থেকে তারা কথা বলতে চায়। অনেক পরে দেখা যায়, কয়েকজন কিছু বিষয়ে মুখ খুলেছেন। সেখানেও সেনাবাহিনীর ভিতর থেকে একজন আধিকারিক নাকি বলেছিলেন, সেনাবাহিনীর ইমেজ সংকটে রয়েছে। কারণ ছাত্রনেতারা যেভাবে একের পর এক সেনাবাহিনীকে নিয়ে মন্তব্য করেছে, তাতে সেনাপ্রধান বলেছেন, তারা তাদের সন্তানদের মত। যেটা ঘিরে সেনা সদস্যদের মধ্যে নানা দ্বিধা দেখা যাচ্ছে। এরই মধ্যে চীন সফরে গিয়েছেন বাংলাদেশের সেনা প্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামান। হঠাৎ করে তিনি চীনে কেন গেলেন? সেই প্রশ্ন উঠেছে। তবে কি অস্ত্র কিনতে গিয়েছেন? আমেরিকার সঙ্গে যে চুক্তি হয়েছে বাংলাদেশের, তাতে চীনের থেকে অস্ত্র কেনা, সেগুলির ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। ফলে এই মুহূর্তে বাংলাদেশের প্রতিটা বিষয় আমেরিকা হস্তক্ষেপ করতে পারে।
বাংলাদেশের এই মুহূর্তে যে রাজনৈতিক পরিস্থিতি, তাতে সাধারণ মানুষ উপকৃত হচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন দেওয়া সম্ভব নয়। সেটা প্রায় প্রমাণিত। নির্বাচনে কতটা জেনারেল ওয়াকার ভূমিকা রাখতে পারবেন, সেটা ঘিরেও প্রশ্ন উঠে যাচ্ছে। তিনি দেশের মানুষের সমস্ত দায়িত্ব নেওয়ার পরও তিনি সেটা রাখতে পারেননি। সেনাবাহিনীকে দিয়ে আইন শৃঙ্খলা রক্ষা করার কথা জানিয়েছিলেন। সেটাও রাখেননি। গোপালগঞ্জের ঘটনা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। ফলে তিনি আর দেশের জনগণের ভরসার জায়গাতে নেই। বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রাখতে চেয়েছিলেন ওয়াকার। কিন্তু প্রত্যেকে বুঝে যেতেই তাকে বাতিলের খাতায় রেখেছেন বলে খবর। ফলে চিন গিয়ে কতটা ফায়দা লুটতে পারবেন জেনারেল ওয়াকার, সেটা ঘিরেই প্রশ্ন উঠে যাচ্ছে। কারণ তিনি সেনাপ্রধান থাকতেই আমেরিকার সঙ্গে বাংলাদেশের গোপন এই চুক্তি হয়েছে। যে চুক্তিতে দেখা যাচ্ছে, বাংলাদেশ অন্য যে কোনও দেশের সঙ্গে কিছু করতে গেলেই আমেরিকার সঙ্গে পরামর্শ করতে হবে। একপ্রকার অনুমতি নিতে হবে। এখন দেখার, শেষমেষ কি পরিস্থিতি তৈরি হয়।












Discussion about this post