ফের নিশানায় বাংলাদেশ সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাপ্রধানের একটি বক্তব্যকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে তাঁর পদকে অসম্মান করার অভিযোগ তুলেছে ইন্টার সার্ভিস পাবলিক রিলেশনস ডিরেক্টরেট (আইএসপিআর)। তারা বিবৃতি জারি করে জানিয়েছে, সেনাপ্রধান গুম খুন বা অন্যান্য মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত কাউকে দায়মুক্তি দেওয়ার বিষয়ে কোনও বক্তব্য দেননি। কিন্তু একটি স্বার্থাণ্বেষী গোষ্ঠী, বিশেষ করে বিদেশে অবস্থানরত কিছু ব্যক্তি অসৎ ও হীন উদ্দেশ্যে বরাবরের মতো এবারও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্টাডি পিরিয়ডের বিষয়বস্তু ও সেনাপ্রধানের বক্তব্যকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে বিভ্রান্তিকর পোস্ট করে চলেছেন। এর মাধ্যমে তারা দেশপ্রেমিক সেনার সঙ্গে জনগণের মধ্যে দূরত্ব তৈরির অপচেষ্টা চলেছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, চলতি বছর ৩০ সেপ্টেম্বর সেনাবাহিনীর একটি অনুষ্ঠানে একটি গবেষণা পত্র প্রকাশিত হয়। গবেষণা পত্রের বিষয় প্রশাসনকে সেনাবাহিনী কীভাবে, কতটা সাহায্য করতে পারে। বর্তমানে সেনাবাহিনী কী ভাবে পরিচালিত হচ্ছে, সেখানে তারও উল্লেখ রয়েছে। সভা সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ের ক্ষমতা দেওয়া নিয়েও আলোচনা হয়েছে। আলোচনার একসময় ফৌজদারি আইনের ১৩২ নম্বর ধারা নিয়েও পর্যালোচনা চলে। সেনাপ্রধান
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার-এ মাঠে নিয়োজিত সেনা সদস্যদের সিআরপিসি ১৩২-এ প্রদত্ত দায়মুক্তির বিষয়ে কথা ওঠে এবং সেনাপ্রধান আলোচনার অংশ হিসেবে সিআরপিসি ১৩২-এ প্রদত্ত দায়মুক্তি এবং ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইম (ট্রাইব্যুনাল) ধারা ১৯৭৩ (সংশোধিত ২০২৪) এর সাথে এর সাংঘর্ষিক অবস্থান সম্পর্কে আলোকপাত করেন। সিআরপিসি’র অধীনে সরকারি আদেশে মাঠ পর্যায়ে দায়িত্ব পালনকারী সেনাসদস্যরা প্রদত্ত আইনি বিধান অনুসারে বেআইনি জনসমাগম ছত্রভঙ্গ করেন। অতএব, দায়িত্বরত এই সেনাসদস্যদের আইনগত সুরক্ষা নিশ্চিতের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে বিষয়টি ইতোমধ্যে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’ এ মাঠে নিয়োজিত সেনাসদস্যদের সিআরপিসি ১৩২-এ প্রদত্ত দায়মুক্তির বিষয়ে কথা ওঠে। সেনাপ্রধান আলোচনার অংশ হিসেবে সিআরপিসি ১৩২-এ প্রদত্ত দায়মুক্তি এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইন, ১৯৭৩ (সংশোধিত ২০২৪)-এর সঙ্গে এর সাংঘর্ষিক অবস্থান সম্পর্কে আলোকপাত করেন। সিআরপিসির অধীনে সরকারি আদেশে মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনকারী সেনাসদস্যরা প্রদত্ত আইনি বিধান অনুসারে বেআইনি জনসমাগম ছত্রভঙ্গ করেন। দায়িত্বরত এই সেনাসদস্যদের আইনগত সুরক্ষা নিশ্চিতের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে বিষয়টি ইতিমধ্যে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।
ওয়াকার জানিয়েছেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সর্বদা সংবিধান, রাষ্ট্রের আইন ও জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ থেকে পেশাদারিত্ব ও শৃঙ্খলার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত রাখবে। একটি অসাধু ও কুচক্রী মহল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সেনাবাহিনী প্রধানের বক্তব্য বিকৃত করে যে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালাচ্ছে, তা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ভিত্তিহীন। এমতাবস্থায়, এ ধরনের বিভ্রান্তিকর ও অসত্য তথ্যের প্রতি সতর্ক থাকার জন্য জনসাধারণকে বিনীতভাবে অনুরোধ জানানো হচ্ছে।
আইএসপিআর দেশবাসীকে সতর্ক করতে গিয়ে জানিয়েছে, তারা যেন কোনওভাবেই কোনও ধরনের অপপ্রচারকে গুরুত্ব না দেয়। সাম্প্রতিক ঘটনার নিরিখে সেনাবাহিনীর তরফে এই প্রথম বড় আকারে বিবৃতি দেওয়া হল। এর মূল উদ্দেশ্য বাহিনী সম্পর্কে দেশবাসীর মধ্যে যে নেতিবাচক মানসিকতা তৈরি হয়েছে, সেটা দূর করা। বাহিনী কতটা সফল হয়, সে দিকে তাকিয়ে বাংলাদেশের সুশীল সমাজ।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post