আসিফ মাহমুদের পর এইবার হাসনাত আব্দুল্লাহ। যত কাণ্ড ফেসবুকে। সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার ফেসবুক পেজ নিষ্ক্রিয় করে দেওয়া হয়েছিল। তিনি অভিযোগ করেছিলেন, নানা ধরনের রিপোর্ট করে এটা করা হয়েছে। অন্যদিকে এনসিপি নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহর ফেসবুক একাউন্ট নিষ্ক্রিয় হয়ে গিয়েছে। একের পর এক তাদের ফেসবুক নিষ্ক্রিয় হচ্ছে কেন? সেটা নিয়ে প্রশ্ন উঠে যাচ্ছে। বলা হচ্ছে, ওসমান হাদির মৃত্যু নিয়ে বিভিন্ন পোস্ট থাকার কারণে এটা হয়েছে। এর মাঝে আমরা দেখেছিলাম, প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে ওসমান হাদির কবিতার ভিডিও সরিয়ে নিয়েছিল সরকার। এরপরই ধোঁয়াশা সৃষ্টি হয়। যদিও পরবর্তীকালে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার ক্ষেত্রে একটি ব্যাখ্যা পাওয়া যায়। তবে হাসনাত আব্দুল্লাহর ক্ষেত্রে আসলে কি হল? কি চলছে জুলাই বিপ্লবীদের মধ্যে?
আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার পর এইবার হাসনাত আব্দুল্লাহর ফেসবুক পেজ নিষ্ক্রিয় হয়ে গিয়েছে। মঙ্গলবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে তিনি নিজেই এই তথ্যটি জানান। ভিডিও পাঠাতে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, আমার হাসনাত আব্দুল্লাহ নামের ব্যক্তিগত প্রোফাইলটি বেশ কিছুদিন আগে ডিসেবল করে দেওয়া হয়েছে। ভারত বিরোধী অবস্থান নেওয়ার পরবর্তীতে কিছু পোস্টের কারণে কপিরাইট ক্লেইম এর মধ্য দিয়ে আমার আইডিটিকে নিষ্ক্রিয় করে দেওয়া হয়েছে বলে জানান হাসনাত।
তিনি বলেন, ব্যক্তিগত আইডি অকার্যকর হওয়ায় তিনি নিজেরে ভেরিফাইড ফেসবুক পেজ থেকেই নিয়মিত সক্রিয় থাকবেন। তার এই পেজটি মূলত এডমিনরা পরিচালনা করতেন। আইডি নিষ্ক্রিয় হয়ে যাওয়ার কারণে যোগাযোগ সচল রাখার আহ্বান জানান তার সমর্থকদের উদ্দেশ্যে। তিনি ভিডিও বার্তাতে বলেন, তার কথা, বার্তা এবং সংবাদগুলি প্রত্যেকের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য অনুসারীরা যেন এই পেজটি শেয়ার করেন। এদিকে একই পরিস্থিতি আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার। এর আগে ৩০ লক্ষ ফলোয়ারের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ হারিয়েছেন তিনি। শরীফ ওসমান হাদিকে দেওয়া পোস্টে রিপোর্ট করে তার পেজটি রিমুভ করেছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। এই কথা তিনি ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে লিখেছিলেন। তিনি লেখেন, ওসমান হাদি ভাই সংশ্লিষ্ট সব পোস্ট, ভিডিওতে স্ট্রাইক, সংঘবদ্ধ রিপোর্ট করে অফিসিয়াল পেজটি রিমুভ করে দেওয়া হয়েছে। পোস্টে তিনি লেখেন, টেলিগ্রামে লিঙ্ক শেয়ার করে সংঘবদ্ধভাবে রিপোর্ট করা হয়েছে। তবে কি ওসমান হাদিকে জঙ্গিকে হিসাবে দেখছে ফেসবুক? পাশাপাশি ভারতের প্রসঙ্গ উঠে আসছে হাসনাত আব্দুলাহ ও আসিফের বক্তব্যে। তবে কি ফেসবুক ভারতের কথায় ওঠে বসে? বাংলাদেশের এই ছাত্র নেতাদের কিছু কিছু বক্তব্য হাসির খোরাকে পরিণত হয়েছে। শিক্ষিত সমাজ তাদের ত্যাগ করতে শুরু করেছে। সেটা বোঝাই যাচ্ছে। বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ তাদের উপর ভরসা করে না। তাই নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে এর একটি কট্টর মৌলবাদি সংগঠন জামায়েত-ই ইসলামীর হাত ধরেছে। বলছেন বিশেষজ্ঞরা। এখন দেখার, এর পরবর্তী কি পরিস্থিতি তৈরি হয়।












Discussion about this post