ছাত্রউপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ এত ক্ষমতা ধরেন যে তিনি যাখুশি করতে পারেন। কিন্তু এত ক্ষমতা তিনি পান কোথা থেকে। যারা আমাদের খবরগুলি নিয়মিত দেখে থাকেন তারা নিশ্চয় মনে করতে পারবেন যে আমরা অনেক আগের থেকেই বলে আসছি ভোট ফেব্রুয়ারীতে হতে দেবে না ছাত্রনেতারা। আপনারা একবার ভেবে দেখুন তো, কেন তারা নির্বাচন হতে দেবে।কে এমন বোকা আছে যে হাতের লক্ষ্মী পায়ে ঠেলে দেবে। যখন তাদের কাছে সংস্কার এবং বিচার নামের অজুহাতগুলি আছে ।তাছাড়া এই অজুহাতগুলি কাজে না আসলে আছে ম্যাটাকুলাস ডিজাইন। এখন সবাই বলবে সংস্কার, আহত নিহতদের বিচার এবং সেই সঙ্গে হাসিনা এবং তার সরকারে থাকা নেতা মন্ত্রীদের বিচারের বিষয়টি বোঝা গেল, কিন্তু ম্যাটাকুলাস ডিজাইনটি আবার কি, এই বিষয়টি কিন্তু মহম্মদ ইউনূস একবার বুঝিয়ে দিয়েছন।যার দ্বারা একটি নির্বাচিত সরকারকে ফেলে দেওয়া যায়।আর বর্তমানে সেটি হল বহুমুখি ভাবে দেশকে অশান্ত করে তোলা। যেমন সংখ্যা লঘু থেকে শুরু করে যে কোন ব্যক্তিকে আওয়ামীলীগের দোষর ট্যাগ দিয়ে মব ভায়োলেন্স করা। করিডর বন্দরের মাধ্যমে দেশে যু্দ্ধ পরিস্থিতির সৃষ্টি করা। দল এবং সম্প্রদায়গুলির মধ্যে বিভেদ বাঁধিয়ে দন্দ্ব লাগিয়ে দেওয়া। এছাড়াও তাদের মাথায় যে আর কত কি আছে কে তা জানে। এবার ভোট তারা কেন হতে দেবে না সেই বিষয়ে আসি। দেশের মানুষ যেমন জানে যে ভোট হলে এই ছাত্রনেতারা একটি আসনও জিততে পারবে না। যদি না ভোটে সেনা গোপালগঞ্জের মত এনসিপির পক্ষ না নেয়, তাহলে আলাদা কথা। কিন্তু কত জায়গায় সেনা এনসিপিকে জেতাবে।আর এনসিপির দোষর জামাত কোনদিনই বাংলাদেশের ক্ষমতায় আসতে পারবে না ভোটের মাধ্যমে। কারণ তারা ৭১এ স্বাধীনতার বিরুদ্ধে থাকা একটি দল। ফলে তারা চাইবে যে এখন যেমন তারা ক্ষমতায় না থেকেও ক্ষমতায় আছে আগামী দিনেও যেন এই ভাবেই ক্ষমতায় থাকতে পারে।তাদের জন্য এমন সোনালী দিন কে হাত ছাড়া করতে চায়। ভোট ফেব্রুয়ারীতে হবে না সেই হুশিয়ারী যেমন পাটোয়ারী দিয়েছে,(বাইট পাটোয়ারী) তেমন আসিফ মাহমুদও ভোট না হওয়ার পক্ষ্যে ঘুরিয়ে তার বক্তব্য দিয়েছে। আসিফ মাহমুদ জানিয়েছে “গণঅভ্যুত্থানের সময় যখন সমন্বয়করা আমাদের সিলেক্ট করে, দায়িত্বটা তখন থেকেই দেওয়া।ভাবছেন সেই দায়িত্বটা কি, সেটা হচ্ছে সরকারকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পক্ষে রাখা, পক্ষের সিদ্ধান্তগুলো নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রভাবিত করা এবং ভয়েসটা যাতে থাকে সে বিষয়টা নিশ্চিত করা- এসবের জন্যই আসিফ মাহমুদের সরকারে আসা।”
তিনি বলেন, “এখনো জুলাই সনদ বাকি আছে। এটার বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া কী হবে…লোকাল গভমেন্টের সংস্কারের রিপোর্টগুলো বাস্তবায়নের বিষয় আছে। আমি মনে করি, যে দায়িত্ব নিয়ে, যাদের ম্যান্ডেট নিয়ে আমি এখানে এসছি সেই দায়িত্বের অনেকগুলোই এখনো বাকি রয়ে গেছে। দায়িত্বগুলো শেষ করতে চাই। শেষ করতে না পারলে সেটা ঐতিহাসিক একটা দায় থেকে যাবে।” অর্থাৎ এই কাজগুলি বাস্তাবায়ন না হলে তিনি উপদেষ্টার পদ ছাড়বেন না।এবং তারা উপদেষ্টার পদ না ছাড়লে তফসিলও ঘোষনা হবে না। আর এই কাজগুলি আগামী দু-তিন মাসের মধ্যে তো হবে না, ফলে এখন ভোট নিয়ে কোন কথা হবে না।তিনি বলেন যারা রাজনীতিতে যুক্ত হতে চান তাদের কারোরই নির্বাচনকালীন সরকারে থাকা উচিৎ নয়, এই মন্তব্য করে আসিফ মাহমুদ বলেন, “তবে আমি যেটা আগেও বলেছি, রাজনীতির সঙ্গে জড়িত কারও সরকারে থাকা উচিৎ না। যদিও এমন কয়েকজনই রয়েছেন। যদি আমি নির্বাচন নাও করি, তবুও আমার নির্বাচনকালীন সরকারে থাকা উচিৎ না। এর থেকে কি পরিস্কার নয় যে যখন ভোট হবে তখন আসিফ মাহমুদ উপদেষ্টা থাকবেন না, কিন্তু তিনি এটাও বলছেন যে বহু কাজ বাকি আছে সেগুলি না সরালে ঐতিহাসিক দায় থেকে যাবে। তার জ্ঞান মুলক বক্তব্য আরও আছে। তিনি মনে করেন যে রাজনীতিতে নামার যাদের ইচ্ছে আছে, এমন কারোরই এই সরকার থেকে সরে আসা উচিৎ তফসিলের আগেই।তিনি বলেন এটা আমি বা মাহফুজ আলম বা যদি অন্য কেউ থাকেন তাদের কারোরই নির্বাচনকালীন সরকারে থাকা উচিৎ না।” তিনি এটাও জানান যে তিনি কেন্দ্রীয়ভাবে রাজনীতি করবেন।মানে তিনি ঘুরিয়ে এটাও বলছেন তিনি রাজনীতি করবেন। কিন্তু তিনি তার এলাকা থেকে ভোটে লড়াই করবেন না। আসলে তিনি যেখানে থাকেন সেখানে তিনি এবং তার পিতা যে অত্যাচার চালিয়েছেন যে সেখান থেকে ভোটে জিততেও পারবেন না।












Discussion about this post