ভারত বাংলাদেশ সম্পর্কের মধ্যে উত্তেজনা চলছে প্রবলভাবে। তারমধ্যে ঘি ঢাললেন আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। তিনি মন্তব্য করেছেন, আইসিসি নাকি বিসিবিকে চিঠি দিয়েছে ভারতে বাংলাদেশের জন্য খেলা আশঙ্কাজনক। এই মন্তব্যের পর নানাদিক থেকে আলোচনা চলছে। এদিকে আইসিসি বিষয়টি অস্বীকার করেছে। এই ধরনের কোনও চিঠি দেওয়া হয়নি বলে জানায়। বিসিবিও দ্রুত বিবৃতি দিয়ে জানায়, আইন উপদেষ্টার মন্তব্য সত্যি নয়। এমনকি প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকেও বিষয়টি জানানো হয়, যে বক্তব্য রেখেছেন আইন উপদেষ্টা, সেটা ভিত্তিহীন। ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ককে আরও খারাপ করতেআসিফ নজরুলের মিথ্যাচার ফাঁস হয়ে গেল।
ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে ক্রিকেটকে ঘিরে। এরমধ্যে বাংলাদেশের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল একটি মন্তব্য করেছেন। এদিকে আইসিসি জানাল, ভারতে বাংলাদেশ দলের জন্য নিরাপত্তা হুমকি নেই। ক্রিকেট ওয়েবসাইট ই এসপি এনক্রিক ইনফর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নটি বিসিবির নিরাপত্তা দলের কাছে তুলে ধরা হয় এবং এই সিদ্ধান্তে পৌঁছয় যে দলের জন্য কোনও সামগ্রিক হুমকি নেই। তবে কিছু ভেন্যুতে ঝুঁকি কম থেকে মাঝারি এবং কিছু ভেন্যুতে কম থেকে শূন্য। বিশ্বজুড়ে আইসিসির মূল্যায়ন মানদণ্ড অনুযায়ী যা ম্যাচ সরিয়ে নেওয়ার জন্য যথেষ্ট কারণ হিসেবে গণ্য হয় না। জানা যায়, আইসিসি এই নিরাপত্তা মূল্যায়নের বিবরণ বিসিবির কাছে তুলে ধরে গত সপ্তাহে। বিষয়টি সোমবার সামনে আসে। যখন এই বিষয়ে কথা বলেন বাংলাদেশের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। জানা যায়, নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে ভারতে খেলতে যেতে চায় না বাংলাদেশ। এই নিয়ে বিসিবি দুটি চিঠি দিয়েছে আইসিসিকে। এর জবাবও দিয়েছে আইসিসি। এদিকে আইন উপদেষ্টা বলেন, আইসিসি তিনটি শঙ্কার কথা বলেছে বিসিবিকে। আসিফ নজরুল বলেন, বাংলাদেশ দলে যদি মুস্তাফিজুর রহমান অন্তর্ভুক্ত হয়। বাংলাদেশ দলের সমর্থকরা যদি জাতীয় দলের জার্সি পরে ঘোরাফেরা করে। নির্বাচন যত এগিয়ে আসবে ততই বাংলাদেশ দলের ঝুঁকি বাড়বে। আর বিষয় নিয়ে বলছেন, নির্বাচন যত এগিয়ে আসবে, ততই ঝুঁকি বাড়বে। অর্থাৎ বাংলাদেশের নির্বাচন টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের কারণে সরিয়ে ফেলতে হবে, এমন কথা আসিফ নজরুল বলছেন। এমনকি তিনি বলেছেন, প্রয়োজনে এই চিঠি উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। যাতে প্রত্যেকে জানতে পারে, আসলে আইসিসি কি বলছে। এদিকে বিসিবি জানিয়ে দিয়েছে, আইসিসির নিরাপত্তা মূল্যায়ন বিশ্বকাপের ম্যাচ ভারতের বাইরে সরিয়ে নেওয়ার জন্য বাংলাদেশের আনুষ্ঠানিক অনুরোধের কোনও জবাব নয়। বরং তারা এখনও আইসিসির জবাবের অপেক্ষায় আছে। অন্যদিকে প্রধান উপদেষ্টার উপ প্রেস সচিব মোহাম্মদ আবুল কালাম মজুমদার জানান, আসিফ নজরুলের বলা ওই চিঠি একটি অভ্যন্তরীণ নোট। প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের খেলোয়াড় মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়া নিয়েই এই টানাপোড়েনের শুরু। এরপর ভারতের বিভিন্ন মহল থেকে প্রবাদ আসলে মুস্তাফিজুরকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় কলকাতা নাইট রাইডার্স। এরপরই বাংলাদেশের বিভিন্ন পদাধিকারী নানা বক্তব্য রাখেন। শুধু তাই নয়, বিতর্কিত মন্তব্য আসবে। এরমধ্যে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল মনগড়া কথা বলে খবরের শিরোনামে এলেন। যেটাকে অনেকেই মিথ্যাচারও বলছেন।












Discussion about this post