আবারও বাংলাদেশের রাজপথে আওয়ামীলীগের জয় বাংলা স্লোগান। আওয়ামীলীগের একের পর এক কর্মসূচি সফল। শেখ হাসিনা ক্ষমতাচুত্য হওয়ার পরেও আওয়ামীলীগ আবারও পুনরায় ঘুরে দাঁড়িয়ে জনপ্রিয়তার শীর্ষে। আর তাতেই ঘুম উড়েছে বাংলাদেশে আওয়ামীলীগের বাকি বিপক্ষ রাজনৈতিক দল গুলির। গত বছর বাংলাদেশের ক্ষমতা হারানো দলটিকে নিয়ে নানান আলোচনা বর্তমানে ভেসে বেড়াচ্ছে বাংলাদেশের বাতাসে। আওয়ামীলীগের অধিকাংশ নেতা – কর্মীরাই হয় জেলে নয়তো দেশের বাইরে। সাথে দলটির ওপর রয়েছে নিষেধাজ্ঞাও। আওয়ামীলীগ আবারও রাজনীতির মূল স্রোতে ফিরে আসবে কিনা তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে বিভিন্ন মহলে। যা নানান প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। কে দলের হাল আবার ধরবেন নির্ঝঞ্জায় কে এগাবে দলের কার্যক্রম
নেতৃহীন ও কোনও দিক নির্দেশনা ছাড়াই আওয়ামীলীগের কর্মী – সমর্থকদের সাম্প্রতিক কর্মসূচিগুলি পূর্ণ মাত্রায় জনগণের সমর্থন পেলেও এবং সুষ্ঠ ভাবে সম্পন্ন হলেও সরকারের প্রশাসনের তরফে তাদের বাধার মুখে পড়তে হয়েছিল। সরকারের তরফে সকল রকম ভাবে চেষ্টা করা হয়েছিল আওয়ামীলীগের সকল কর্মসূচি বানচাল করার জন্য। এমনকি আওয়ামীলীগের কোনও কর্মী – সমর্থকদের দেখা মাত্রই তাদের গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করা হয়েছিল। সাথে আওয়ামীলীগের সকল নেতা – কর্মীদের ওপরেই চাপানো আছে একাধিক মামলা। পাশাপাশি দলের নেত্রী হাসিনার ওপর রয়েছে স্বৈরাচারের তকমা ও মৃত্যুদণ্ডের আদেশ। কিন্তু এত কিছু করেও সরকার ব্যর্থ। সরকার পারেনি আওয়ামীলীগের কোনও কর্মীসূচিকেই অসফল করতে। এত কিছুর পরেও আওয়ামীলীগ মাথা উঁচু করে মাঠে নেমে তাদের সকল কার্যক্রম ও কর্মসূচি সফল করে গেছে।
১৯৭৫ এর পরেও বাংলাদেশে ঠিক এই একই ধরণের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। শেখ মুজিবরের আওয়ামীলীগের কার্যক্রম তখনও ঠিক এভাবেই পরিচালিত হয়েছিল। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান সহ আরও ৪ জন নেতা ঘাতকদের হাতে শেষ নিঃস্বাস ত্যাগ করেন। তার পরেও আওয়ামীলীগ সেখান থেকে তাদের পরিস্থিতির পরিবর্তন করে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল। কিন্তু বর্তমান সময়ে আওয়ামীলীগের অবস্থান তখনের থেকে ভিন্ন। অর্থাৎ, আওয়ামীলীগ রয়েছে এখন যথেষ্ঠই চাপে। কিন্তু কথাতেই আছে মোর হাতির দাম লাখ টাকা। তাই আওয়ামীলীগের মতো একটি পুরোনো দলের ফিরে আসার আশা রেখেছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।












Discussion about this post