দলটাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। তারা যাতে বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচনে অংশ নিতে না পারে, তার জন্য কম চেষ্টা হচ্ছে না। এমনকী আওয়ামী লীগকে বাংলাদেশের রাজনীতি থেকে চিরকালের জন্য মুছে ফেলতে তদারকি সরকার উঠে-পড়ে লেগেছে। নানা প্রান্ত থেকে দেওয়া হচ্ছে হুমকি-ধমকি। সরকারের তরফ থেকে গণমাধ্যমকে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, তারা যেন হাসিনাকে নিয়ে কোনও খবর না করে। এই সব খবর জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে ঝুঁকি হয়ে যাচ্ছে। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, এই আদেশের পরেও যদি দেখা যায় যে গণমাধ্যমে হাসিনাকে নিয়ে খবর প্রকাশিত হচ্ছে সে ক্ষেত্রে সেই গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে সরকারের থেকে পদক্ষেপ করা হবে। গণমাধ্যম কর্তৃপক্ষকে বিরুদ্ধে জেল বা জরিমানা বা দুটোই শাস্তি হতে পারে। সূত্রে পাওয়া খবর উদ্ধৃত করে ভারতের একটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনা দলের নেতা-কর্মীদের জানিয়েছে, ভয় পেলে হবে না। ভয়কে জয় করতে হবে।
এদিকে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম বলেছেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিকভাবে সচেতন হওয়া অবশ্যই জরুরী। কিন্তু তারা কারও গোলামি করতে পারবে না। আমাদের অবস্থান বেশ স্পষ্ট। যে বা যারা খুনির পক্ষ নেবে তাদের চিরতরে নির্মূল করাই হবে সংগঠনের একমাত্র লক্ষ্য। ৫ অগাস্ট পরবর্তী বাংলাদেশে তাদের রাজনীতি করার কোনও অধিকার নেই। শুধু যারা বাংলাদেশপন্থী তারাই রাজনীতি করবে।’
হাসিনা এবং তাঁর আমলের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে যেদিন আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত মৃত্যুদণ্ডের সাজা দেয়, সেদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার লাভলু মোল্লা শিশির সমাজমাধ্যমে আই ডোন্ট কেয়ার লেখা একটি ফটোকার্ড পোস্ট করেন। ঘটনার দিন রাতে শিক্ষার্থীরা তাঁকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে।
আসলে আওয়ামী লীগের শেষ দুটি কর্মসূচি দেখে ইউনূস তো বটেই, তার সরকারের মন্ত্রী থেকে শুরু করে উপদেষ্টারা বুঝে গিয়েছেন শেষের সেদিন বড়ো ভয়ঙ্কর। আজ হোক বা কাল হাসিনা যে ফিরছেন এবং আরও বেশি করে ক্ষমতা নিয়ে সেটা নিশ্চিত। তাই, তারা দেশে একটা ভয়ভীতির পরিবেশ তৈরি করতে চাইছে। কেউ যাতে আওয়ামী লীগের হয়ে কথা না বলে, হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে সুশাসন প্রতিষ্ঠার দাবিতে সরব হওয়ার কোনও চেষ্টা যাতে কেউ না করে, সেটাই চালিয়ে যাচ্ছে সরকার এবং ইউনূসের গুণ্ডাবাহিনী।
বাংলাদেশের ইতিহাস বলছে, আওয়ামী লীগের যখনই সরকারের তরফ থেকে দমনপী়ড়ন নীতি নেওয়া হয়েছে, ততই দলটি মাইলেজ পেয়েছে। মুজিবের হত্যার কথাই ধরা যেতে পারে। একটা পরিবারকে শেষ করতে কম চেষ্টা হয়নি। এমনকী হাসিনাকেও খুন করার চেষ্টা হয়েছে। হাসিনা কোনওরকমভাবে প্রাণে বেঁচেছেন। তিনি ফের দলের পায়ের তলা থেকে হারিয়ে যাওয়া মাটি পুনরুদ্ধার করেছেন।
হাসিনা কিন্তু এবারেও দমে যেতে রাজি নন। তার ইঙ্গিত আমরা ইতিমধ্যে পেয়েছি। বাংলাদেশে নৈরাজ্যের অবসান ঘটাতে তিনি বদ্ধপরিকর। ক্ষেত্র প্রস্তুত হয়ে গিয়েছিল। এবার সেই পথে তিনি বাংলাদেশে ফিরবেন। দলের নেতা-কর্মীদের জন্য তাঁর বার্তা –
‘ভয় হতে তব অভয় মাঝে / নতুন জনম দাও হে/ দীনতা হতে অক্ষয় ধনে/ সংশয় হতে সত্যসদনে। ’
প্রকাশ্যে গুলি। একবার নয়, একাধিকবার। বলা হচ্ছে গুলি মাথার এফোঁড় ওফোঁড় করে বেরিয়ে গিয়েছে। যারা গুলি চালিয়েছে, তারা এসেছিল বাইকের...
Read more












Discussion about this post