বাংলাদেশে বিচারের নামে চলছে প্রহসন। অন্তত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের একাধিক কাজকর্ম প্রমাণ করছে। তাই রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে বিচারের নামে প্রহসন চলছে। এরই মধ্যে আরেকটি নতুন বিষয় সামনে এসেছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল ১, যে ট্রাইবুনালের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিচার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। সেই ট্রাইব্যুনালে মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানের মামলার শুনানিতে উত্তেজনা তৈরি হয়। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছয় যেখানে প্রধান প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম সরাসরি ডিফেন্সের আইনজীবীকে হুমকি দেন।
ডিফেন্স পক্ষের আইনজীবীকে তাজুল ইসলাম বলেন, আপনি চুপ থাকুন। কথা বলবেন না। আপনিও আসামি হতে পারেন। আদালত কক্ষে এমন মন্তব্য কি আদেও করা যায়? প্রশ্ন উঠছে। এরপর উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদার প্রসিকিওটরকে থামিয়ে দেন।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম বলেন, ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান গত আওয়ামী লীগের শাসনামলে শত শত মানুষকে গুমের পর হত্যা করেছেন। একই সঙ্গে তাদের পেট কেটে নদী নালা এবং খাল বিল এর লাশ ফেলে দিয়েছেন। এর শক্তিশালী প্রমাণ ট্রাইব্যুনালে তদন্ত সংস্থা ও প্রসিকিউশনের কাছে রয়েছে। তিনি বলেন, জিয়াউল এর বিরুদ্ধে অসংখ্য তথ্য প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত সংস্থা। তিনি শত শত মানুষকে গুমের পর হত্যা করেছেন। রবিবার ট্রাইবুনাল প্রাঙ্গনে এক সাংবাদিক বৈঠকে গমের দায়ে জিয়াউল আহসানের মামলার প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এমন বলেন চিফ প্রসিকিউটর। জানা যায়, জিয়াউল আহসনের বোন নাজনীন নাহার ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেন। যাদের জিয়াউলকে এই মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা জিজ্ঞাসাবাদের সময় তাকে এবং আসামির আইনজীবীকে উপস্থিত থাকার অনুমতি দেওয়া হয়। এরপর অনুমতি পেয়ে আদালত কক্ষে উপস্থিত হলে নাজনীন নাহারের সঙ্গে প্রসিটিউশনের বাক বাকবিতন্ডা তৈরি হয়।
মানবতা বিরোধী অপরাধের বিচার এবং তদন্ত চলছে। এই মামলায় ১১ জন আসামির মধ্যে কয়েকজন আসামির নাম প্রকাশ করা হয়েছে আদালতের পক্ষ থেকে। তাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, জিয়াউল আহসান, পুলিশের সাবেক আইজিপি বেনজির আহমেদ, তারিক আহমেদ সিদ্দিক।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post