বাংলাদেশের সেনাপ্রধান এবং সেনাবাহিনী কি বাংলাদেশের সংবিধান এবং রাষ্ট্রপতিকে রক্ষা করবেন? কারণ এই মুহূর্তে বাংলদেশে জুলাইকে কেন্দ্র করে বড় ধরণের ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। কারণ এই মুহূর্তে দেশের পরিস্থিতিতে দেশের সংবিধানকে স্থগিত করার একটি পরিকল্পনা চলছে। পাশাপাশি রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পুকে সরিয়ে দেওয়ারও একটি পরিকল্পনা করা হয়েছে। আর সেই ষড়যন্ত্রেই নাকি লিপ্ত হয়ে রয়েছেন মহম্মদ ইউনূস। সেই জায়গাতেই প্রশ্ন উঠে যাচ্ছে, সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামান এবং তার বাহিনী কি রক্ষা করতে পারবে? কারণ সেনাবাহিনী তো শপথ নিয়ে থাকে, সংবিধান এবং দেশের রাষ্ট্রপতির প্রতি তাদের সম্পূর্ণ দায়িত্ব পালন করবেন।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী যে কোনও সেনা সদস্য বা নবাগত সেনা সদস্য দেশ, সংবিধান এবং রাষ্ট্রপতিকে রক্ষার ক্ষেত্রে শপথ বাক্য উচ্চারণ করে শপথ নিয়ে থাকেন।
সূত্রের খবর, জুলাই মাসেই জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করার জন্য তৈরি হচ্ছে ছাত্র নেতারা এবং সরকার। রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে ঐক্যমত না হলেও জুলাই ঘোষণাপত্রের মাধ্যমে বাংলাদেশে বড় পরিবর্তন আসতে চলেছে বলে জানা যাচ্ছে। আর সেখানেই রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিন চুপ্পুকে সরিয়ে দিয়ে নতুন রাষ্ট্রপতির কথা ভাবা হচ্ছে। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে বেগম খালেদা জিয়াকে রাষ্ট্রপতি করা হতে পারে বলে আভাস পাওয়া যাচ্ছে। এমনকি, উপদেষ্টা পরিষদেও যোগ্যদের রেখে অযোগ্যদের চিহ্নিত করে বহিষ্কার করা হবে বলেও খবর উঠে আসছে। এমনকি জুলাই ঘোষণাপত্রের মাধ্যমে সংবিধান স্থগিত করা হবে। এমনকি এই খবর চাউর হচ্ছে, মহম্মদ ইউনূসকে রাষ্ট্রপতি করা হতে পারে। সেক্ষেত্রে প্রধান উপদেষ্টা হিসাবে মসনদে বসবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এমনকি উপ প্রধান উপদেষ্টার পদ তৈরি করে জামাতের আমির শফিকুর রহমানকে বসানো হবে। এমন একটি আভাস তৈরি হয়েছে বাংলাদেশের অন্দরে। এখন এই আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে, দেশের সংবিধান যদি স্থগিত করে দেওয়া হয়, তবে দেশের বিচারকার্য থেকে শুরু করে দেশ কিভাবে চলবে? পাশাপাশি একটা দেশের রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ করাতে বাধ্য করা হলে, দেশের সেনাবাহিনীর ভূমিকা নিয়ে তো প্রশ্ন উঠে যাবে? আর সেটা দেশের জন্য মঙ্গল জনক নয়। ফলে এখন দেখার, গোটা দেশকে বাঁচানোর জন্য আসলে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামান এবং সেনাবাহিনী আসরে নামে কিনা!












Discussion about this post