বাংলাদেশের রাস্তায় দেখা যাচ্ছে সেনা ট্যাঙ্ক। সেই সংখ্যাটা একটা দুটো নয়। একেবারে লইন দিয়ে সেনা ট্যাঙ্ক ঢাকার রাস্তায়। তবে শুধু ঢাকা বললে ভুল হবে, দেশের একাধিক জায়গায় দেখা যাচ্ছে সেনা ট্যাঙ্ক এবং অস্ত্র হাতে বাংলাদেশ সেনা। টহল দিচ্ছে ট্যাঙ্ক, এপিসি ও জিপ।
তবে সেনা অভ্যুত্থান হতে চলেছে বাংলাদেশে? হঠাৎ কেন এমন সেনা তৎপরতা? দেশে কি জরুরী অবস্থা জারি হতে পারে? উঠে আসছে প্রশ্ন। এদিকে দেশের অন্দরে রাজনীতি একেবারে তুঙ্গে। কিছুদিন আগেই প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস পদত্যাগের ইচ্ছে প্রকাশ করেছিলেন। যদিও পরে জানিয়ে দেওয়া হয়, তিনি পদত্যাগ করছেন না। তবে উপদেষ্টা মন্ডলীর অভ্যন্তরীণ বৈঠকে বেশ কিছু বিষয় নিয়ে ক্ষোভ এবং হতাশা প্রকাশ করেছিলেন তিনি। কিন্তু এগুলি সবই তার নাটক ছিল, বলছেন সে দেশেরই বহু মানুষ। তিনি দেশটিকে খারাপ থেকে খারাপ দিকে নিয়ে গিয়েছেন। এমনকি বাংলাদেশের মানুষ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপর আস্থা রেখেছিলেন, যাতে দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরে আসে। কিন্তু সেই কথা তিনি রাখতে পারেননি। মাত্র কয়েকটা মাসেই বাংলাদেশের হাল নিচেই নামিয়ে এনেছেন। দেশের দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। এমনকি ভারত বিরোধিতা করে একাধিক পণ্য ঘুর পথে এনে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের থেকে উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে।
দেশে বেড়েছে জঙ্গি কার্যকলাপ। জঙ্গি দেশ পাকিস্তানের সঙ্গে মিত্রভাব। আর সেই কারণেই সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামান দেশে নামিয়েছেন সেনা। এর আগে বহুবার সেনাপ্রধান বলেছিলেন, দ্রুত নির্বাচন করে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতায় নিয়ে আসা প্রয়োজন। তারপর সেনা বেড়াতে ফিরে যাক। এটাই তিনি চান। কিন্তু কোথায় কি! বাংলাদেশ রয়েছে বাংলাদেশেই। মোহাম্মদ ইউনূস রয়েছেন তার নিজের ডেড লাইন নিয়ে। এদিকে সাঁজোয়া গাড়ি ঘুরে বেড়াচ্ছে বাংলাদেশের রাস্তায়। শুধু তাই নয়, যে সমস্ত সরকারি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান রয়েছে, সেখানেও সেনা টহল দিচ্ছে। এমনকি শোনা যাচ্ছে, 24 ঘন্টায় 41 জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তথ্য বলছে, এক মাসে বিভিন্ন অপরাধে দু হাজার 189 জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সেনাবাহিনীর কাছে 14 হাজার 485 জন রয়েছে। আর এখানেই ক্রমশ প্রশ্ন জোরালো হচ্ছে, তবে কি সেনা অভ্যুত্থানের পথে বাংলাদেশ? যদিও সেনাবাহিনীর তরফে বলা হচ্ছে, দেশের আইন শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্যই দেশের পথে পথে দেখা যাচ্ছে সেনাবাহিনীকে। পাশাপাশি সাঁজোয়া গাড়ি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সেনাবাহিনীর তরফে সরাসরি বলা না হলেও ইঙ্গিত তো পাওয়া যাচ্ছে অনেক কিছুর। সেগুলি আদেও বাস্তবায়িত হয় কিনা, সেটাই দেখার।












Discussion about this post