বাংলাদেশের পরিস্থিতি একেবারেই সুবিধাজনক নয়। অরাজক পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে সেনাপ্রধান বলেছিলেন, হানাহানি না করে, নিজেদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি না করে, একসঙ্গে কাজ করতে। দেশ এবং জাতির দিকে খেয়াল করে কাজ করতে। যাতে শান্তি বিরাজ করে। নিজেদের মধ্যে অশান্তি তৈরি করলে দেশ এবং জাতির সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হবে। দেশের ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি দেখে দেশবাসীকে সতর্ক করেছিলেন বাংলাদেশের সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামান। এইবার সেনাপ্রধানকে হুমকি দেওয়া শুরু হল। এমনকি ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি পর্যন্ত দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে বাংলাদেশের সেনাপ্রধানকে বাংলাদেশের কারাগার ও বেলজিয়ামের কারাগারের অপশন দেওয়া হয়েছে। আর এই হুমকি কে দিয়েছেন? জানেন?
এবি পার্টির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার ফুয়াদ। সেনাপ্রধানকে হুমকি দিয়েছেন তাই নয়, সারমেয়র সঙ্গে তুলনা করেছেন তিনি। যা ঘিরে বাংলাদেশের অন্দরে চলছে নিন্দার ঝড়। তারমধ্যেই বাংলাদেশে সেনাপ্রধান কঠোর হয়েছেন। মনে করা হচ্ছে, যে কোনও মুহূর্তে ওয়াকার নিজের খেলা দেখতে শুরু করবেন।
আসলে, বাংলাদেশ এখন যে সময়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে, তাতে মনে করা হচ্ছে ফের পালাবদল হতে পারে। তবে আর কোনও নির্দিষ্ট ব্যাক্তির হাতে নয়, ক্ষমতা যেতে পারে দেশের মেরুদণ্ড সেনার হাতে। যদিও পূর্বে একাধিকবার সেনা অভুত্থান হয়েছে বাংলাদেশে। এমনকি হাসিনা সরকারের পতনের পর কয়েকদিন সেনার দখলেই ছিল বঙ্গবন্ধুর দেশ। কিন্তু অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন হওয়ার পর দেশের পরিস্থিতি চরম আকার ধারণ করে। জানি শুধু ভারত নয়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো শক্তিশালী দেশ ও সরব হয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজের নির্বাচনী প্রচারে বাংলাদেশের কথা তুলে ধরছেন। তার জমানার মার্কিন গোয়েন্দা মহাপরিচালক তুলসি গ্যাবার্ড ভারত সফরে এসে নয়া দিল্লিতে বসে বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। আর এরমধ্যেই শেখ হাসিনার দেশে ফার্স নিয়ে জল্পনা শুরি হয়েছে। তিনি নাকি এখন দিল্লিতে নয়, কলকাতাতে রয়েছেন। এমনটাই খবর উঠে আসছে। তবে কি হাসিনার দেশে ফেরা শুধু সময়ের অপেক্ষা?












Discussion about this post