দিল্লী বিস্ফোরণের পর পাকিস্তানের চাল চলন বলে দিচ্ছিল যে দিল্লী বিস্ফোরণে তারা যুক্ত আছে।পাকিস্তান আরও ভয় পাচ্ছে যে, দিল্লী বিস্ফোরণের পর এতদিন হয়ে গেল, ভারত কেন এত চুপচাপ। এই থমথমে পরিবেশ কি ভয়ঙ্কর ঝড়ের পূর্বাভাস? তবে ভারতের নেতা মন্ত্রীরা চুপ থাকলেও মুখ খুলেছেন ভারতের সেনাপ্রধান।এবার যে সন্ত্রাসের সমর্থনকারীকেও নিকেশ করা হবে, তা সেনাপ্রধানের বক্তব্যে স্পষ্ট। সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধ কতদিন চলবে তারই ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।
তবে প্যাহেলগাঁও এর মত এবার শুধু পাকিস্তান একা নয়। যেমন স্পষ্ট হচ্ছে তুর্কি যোগ, তেমন এনআইএ তদন্তে উঠে আসছে বাংলাদেশের নাম। আর শুধু কয়েক জন জঙ্গীর নাম উঠে আসছে এমন নয়। বাংলাদেশের বড় বড় মাথারাও জড়িয়ে আছে এই ঘটনায়। এনআইএ জানতে পেরেছে, মুর্শিদাবাদে ইখতিয়ার নামের এক দুস্কৃতির সেফ হাউসে ছিল দিল্লীর লাল কেল্লা বিস্ফোরণ কান্ডের ব্যবহৃত বিস্ফোরক পদার্থ।এই ইখতিয়ার নিজে যেমন বাংলাদেশী, তেমনই অনেক বাংলাদেশী নাকি দিল্লী বিস্ফোরণের আগে ঐ জঙ্গী সংগঠন লস্করের ভিডিও কনফারেন্সে ছিল। ঐ বাংলাদেশ থেকেই নাকি এই বিস্ফোরক গুলো এনে মুর্শিদাবাদে মজুত করে রাখা হয়েছিল। যে কাজটি করেছিল বাংলাদেশীরাই। এর সঙ্গে এটাও জানা গেছে দিল্লী বিস্ফোরণ কান্ডে বাংলাদেশী মাথারাও জড়িয়ে থাকতে পারে পুরো মাত্রায়। সেই মাথাগুলি কারা তা জানার আগে জেনে নিই ভারত কি করবে। প্যাহেলগাঁএর পর ভারত সরকার ঘোষনা করেছিল, ভারতে যে কোন সন্ত্রাসী হামলাকে, ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ হিসাবে দেখা হবে। তাহলে বাংলাদেশে যখন গৃহযুদ্ধের মত পরিস্থিতি তৈরী হয়ে রয়েছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেও তারা যখন ভারতের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কাজ করছে, তখন ভারতের কি করা উচিৎ, এটাই সব থেকে বড় প্রশ্ন। বাংলাদেশে অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে ঢাকার বনানীতে একটি ভার্চুয়াল মিটিং হয়। ঐ মিটিং সরাসরি হয়েছিল পাকিস্তানের সঙ্গে। পাকিস্তান থেকে ছিল টেররিস্ট কমান্ডার সইফুল্লা সইফ। এবার দেখা যাক বাংলাদেশের কারা ছিলেন ঐ মিটিংএ।উল্লেখযোগ্য নাম হল বাংলাদেশের অন্তবর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্র সচিব নাসিমুল ঘনি। যিনি পাকিস্তানে পলাতক। আর ছিলেন জুবাইয়েদ আহমেদ চৌধুরী। ইত্তিসাম এলাহি জাহির, নাসিরুল ঘনি, মহম্মদ আজাজ, এবিটির সদস্য হাফিজ সুজাতুল্লা এবং হাফিজ আলি ফজুল এছাড়া একজন বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ। এখন প্রশ্ন হল বাংলাদেশের এই পরিস্থিতিতে ভারত ঢাকার বননীতে কি সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালাতে পারে? ভারত সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালায় মূলত টার্গেট অরিয়েন্টেড।
এক্ষেত্রে ভারত বাংলাদেশের কোন কোন এলাকাকে টার্গেট করবে। যদিও তদন্ত এখনও চলছে। যখন তদন্তের পুরো রির্পোট ভারত সরকারের হাতে আসবে, তখন তো ভারত, তার শত্রুদেশগুলিকে আর তথ্য প্রমান দিতে ব্যস্ত থাকবে না। ভারত সরাসরি অ্যক্সেন নিবে। যাদের নাম উঠে আসছে, সেগুলি প্রমান হয়ে গেলে, এটাও প্রামন হয়ে যাবে যে, ইউনূস শান্তির জন্য নোবেল জয়ী নন। তিন জঙ্গী সংগঠনের নেতা।ভারত জানতে চাইবে নাসিরুল ঘানি ১৮ তারিখের পর কেন পাকিস্তানে বসে আছে কোন ভয়ে। যদিও অমিত শাহ বলেছেন যারা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত তাদের পৃথিবীর যে কোন প্রান্ত থেকে ধরে এনে সাজা দেওয়া হবে। এখন বাংলাদেশ যদি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যকে হালকাভাবে নিয়ে থাকে, তবে ইউনূস সাহেবকে তার ফল ভুগতে হবে। আর সন্ত্রাসী হামলার কোন ক্ষমা নেই ভারতের কাছে। যে কারণে আসিফ মুনির আর মাসুদ আজাহার এখন আতঙ্কে আছে। যে কোন সময় তাদের উপর নেমে আসবে আক্রমন।












Discussion about this post