লেবু বেশি চটকালে কী হয়, তা আমাদের সকলের জানা। আমাদের প্রতিবেশি রাষ্ট্র গত জুলাই-অগাষ্ট থেকে একটার পর একটা লেবু চটকে গিয়েছে। প্রথম হাসিনা এবং তাঁর আমলের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে নিয়ে। তাতে তাদের লাভের লাভ কিছুই হয়নি। উলটে ভারত তাদের মুখে কাঁচা লঙ্কা ডলে দিয়েছে। তারপরেও ঢাকার শিক্ষা হয়নি। এবার পড়েছে হাদিকে নিয়ে। বলছে এই তরুণ তুর্কি নেতাকে ছক কষে বধ করেছে ভারত। যাদের দিয়ে করিয়েছে, তারা বাংলাদেশে অপারেশন শেষ করে ভারতে কেটে পড়েছে। যদিও কোন তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে তারা এই সব কথা বলছে, সেটা তারাই জানে। বাংলাদেশ সরকারের হাতে যদি কোনও প্রমাণ থেকে থাকে বা তারা যদি কোনও প্রমাণ পেয়ে থাকে, তাহলে তারা সেই সব তথ্যপ্রমাণ কেন জনসমক্ষে প্রকাশ করছে না। করলেই তো ল্যাঠা চুকে যায়। দুধ কা দুধ পানি কা পানি সাফ হয়ে যাবে।
এই প্রসঙ্গে সে দেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমানের দিল্লি সফর উল্লেখ করা যেতে পারে। উনি দিল্লি এসেছিলেন, বিশেষ একটি সম্মেলনে যোগ দিতে। এসেছিলেন একদিন আগে। দিল্লি পৌঁছে তিনি ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেই বৈঠকে খলিলুরের হাতে বেশ কিছু তথ্যপ্রমাণ তুলে দেওয়া হয়। সেই সব তথ্যপ্রমাণ হল সে দেশের বুকে গজিয়ে ওঠা একাধিক জঙ্গি শিবিরের ছবি। হাতেগরম ওই সব প্রমাণ পেয়ে খলিলুর আর মুখে কিছু বলার সাহস পাননি। একটা বৈঠক হয়েছিল কাতারে। সেই বৈঠকেও ছিলেন খলিলুর রহমান এবং অজিত ডোভাল। ছিলেন ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার বেশ কয়েকজন দুঁদে জেমস বন্ড। কাতারের বৈঠক থেকে ফোনে ধরা হয় মার্কিন কূটনীতিকদের। বার্তাই দেওয়া হয়, বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করে কেউ যেন ভারত বিরোধী কার্যকলাপ সংগঠিত করতে না পারে। তারপরেও বাংলাদেশ সরকারের উচিত ছিল চুপ করে যাওয়া। চুপ না করে তারা আরও বেশি আগ্রাসী হয়ে উঠেছে। হাদি হত্যায় ভারতকে সরাসরি জড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
এবার তাদের তালে তাল ঠুকতে শুরু করেছে পাকিস্তান। সে দেশের পত্রিকা ‘টাইমস অব ইসলামাবাদ’ একটি খবর প্রকাশ করেছেয যে খবরের শিরোনাম ‘Indian Raw rolled confirmed in Osman Hadi Assanition Probe’। প্রতিবেদনের ডেটলাইন ইসলামাবাদ। সেখানে লেখা হয়েছে ‘Sharif Osman Hadi, a prominent youth leader and key figure in the 2024 student uprising that ousted Primininster Sheikh Hasina, succumbed to gunshot in Singapore on December 18, 2025, triggering widespread allegation linking India’s Reasearch and Analysis Wing to assassinate. …. His death was sparked violent protest across Bangladesh with demonstrators accusing Indian intelligence of orchestrating the killing due to Hadi’s vocal criticism of India.’
বাংলা তর্জমা করলে দাঁড়ায় ‘শরিফ ওসমান হাদি, একজন তরুণ নেতা, ২০২৪-য়ের গণআন্দোলনের অন্যতম মুখ, যে আন্দোলনের জেরে হাসিনাকে ক্ষমতা থেকে সরে যেতে হয়েছিল, সিঙ্গাপুরে গত ১৮ ডিসেম্বর মৃত্যু হয়, বাংলাদেশ উত্তাল হয়ে উঠে। জোরাল দাবি করা হয়, ভারতের রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালিসিস উইং তাকে খুন করেছে। তাঁর মৃত্যুতে বাংলাদেশ উত্তাল হয়ে উঠে। হয়েছে বিক্ষোভ প্রদর্শন, অভিযোগ তোলা হয়েছে, হাদি একজন ভারত বিরোধী নেতা। তাই, তাকে খুন করার ষড়যন্ত্র করেছিল ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা। ’
প্রশ্ন উঠছে, হাদির পর কে? এই প্রসঙ্গে ভারতের প্রাক্তন সেনাকর্তা মেজর সমীর সিংয়ে একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। যদিও নিউজ বর্তমান সেই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি। ভিডিওতে তাঁকে হিন্দিতে বলতে শোনা যায় হাসনাত আবদুল্লার নাম। জোরের সঙ্গে প্রাক্তন এই সেনাকর্তার দাবি, পরের টার্গেট হাসনাত।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post