আজ পয়লা ডিসেম্বর। পূর্বেই খুন ও গুমের মামলায় হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের সাজা দিয়েছিল ট্রাইবুনাল আদালত এবার হাসিনার পরিবারকে টান দিল ঢাকার একটি আদালত।প্লট দুর্নীতি মামলায় এই রায়ে হাসিনাকে পাঁচ বছর এবং বোন রেহানার কন্যা টিউলিপকে দু’বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে ঢাকার আদালত। এছাড়াও কারাদণ্ডের পাশাপাশি ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সদস্য এম পি টিউলিপকে এক লক্ষ টাকা জরিমানা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। প্লট দুর্নীতি মামলায় শেখ হাসিনাকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিল বাংলাদেশের একটি আদালত। এই মামলায় হাসিনার বোন অর্থাৎ টিউলিপ সিদ্দিকীর মা শেখ রেহানাকে সাত বছরের এবং রেহানার কন্যা টিউলিপ সিদ্দিককে দুবছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সদস্য টিউলিপকে এক লক্ষ টাকা জরিমানা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয় জরিমানা না দিলে অতিরিক্ত ছ’মাস জেলে থাকতে হবে টিউলিপকে।এক লক্ষ টাকা জরিমানা দিতে বলা হয়েছে রেহানাকেও। এছাড়াও আজকের এই রায়ে বাকি ১৪ আসামিকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
গত ১৩ জানুয়ারি প্লট দুর্নীতির মামলাটি দায়ের করেছিল বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক। সেই অভিযোগেই টিউলিপ ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ক্ষমতাসীন দল লেবার পার্টির সদস্য হিসাবে ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। সেই ক্ষমতাবলে তিনি মা রেহানা, বোন আজমিনা সিদ্দিক ও ভাই রাদওয়ান মুজিবের নামে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে প্লট বরাদ্দ নেন বলে অভিযোগ। এ-ও অভিযোগ যে, হাসিনা প্রধানমন্ত্রী থাকার সময় তিন জনেই পূর্বাচলে ১০ কাঠা করে প্লট পেয়েছেন। তবে এই মামলায় শুধু রেহানার প্লট পাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে বলেই খবর পাওয়া যাচ্ছে।
এর আগেও হাসিনার বোনঝি অর্থাৎ ব্রিটিশ পার্লামেন্টের এমপি টিউলিপের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে ইউনূস রাজত্বে বাংলাদেশে। এক আবাসন ব্যবসায়ীর থেকে বিনামূল্যে ফ্ল্যাট নেওয়ার বিতর্ক থেকেই চলতি বছরেই ব্রিটেনের মন্ত্রিপদ ছাড়েন টিউলিপ। জানুয়ারিতে সিটি মিনিস্টারের পদ থেকেও ইস্তাফা দেন।
অন্য দিকে গত ২০২৪ এ জুলাই-অগস্টে বাংলাদেশে ছাত্রজনতার বিক্ষোভের পরে ৫ই আগস্ট বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতেই সাময়িক আশ্রয়ে রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছাত্রজনতার আন্দোলনের সময়ে বাংলাদেশের গণহত্যার অভিযোগে মামলা হয় হাসিনার বিরুদ্ধে। ওই মামলাতেই ১৭ ই নভেম্বর তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করেছে বাংলাদেশের ট্রাইবুনাল আদালত। যদিও নিজের সোশ্যাল সাইট এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমকে হাসিনা জানায় এই রায় তিনি মানেন না এই রায় ইউনূস চক্রান্তের বহিঃপ্রকাশ মাত্র । এক কদম এগিয়ে হাসিনা এও বলেন যতদিন না বাংলাদেশে কোন স্থায়ী সরকার আসছে তিনি বাংলাদেশে ফিরবেন না মায়ের সাথে পুত্র জয় ও একই কথায় বলেন।এবং বাংলাদেশ এই নিয়ে দ্বিতীয় বার হাসিনাকে ফেরাতে ভারতকে চিঠি দেন। এবং দ্বিতীয় চিঠি পরিপ্রেক্ষিতে ভারত স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয় আইনের বিষয় তারা খতিয়ে দেখছে এর বাইরে একটি শব্দও বাংলাদেশের জন্য ভারত ব্যবহার করেনি এখন দেখার বিষয় ইউনুস ও তার নিযুক্ত আদালত আদৌ কি হাসিনার পরিবারকে তার কারাগারে বন্দি করতে পারবে?
প্রকাশ্যে গুলি। একবার নয়, একাধিকবার। বলা হচ্ছে গুলি মাথার এফোঁড় ওফোঁড় করে বেরিয়ে গিয়েছে। যারা গুলি চালিয়েছে, তারা এসেছিল বাইকের...
Read more












Discussion about this post