বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নোবেল জয়ী মহম্মদ ইউনুস অবৈধ হলেও তো তিনি একটা দেশের প্রধান বলে কথা। বাংলাদেশের তৎকালীন সরকার বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে ফাঁসি কাঠে ঝোলানোর জন্য ইউনুস সাহেব যা যা কর্মকাণ্ড করছেন তাতে তাকে পাগলা কুকুর বললেও ভুল কিছু বলা হবে না। যেভাবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল গঠন করে হাসিনাকে ফাঁসির রায় দেওয়া হয়েছে তা দেখে সারা বিশ্ব ছিঃ ছিঃ করছে। ১৭ ই নভেম্বর ট্রাইবুনালে হাসিনার রায় ঘোষণার পরে সারা বিশ্বে এ নিয়ে নিন্দা ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে। আর তাতেও জ্ঞান বা লজ্জ্যা কোনোটাই হয়নি ইউনুস সরকারের। রায় ঘোষণা করার পর থেকে সেই রায় কার্যকর করার জন্য হন্যে হয়ে পাগলা কুকুরের মতো ছোটাছুটি শুরু করে দিয়েছে ইউনুস।
রায় ঘোষণার পরের দিন অর্থাৎ ১৮ ই নভেম্বর হাসিনাকে দেশে ফেরত চেয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন চিঠি দিয়েছেন ভারত সরকারকে। তারপর গত ৭ দিনে আরও দুটি চিঠি দিয়েছেন। অবশেষে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রক চিঠিটির উত্তরে জানান, অপরাধ ট্রাইবুনাল আইন ও সংবিধান মেনে হয়েছে কিনা বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত ব্যাক্তিরা বিচারপতি হওয়ার যোগ্য কিনা সাক্ষপ্রমান ভিত্তি হাসিনার পছন্দ সই আইনজীবী দেওয়া হয়েছিল কিনা সহ একাধিক প্রশ্ন করা হয়েছে। সাথে ৪৫৩ পাতার রায়ের কপি, সাক্ষ প্রমানের যাবতীয় নথি, শুনানির পূর্ণ বিবরণ এ সকল কিছু পেলে ভারত সরকার বিচার করে দেখবে এ মামলা প্রতিশোধমূলক মানসিকতা থেকে তৈরী কিনা, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে করা কিনা এবং বিচার প্রক্রিয়া নিরপেক্ষ ছিল কিনা। এ সকল কিছু ঠিক থাকলে তাহলেই হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর বিষয়টি ভেবে দেখা যেতে পারে। এ সকল জবাব বাংলাদেশের সরকারকে যে মহাবিপদে ফেলেছে তা নিশ্চিত।
বাংলাদেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান ভারতের উপদেষ্টা অজিত ডোভালের সাথে বৈঠক করতে দিল্লিতে এলে আয়ামীলীগ বিরোধী জনগণের কথা ভেবে তাকে বলে দেওয়া হয়েছিল, হাসিনার ফেরার বিষয় ছাড়া অন্য কোনও বিষয়ে কথা না বলতে। দেশে ফেরার সময় যেন হাসিনাকে সাথে নিয়ে ফেরেন তিনি। কিন্তু খলিলুর তার সাথে নিয়ে যেতে পারলেন না হাসিনাকে। উল্টে ফিরে গেলেন ভারতের আল্টিমেটাম নিয়ে।
বাংলাদেশ হাই কমিশনের প্রেস মিনিস্টার ফয়সাল মাহমুদ ভারতের একটি গণমাধ্যমে তার ব্যক্তিগত মতামতে লিখেছেন, অপরাধ ট্রাইবুনালের বিচারে অনেক ত্রুটি আছে। যার মধ্যে প্রথম লিখেছেন, ন্যায্য বিচারে মানপুরণে ব্যার্থতা। যার সমালোচনা করেছে হিউমান রাইটস ওয়াচ সহ বহু আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান। সাথে এই একই অভিযোগ করেছে জাতিসংঘ। যা স্বীকার করে নিয়ে ফয়সাল মাহমুদ বলেছেন, জনতা চাইছে তার বিচার।












Discussion about this post