ইউনুস আর কত উঠে পড়ে লাগবেন হাসিনার বিরোধিতায় গত ১৭ ই নভেম্বর শেখ হাসিনাকে অবৈধ আদালতের কাঠগড়ায় তুলে তার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল। আবারও ফের হাসিনার বিরুদ্ধে একটি রায় ঘোষণা করা হয়েছে। এইবার ঢাকা লাগোয়া উপনগরীতে প্লট বিলি দুর্নীতির। মামলার সাক্ষ্য ও নথিপত্রে অভিযোগ ওঠে, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার অপব্যবহার করে জালিয়াতির মাধ্যমে শেখ রেহানাকে প্লট বরাদ্দ দেন শেখ হাসিনা। এই অভিযোগে ৩ টি মামলায় বিচারক বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ৭ বছর করে মোট ২১ বছরের সাজা ঘোষণা করেছে। হাসিনার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় ও কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুল এদের ৫ বছর করে কারাবাসের সাজা ঘোষণা করা হয়েছে। এখানেও হাসিনার অনুপস্থিতিতে তাকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে বিচারের রায় ঘোষণা হয়ে গেল। আগামী ১ লা ডিসেম্বে আরও একটি জমি সংক্রান্ত মামলায় শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা হবে এবং অনুমান করা হচ্ছে সেখানে হাসিনার জন্য কঠোর সাজা অপেক্ষা করছে।
অন্যদিকে, ৮৩২ ভরি গয়না উদ্ধারের কাহিনীও সকলের জানা। যা নিয়ে চলছে বহু সমালোচনা। প্রশ্ন উঠছে, ব্যাঙ্কের ক্ষুদ্র লকারে কি করে এত সোনা রাখা হল এছাড়াও মানুষের আরও একাধিক প্রশ্নের মুখে পরে সরকারের পালিয়ে যাওয়ার জোগাড় হয়েছে। এত পরিমান সোনার গয়না উদ্ধার সরকার এবং দুর্নীতি দমন কমিশন ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের তরফে দাবি করা হলেও তার ছবি বা ভিডিও তারা দেখাতে পারেনি। হাসিনার পরিবারের তরফে জানানো হয়েছে, এই সোনা গুলি তাদের পারিবারিক সূত্রের। সোনা গুলি শুধু হাসিনার নয়, সেগুলি তার বোন রেহানা ও হাসিনার মেয়ে পুতুল বিবাহে পেয়েছিলেন। সাথে হাসিনার রক্তের সম্পর্কের নিকট আত্মীয়দের সোনাও ওই লকারে রাখা ছিল। এটি সম্পূর্ণ ভুয়া একটা ঘটনা রটানো হচ্ছে।
বাংলাদেশে এভাবে যদি অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে তার বিরুদ্ধে মামলার দ্রুত বিচার হয়ে যায় তাহলে দেশের ভবিষৎ নিয়ে যথেষ্টই সংশয় রয়েছে। ইউনুস সরকারে থাকা অবস্থায় যে যে ধরণের সুযোগ – সুবিধা নিয়েছেন তা বাংলাদেশের অতীতে কোনও সরকারের বিরুদ্ধে নেই। বাংলাদেশের বহু মানুষের অভিযোগ, যদি শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে এধরণের গুরুতর মামলার সাজা দেওয়া হচ্ছে যদি এটাই প্রকৃত বিচার হয়ে থাকে তাহলে প্রধান উপদেষ্টা ইউনূসের বাকি জীবনটা তো কারাগারেই কাটাতে হবে।
অতঃপর বিষয়টা ঠিক এমন দাঁড়ালো চোরের মায়ের বড় গলা












Discussion about this post