এবার কি তিস্তার জল বন্ধ করতে যাচ্ছে ভারত? তিস্তা প্রকল্পের নবীকরণ নিয়ে এগ্রিমেন্ট এর জন্য বার বার ডেকে পাঠাছিল বাংলাদেশকে। কিন্তু বাংলাদেশ সাড়া না দেওয়ায়, এবার বলা হয়েছে, ভারত যা করবে, তাতে আর কিছু করার থাকবে না। তবে কি
বাংলাদেশকে জব্দ করতে ভারতের গোপন সার্জিক্যাল স্ট্রাইক?
জানা গিয়েছে, জলসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের একজন সচিব একটি সংবাদমাধ্যমে তিনি বলেছেন, তিস্তার জল বাংলাদেশের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া হবে না। তবে কিছু জল যাবে। এখন ১৭ শতাংশ জল যায়। সেখানে হয়তো ৫ শতাংশ জল যাবে। ঠিক পাকিস্তানের ক্ষেত্রে যেমন এগোচ্ছিল। বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও একইভাবে চলছে।
অন্যদিকে গঙ্গা জলচুক্তি পুনর্নবীকরণের কাছাকাছি আসার সঙ্গে সঙ্গে ভারত পুনর্ বিবেচনার জন্য চাপ দিচ্ছে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বলা হচ্ছে। আসলে বাংলাদেশের সঙ্গে ৩০ বছরের জন্য চুক্তি হয়েছিল। যেটা ২০২৬ সালে মার্চ মাসে শেষ হচ্ছে। সেই চুক্তি অনুযায়ী ১৭ শতাংশ জল পেত বাংলাদেশ। বলা হচ্ছে উল্লেখযোগ্যভাবে, ২০২৫ সালে পেহেলহামে সন্ত্রাসী হামলার পর ভারত সিন্ধু জলচুক্তি বাতিল করে দিয়েছিল পাকিস্তানের সঙ্গে। তারপরই নাকি ভারত ইঙ্গিত দেয়, যে অভ্যন্তরীণ জলের চাহিদার জন্য তারা গঙ্গা চুক্তি পুনুর বিবেচনা করতে চায়। এদিকে তিস্তা নদী ব্রহ্মপুত্র নদীর একটি উপনদী এবং ভারত বাংলাদেশের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হয়। সিকিমের খাড়া ভূখণ্ড মধ্যে দিয়ে দ্রুত প্রবাহিত হওয়ার কারণে এটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের একটি সম্ভাব্য উৎস।
এদিকে মহম্মদ ইউনূস নাকি ভারতের সঙ্গে চোখে চোখ রেখে কথা বলবে তিস্তা জল পেতে। এমনটাই আশ্বাস দিয়েছিলেন বাংলাদেশের জনগণকে। কিন্তু কোথায় কি? বর্তমানে বাংলাদেশ এবং ভারতের সম্পর্ক অবনতির দিকে পৌঁছেছে। ক্রমশ বেড়েছে ভারত বিদ্বেষ। শুধু তাই নয়, পাকিস্তানের সঙ্গে সখ্যতা বেড়েছে বাংলাদেশের। ফলে যে কোনও মুহূর্তে এক্ষেত্রে ভারতও বড় কোনও একশন নিতে পারে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে। বলছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। একমাত্র বাঁচাতে পারে, ভারত বিদ্বেষ কমানো। এক্ষেত্রে শেষমেষ কি করে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, সেটাই দেখার।












Discussion about this post