বাংলাদেশে ভারত বিরোধিতা বাড়তেই ভারত একশন নিতে শুরু করেছিল। প্রথমেই বাংলাদেশীদের জন্য ভিসা কড়াকড়ি করে দেওয়া হয়েছিল ভারতের তরফে। আর এতেই বিপাকে পড়ে বাংলাদেশ। এবার নিজেদের দোষই স্বীকার করে নিলেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ঘুরপথে মোহাম্মদ ইউনূসকে দায়ী করে, ভারতের পদক্ষেপকেই স্বাগত জানালেন তিনি।
বাংলাদেশে এখন অত্যন্ত ভয়াবহ পরিস্থিতি। নৈরাজ্য চলছে বলা যায়। সেখানকার প্রশাসনকে মানছেই না অনেকে। চলছে মব কালচার। এদিকে মহম্মদ ইউনূসের শাসনামলে মাথাচাড়া দিচ্ছে মৌলবাদী সংগঠনগুলি। অনেকে আবার বলছে, বিদেশি শক্তিদের হাতে কোটা দেশটাকে বেছে দেওয়ার জন্য উঠে পড়ে লেগেছেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা। এর বিরুদ্ধে যদিও অনেকে গর্জে উঠেছে। দ্রুত নির্বাচন করানোকে ঘিরে শোরগোল পড়েছে বাংলাদেশে। এদিকে সে দেশে বেড়েছে ভারত বিরোধী। এমনকি এমন কিছুজন এতটাই ভারত বিরোধ, তারা ভারত দখল করতে প্রবল উৎসাহী। কিন্তু তারা জানে না, ভারত কতটা শক্তিশালী দেশ। তবে পাকিস্তানে সন্ত্রাসবাদ দমনে অপারেশন সিঁদুরের পর খানিকটা ভৃত সন্ত্রস্ত হয়েছে বাংলাদেশ। আর সেই কারণেই এবার অন্য সুর শোনা গেল। ভারত বাংলাদেশের সম্পর্কের অবনতি হতে ভারতের তরফের ভিসা নিয়ে কড়াকড়ি করা হয়েছে বাংলাদেশের উপর। এতে বিপাকে পরে বহু মানুষ। কারণ বহু বাংলাদেশী পড়াশোনার ক্ষেত্রে, চিকিৎসা পাওয়ার জন্য এবং কর্মক্ষেত্রে ভারতের ওপর অনেকাংশ নির্ভরশীল। যদিও ভারত জরুরী পরিষেবার বিষয়ে ছাড় রেখে কড়াকড়ি করেছে। এই বিষয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনকে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, এক্ষেত্রে অনেকাংশে আমরাই দায়ী। আমাদের দেশের মানুষ, আমাদের দেশের ব্যবসায়ীরা দায়ী। বিশেষ করে যারা শ্রম শক্তি রফতানি করে। মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের প্রতি কোনও বিরূপ মনোভাব নেই। কাজেই আগে নিজেদের ঘরটাই সামলাতে হবে। এক্ষেত্রে আমার কথা অনেকের পছন্দ নাও হতে পারে। ঠিক এই বিষয়ে কি বলেছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন, শুনুন
বাইট তৌহিদ হোসেন, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
এক্ষেত্রে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ যা পরিবেশ বা বিভিন্ন নেতা নেতৃত্বের হুমকি হুঁশিয়ারি, সেটা আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করেছে বিশ্ব দরবারে। সেই কারণেই শুধু ভারত নয়, ভিসার ক্ষেত্রে কড়াকড়ি করেছে বহু দেশ। এবং সেই কারণেই এখন ঠারেভারে বুঝতে পারছে, অন্তর্বর্তী কালীন সরকারের বিভিন্ন উপদেষ্টারা। ঠিক যেমনটা বুঝে নিজেদের দোষ স্বীকার করে নিলেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। এখন দেখার, প্রধান উপদেষ্টা সেটা উপলব্ধি করতে পারেন কিনা!












Discussion about this post