গত বছর শেখ হাসিনার পতনের পর মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে ভারত বিরোধিতা বাড়তে থাকে। অন্যদিকে পাকিস্তানের সঙ্গে সখ্যতা বাড়তে থাকে বাংলাদেশের। এইবার সেই আবহে ঢাকা থেকে মিলল পাকিস্তানের বস্তা বস্তা টাকা।যদিও সেনাবাহিনীর তৎপরতায় সেই টাকা উদ্ধার করা গিয়েছে। বাংলাদেশের মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্পে উদ্ধার হয়েছে এই বস্তা ভর্তি টাকা। এমনকি একজনকে আটক করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। তার নাম নানা গিয়েছে ইসহাক আহমেদ। এমনকি এটাও জানা গিয়েছে, তার ওষুধ ফার্মেসিতে বুনিয়া সোহেল নামে এক ব্যক্তি ওই টাকা রেখে গিয়েছে বলে জানিয়েছে আটক ব্যক্তি। এমনকি তিনি নাকি কিছুই জানেন না বলে জানিয়েছেন। অনেকে বলছে, এই ঘটনাই প্রমাণ করে বাংলাদেশে বসেই ভারতের বিরুদ্ধে চক্রান্ত চলছিল। ভারতকে ধ্বংস করার ছক কষা হচ্ছিল। অবশ্য সেটা বানচাল করে দেয় জেনারেল ওয়াকারের সেনাবাহিনী। এমনকি কিভাবে এল এই টাকা, কি উদ্দেশ্যে নিয়ে আসা হয়েছিল, সেটার বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে বাংলাদেশ সেনা। তবে প্রাথমিকভাবে কিছু প্রশ্ন উঠে আসছে। কেনওভাবে জাল নোট ভারতে পাচারের উদ্দেশ্য ছিল? যদিও এই বিষয়ে তেমন কিছু বললেও মুখ খুলেছেন এই ধৃত ব্যক্তি। কি বলেছেন তিনি, শুনুন
ধৃত ইসহাক আহমেদের গলায় বুনিয়া সোহেলের কথা বলছেন। কিন্তু কে এই বুনিয়া সোহেল? জানা যায়, কিছুদিন আগেই আটক করা হয়। যদিও পরে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এমনকি জানা যাচ্ছে, জেনেভা ক্যাম্পে নেশার জিনিস কারবারে ক্যাম্পের শীর্ষ ব্যবসায়ীর সঙ্গে বুনিয়া সোহেলের লোকজনদের মধ্যে সংঘর্ষ লাগত। এরমধ্যে আরও একটি চাঞ্চল্যকর খবর উঠে আসছে। কিছুদিন আগে জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম সেখানে গিয়েছিলেন জনসংযোগ করতে। জানা যায়, ওখানে বসবাসকারী বিহারীরা জুলাই আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিলেন। জানা যাচ্ছে, ৫ই অগাস্টের পর থেকে সেখানে জঙ্গি কার্যকলাপে ভরে গিয়েছে। এমনকি এই ক্যাম্পে নেশার জিনিসকে কেন্দ্র করে গোলাগুলির ঘটনাও ঘটেছে বেশ কয়েকবার। এমনকি তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। তার আশপাশের মানুষেরা আতঙ্কে রয়েছেন বলে খবর। গোটা বাংলাদেশে মব কালচার লেগেই রয়েছে। এছাড়াও সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতনের ঘটনা প্রত্যক্ষ করছে গোটা দেশ। এমনকি সমালোচিত হয়েছে বহির্বিশ্বে। সেই কারণেই বাংলাদেশে সক্রিয় সেনাবাহিনী। প্রশাসনের তরফে বলা হচ্ছে, জেনেভা ক্যাম্পে বসবাসকারী ৫০ হাজার মানুষের মধ্যে ৫০০ এর বেশি মানুষ এই সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত। আসলে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থানা ও গণভবন থেকে লুট করা অস্ত্র, এখানকার পরিস্থিতি খারাপ করেছে। এমনকি বাংলাদেশের সার্বিক নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠে যাচ্ছে। সেনাবাহিনী, পুলিশ কাজ করলে এই পরিস্থিতি কেন? বাংলাদেশের সঙ্গে সঙ্গে প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ভারতীয় এই ধরনের কার্যকলাপের প্ল্যান করা হচ্ছিল বলে খবর। যদিও সবটা বানচাল করে দেয় সেনাবাহিনী। তবে এখন দেখার, মোঃ ইউনূসের সরকার এটাকে করা হবে দমন করতে পারে কিনা।












Discussion about this post