বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ভারতকে যে বার্তা বা অনুরোধ পাঠিয়েছে, তাতে সপাটে চর খেয়েছে তারা। আর এটা হয়েছে তাদের নির্বোধ এবং অপরিপক্কতার কারণে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তরফ থেকে একটি বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। যেটা ভারতকে উদ্দেশ্য করে। যেখানে বলা হচ্ছে, আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা ভারতে আশ্রয় নিয়েছে। তারা নাকি দলীয় কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে। এমনকি তারা সেখানে রাজনৈতিক কার্যালয় খুলেছে। যেগুলি অন্তর্বর্তী সরকারের নজরে এসেছে। নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কার্যালয় বন্ধের জন্য বাংলাদেশ সরকার অনুরোধও জানিয়েছে। কিন্তু এই বিবৃতি কোন যৌক্তিকতার দিক থেকে দেওয়া হল? এই প্রশ্নটাই তুলছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। যদিও যোগ্য জবাব দিয়েছে ভারত। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারতের আতঙ্ক গ্রাস করেছে ইউনূসকে। যা পরিস্থিতি, তাতে খুব শীঘ্রই পদত্যাগের খবর আসতে পারে বলে মত ওয়াকিবহাল মহলের।
আসলে গত ৮ই অগাষ্ট একটি খবর সামনে এসেছিল।
কলকাতায় নাকি আওয়ামী লীগ দলীয় কার্যালয় খুলেছে। যে খবরের চাঞ্চল্য তৈরি করেছিল বাংলাদেশ জুড়ে। কলকাতার ব্যস্ততম একটি ভবনে আওয়ামী লীগের অফিস হওয়াতে সেখান থেকেই তারা নাকি কাজ করেছেন। তথ্য উঠে আসছিল, যেখান থেকে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম পরিচালনার কথা বলা হচ্ছে, সেখানে আওয়ামী লীগের কোনও ব্যানার ও বঙ্গবন্ধুর ছবি বা শেখ হাসিনার ছবি কোন কিছুই নেই বলে জানা যাচ্ছে । তারা নাকি কাউকে বুঝতেই চান না, যে এটা আওয়ামী লীগের অফিস। অর্থাৎ তারা গোপনে কাজ করতে চাইছে। এমনই দাবি করা হয়েছিল গণমাধ্যমে। কিন্তু প্রশ্ন, আদৌ কি বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিশ্চিতভাবে কোনও তথ্য প্রমাণ দিতে পেরেছে ভারত সরকারকে?
যদিও কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ভারত জানিয়েছে, শেখ হাসিনার দলের কোনও কর্মকাণ্ড এই দেশের কোনও শহরে চলছে কিনা, কিংবা বাংলাদেশ বিরোধী কর্মকাণ্ড চলছে কিনা, এই বিষয়ে তারা অবগত নয়। বুধবার ভারতের বিদেশ মঞ্চকে তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ভারতের আওয়ামীলীগ সদস্যদের দ্বারা বাংলাদেশ বিরোধী কোনও কার্যকলাপ বা ভারতীয় আইনের পরিপন্থী কোনও কর্মকাণ্ড সম্পর্কে ভারত সরকার অবগত নয়। ভারতের ভূখণ্ডকে ব্যবহার করে অন্য দেশের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য ভারত অনুমতি দেয় না। তাই বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী কালীন সরকারের প্রেস বিবৃতি ভুল।
অনেকে বলছেন, প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূসের বিদায় প্রায় নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে। তিনি যে যে কর্মকাণ্ড করছেন তাদের বেশিদিন তার ক্ষমতায় আসীন থাকতে পারবেন না।












Discussion about this post