চোপড়া, ধুবড়ি, কিষাণগঞ্জ…এই নামগুলো শুধু এমন মানচিত্রে নেই, সামরিক মানচিত্রেও জায়গা করে নিচ্ছে নতুন করে। কারণ এই সমস্ত জায়গায় ভারত তিনটি ঘাঁটি তৈরি করেছে। চিকেন নেকের কাছাকাছি সেনা ছাউনি করেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। একটি হল অসমের ধুবড়ির কাছে বামুনি। অন্যটি হল বিহারের কিষাণগঞ্জ এবং উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া। পূর্ব সীমান্তে নিরাপত্তা কড়া করতেই ভারত এই পদক্ষেপ করেছে। তবে ভারতের এই জোরদার নিরাপত্তা পদ্মাপাড়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে। তাদের প্রশ্ন, তবে কি ভারতের টার্গেট ঢাকা? এপার বাংলার অনেকে বলছেন, তবে কি আতঙ্কিত ইউনূস?
বাংলাদেশের কেউ কেউ বলছেন, এটি ক্লাসিক সাইকোলজিক্যাল প্রেসার। তুমি জানবে কেউ তোমার বাড়ির সামনে বন্দুক হাতে দাঁড়িয়ে রয়েছে, কিন্তু গুলি করছে না। ভয়টা ঠিক সেখানেই। দ্যা ডেকান ক্রনিকলের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, নতুন ঘাঁটিটি শুধু প্রতিরক্ষা নয়, এটি একটি অফেন্সিভ প্লাটফর্ম। যা দিয়ে খুব দ্রুত সীমান্ত পার অপারেশন চালানো যাবে। ওপার বাংলাতেও কেউ কেউ বলছেন, যে কোনও মুহূর্তে ভারত সীমানা টপকে যা খুশি তাই করতে পারে। চোপড়া থেকে শিলিগুড়ি করিডোরের দূরত্ব মাত্র ৫২ কিলোমিটার। আবার বাংলাদেশের পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া থেকে এর দূরত্ব মাত্র ১ কিলোমিটার। যেখানে রয়েছে ভারতীয় বাহিনীর ব্রহ্মাস্ত্র কর্পস। এমনকি খবর রয়েছে, ধুবড়ির লাচিত বরফুকানে দুটি নতুন সেনা ছাউনি তৈরি হবে। আর এতেই ঘুম উড়েছে বাংলাদেশের।
ভারতীয় সেনাবাহিনীর এই তৎপরতায় যথেষ্ট চিন্তিত ঢাকা। বাংলাদেশ এখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে পরিত্যক্ত বিমানঘাঁটি লালমনিরহাট সংস্কারে হাত দিয়েছে। এই কাজে তাদের সাহায্য করছে চিন। সূত্রে খবর, লালমনির হাটে তৈরি হবে হ্যাঙার। থাকবে যুদ্ধবিমান। চিনের থেকে বাংলাদেশ কিনেছে ১০টি অত্যাধুনিক যুদ্ধ বিমান সি জে টেন। লালমনির হাটের ছাউনিতে ওই বিমানগুলিকে রাখা হবে। এই পরিস্থিতিতে যখন ভারত তৎপর তখন ভীত বাংলাদেশ। ইতিমধ্যএই বাংলাদেশ পাকিস্তানের কিছু উচ্চ পর্যায়ের কর্তাদের সহ্গে বৈঠক করেছেন। শুধু তাই নয়, পাকিস্তানের উচ্চ কর্তাকে মুহাম্মদ ইউনূস যে বই উপহার দিয়েছেন, তাতে বাংলাদেশের মানচিত্রে ভারতের কিছু অংশ ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। যদিও সেই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ। কিন্তু সাম্প্রতিককালে বাংলাদেশের গতিবিধি ভালো ঠেকছে না। এমনকি কখনও পাকিস্তান, কখনও চিন আবার কখনও তুর্কিকে হাত করতে চাইছে ঢাকা। এমনকি পাকিস্তানের এক সামরিক কর্তা বলেছিলেন, ভারতের পূর্ব প্রান্ত দিয়ে তারা আক্রমণ চালাতে পারে। অর্থাৎ তারা বলতে চাইছে, বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করে পাকিস্তান হামলা চালাতে পারে। তবে চুপচাপ হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না ভারত। তাই ভারত কিছুটা নড়েচড়ে বসতেই চাপে পড়ে গিয়েছে বাংলাদেশ। এখন দেখার, এরপর কি পদক্ষেপ করে ভারত বা ভারতীয় সেনাবাহিনী।












Discussion about this post