আমেরিকার রাষ্ট্রদূত যেমন বিএনপি সহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠক করে দেশের পরিস্থিতি বুঝতে চাইছেন এবং তাদের পরবর্তী লক্ষ্য স্থির করতে চাইছে।ঠিক তখন ভারত তৈরী হচ্ছে দু-টি ফ্রন্টে যুদ্ধ করার জন্য। মানে একদিকে পশ্চিম পাকিস্তান এবং অন্যদিকে পূর্বপাকিস্তান। যদিও অনেকে বলবেন যে বাংলাদেশ নামটি তো এখনও বদলে পূর্বপাকিস্তান করা হয়নি। তারা নিশ্চিত থাকুন এই সরকার আর কিছু দিন থাকতে পারলে সেটিও করে ফেলবে। অনেকেই বলবেন ভারত থেকে অনেক দিন ধরেই বলা হচ্ছে কিছু একটা হতে যাচ্ছে, কিন্তু বাংলাদেশে ভারতের কোন সুনিদৃষ্ট পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। তাহলে তাদের বলব ভারতের শুধু একটি দায় নিয়েই দেশ চালাতে হয় না, যে কবে ভারত হাসিনাকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী করে দেশে ফেরত পাঠাবে। নিত্য দিন বদলে যাচ্ছে ভূ-রাজনৈতিক অবস্থা।
ফলে ভারতকেও তার কৌশল এবং কূটনীতি বদলাতে হচ্ছে। তবে বেশ কিছু দিন ধরে ভারত যেভাবে সীমান্ত এলাকাগুলিতে কামান গোলাগুলি এবং খাদ্য রসদ মজুত করতে শুরু করেছে তাতে ধরে নিতেই হবে এটি কোন বিশেষ ঘটনা ঘটবে তার প্রস্তুতি হিসাবে ভারত পাকিস্তান এবং ভারত বাংলাদেশ সীমান্তগুলিতে তৎপরতা বৃদ্ধি করেছে ভারত। বিশেষজ্ঞদের মতে প্রায় ছ-শোর বেশী ড্রোন মোতায়েন করা হয়েছে সীমান্ত এলাকা গুলিতে।বিশেষ করে শিলিগুড়ি করিডোর এবং ভারতের সেভেন সিস্টারে জোরদার ভাবে চলছে নীরাপত্তা বৃদ্ধি এবং সৈন্য মোতায়েন। পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের ভারত বিদ্বেষের কথা মাথায় রেকে বহুদিন আগের থেকেই চলছে সামরিক সাজসরাঞ্জামের মোতায়েন।সেই সঙ্গে খাদ্য রসদ মজুত এবং তার সাপ্লাই চেন যাতে সুরক্ষিত থাকে তার ব্যবস্থা করা। অনেকেই মনে করছেন বিশেষ প্ল্যান করেই, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং যে কোনও মুহূর্তে পরিস্থিতি উত্তেজনাকর হয়ে উঠতে পারে। ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ও বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিবি) উভয়ই তাদের নিজ নিজ অংশে সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।
কিছু দিন আগে, পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদের লালগোলা সীমান্তে মাদক পাচারের একটি প্রচেষ্টা বিএসএফ ব্যর্থ করে দেয়। এছাড়া, মালদহ জেলার বৈষ্ণবনগর এলাকায় বেড়া নির্মাণের কাজ নিয়েও উত্তেজনা দেখা গিয়েছিল। নিয়ম অনুযায়ী, সীমান্ত থেকে দেড়শ গজ দূরে কোনো নির্মাণ কাজ করতে হলে দুই দেশের সম্মতির প্রয়োজন হয়।
অন্যদিকে, বাংলাদেশের পক্ষ থেকেও সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। সম্প্রতি, দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে এবং সীমান্তে শান্তি বজায় রাখার জন্য উভয় পক্ষই চেষ্টা করছে।কিন্তু যে কোন পরিস্থিতির জন্য তৈরী উভয় দেশের সেনাবাহীনি।যদিও কিছু প্রতিবেদনে এটাও উঠে এসেছে যে, সীমান্তে কিছু এলাকায় এখনও কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া সম্ভব হয়নি, যার ফলে অবৈধ অনুপ্রবেশ ও চোরাচালানকারীরা সুযোগ নিচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে পরিস্থিতি যে কোন সময় উত্তেজক হয়ে উঠতে পারে। পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। এবং গোয়েন্দা বিভাগ।












Discussion about this post