আবার মুখ খুললেন হাসিনা। দৃঢ়তার সঙ্গে জানিয়ে দিলেন, দেশে তিনি ফিরবেন। দেখে চাইবেন, যাঁরা তাকে ফাঁসিকাঠে ঝোলাতে চাইছে, যারা তাঁকে বুলেটবিদ্ধ করতে চাইছে, তিনি তাদের মুখোমুখি হতে চান। তিনি একবারের জন্য ভীত বা সন্ত্রস্ত নন।
কী বলছেন হাসিনা, শুনুন তাঁর মুখে।
বঙ্গবন্ধু অত্যন্ত প্রত্যয়ের সঙ্গে বলেন, ‘হ্যাঁ, আমাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। আমি পরোয়া করি না। আমি বাংলাদেশে ইনশাল্লাহ আসবই। অবশ্যই আমি আসব। আর তাদের মৃত্যুদণ্ড, তাদের ফাঁসির দড়ি কত শক্ত বা কত বুলেট আছে, নিশ্চই যাচাই করব। ’
ভারতের একটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তারা আগামী লীগ সূত্রে খবর পেয়েছেন আগামী ১৬ ডিসেম্বরের আগেই বাংলাদেশে পা রাখতে চলেছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা। দলকেও তিনি সেটা জানিয়ে দিয়েছেন। এদিকে, হাসিনাকে ফেরত চেয়ে ঢাকার তরফ থেকে দিল্লিকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের বুধবার, ২৬ নভেম্বরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,তারা ঢাকার ওই চিঠি খতিয়ে দেখছে। এদিকে আবার তদারকি সরকার হাসিনার বিষয়ে ইন্টারপোলের দ্বারস্থ হয়েছে। সূত্র বলছে, ইন্টারপোল সেই চিঠি খুলে দেখার প্রয়োজনবোধ করেনি। ঢাকা থেকে চিঠি যেমন এসেছিল, সেইভাবেই এই চিঠি তাদের লেটারবক্সে পড়ে রয়েছে।
এদিকে, হাসিনা আন্তর্জাতিকঅপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায় নিয়েও মুখ খুলেছেন। বলেছেন, তাঁকে যারা মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে, তারা কারা? তারা তো অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করেছে। বঙ্গবন্ধু কন্যা জানিয়েছেন, তিনি আল্লাহর আশীর্বাদে, তাঁর দয়া বেঁচে রয়েছেন। আল্লাহর কাছে তাদের বিচার হবে যারা তাঁর পরিবারকে খতম করেছে।
সম্প্রতি হাসিনার সঙ্গে হাসান মামুদের কথাবার্তার একটি অডিও ক্লিপ এখন ভাইরাল। হাসিনা হাসান মামুদকে জানিয়েছেন, এই দেশে আর নয়। এই দেশ বলতে হাসিনা বাংলাদেশকে বোঝাতে চেয়েছেন। ৫ অগাস্ট ২০২৪-য়ের আগেই তিনি মনস্থির করেফেলেছিলেন যে প্রিয় বাংলাদেশ ছেড়ে তাঁকে চলে যেতে হবে। হাসান মামুদকে তিনি এও বলেন, তাঁর (হাসিনার) এই পরিকল্পনার কথা যেন ফাঁস না করেন।












Discussion about this post