প্রতিবেদনে যাওয়ার আগে একটি খবরের উল্লেখ করতে হয়ে। কিছুদিন আগে ভারতীয় সেনা গোয়েন্দাদের একটি দল গিয়েছি বাংলাদেশে। সঙ্গে নিয়ে গিয়েছিল স্যাটেলাইট ইমেজে ধরা পড়া কিছু ছবি। সে সব ছবিতে দেখা গিয়েছে পাড়ায় পাড়ায় এখানে ওখানে যেমন চায়ের দোকান, পানের দোকান দেখা যায়, তেমনি সীমান্তে ওই রকভাবে গজিয়ে উঠেছে জঙ্গি প্রশিক্ষণ শিবির। এর পিছনে মদত রয়েছে পাকিস্তানের আইএসআইয়ের। ভারতীয় সেনাগোয়েন্দাদের তরফ থেকে বাংলাদেশ সেনাকে খুব স্পষ্টভাষায় জানিয়ে দেওয়া হয়, ওই সব শিবির অবিলম্বে গুঁড়িয়ে দিতে হবে।
এবার বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানকে আলটিমেটাম দিয়ে দিল সাউথব্লক। গত রবিবার শ্রীহরিকোটা থেকে ভারত একটি রকেট উৎক্ষেপণ করে। আদর করে যার নাম রাখা হয়েছে বাহুবলী। এটি একটি মাল্টি ব্যান্ড কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট। যার নাম CMS-03৷ এটা কোনও সাধারণ স্যাটেলাইট নয়। প্রথমত এই উপগ্রহ রিয়েল টাইমে নজরদারি করতে সক্ষম। এর নজরে থাকবে গোটা ভারত মহাসাগর। ফলে ভারতের প্রতিবেশী দেশ যেমন চিন, বাংলাদেশ, পাকিস্তানের নৌবাহিনী কী করছে, তা নখদর্পণে থাকবে। দ্বিতীয় এই স্যাটেলাইট নেটওয়ার্ক সেন্ট্রিক যুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দেবে। অর্থাৎ আমাদের যুদ্ধজাহাজ, সাবমেরিন, বিমান, এমনকী সব ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র – একটা ইউনিফায়েড কম্যান্ড সিস্টেমের অধীনে কাজ করবে।
ধরা যাক আরব সাগরে মোতায়েন থাকা ভারতীয় যুদ্ধ জাহাজের রেডারে ধরা পড়ল কোনও পাকিস্তানি যুদ্ধজাহাজ ধরা পড়ল। সেই তথ্য এক সেকেন্ডের কম সময়ে নেটওয়ার্কের সঙ্গে জুড়ে থাকা সব ইউনিটের কাছে পৌঁছে যাবে। এর ফলে দিল্লির নেভাল কম্যান্ড থেকে শুরু করে সাবমেরিন পর্যন্ত একই তথ্য দেখতে পাবে। দ্বিতীয় সুবিধা এক সঙ্গে মিলে আক্রমণ। এই ইউনিট এক তথ্যের ওপর ভিত্তি করে কাজ করে। ধরা যাক একটা ফাইটার জেট যদি কোনও লক্ষ্যবস্তুকে চিহ্নিত করে তবে সেই তথ্য ব্যবহার করে অনেক দূরে থাকা কোনও যুদ্ধজাহাজের ক্ষেপণাস্ত্রকে সফল ভাবে উৎক্ষেপণ করতে সক্ষম হবে। ক্ষেণাস্ত্রটি উৎক্ষেপণের পর নিজের টার্গেটের দিকে এগোতে থাকবে। ধরা যাক যাকে নিশানা করে ক্ষেপণাস্ত্রটি ছোঁড়া হল, সেটি যদি তার অবস্থান বদল করে, সেক্ষেত্রে সেই বদলে যাওয়া অবস্থানের তথ্য পেয়ে যাবে। এটি সম্পূর্ণ জ্যামপ্রুফ। এই চিন-পাকিস্তান বা বাংলাদেশ চাইলেও এই ক্ষেপণাস্ত্রটি জ্যাম করতে পারবে না। অর্থাৎ চাইলে তারা তথ্য সংগ্রহে বাধা হয়ে দাঁড়াবে না। সূত্রে পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে, ভারতীয় সেনা সিঁদুর দুই অভিযানে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেখানে এর প্রথম ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। সূত্রের খবর, এর জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে পাকিস্তানকে।
ভারতের মাটি থেকে এর আগে মহাকাশে এত ভারী উপগ্রহ আগে কখনও পাঠানো হয়নি। ইসরো এর আগে পাঁচ হাজার কেজির বেশি ওজনের উপগ্রহ মহাকাশে পাঠিয়েছিল। তবে সেটা এদেশের মাটি থেকে নয়। ২০১৮ সালে ভারত যে উপগ্রহটি মহাকাশে পাঠিয়েছিল তার ওজন ৫, ৮৫৪ কেজি। সেটি পাঠানো হয়েছিল দক্ষিণ আমেরিকার ফরাসি ভূখণ্ড ফ্রেঞ্চ গুয়ানার কোউরু থেকে। উৎক্ষেপণে সাহায্য করেছিল ফরাসি সংস্থা এরিয়ানস্পেস। এবার ভারত মহাকাশে পাঠাল ৪.৪১০ কেজি ওজনের উপগ্রহ। তাও আবার এ দেশে তৈরি রকেটে চাপিয়ে। রকেটটি লম্বা ৪৩ মিটার। তাই, এই রকেটের নাম দেওয়া হয়েছে বাহুবলী। এলভিএম থ্রি রকেটগুলির পঞ্চম সংস্করণ।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post