জামাত নেতারা ধরে নিয়েছেন ভোট হলে তারাই জিতবে কারণ, ডাকসু ও জাকসুর ত্রুটিপূর্ণ নির্বাচনে ছাত্র শিবিরের নিরঙ্কুশ বিজয়ে জামায়াতে ইসলামী বেশ ‘জোশে’ আছে। দলটির নেতাদের কথাবার্তা ও বক্তব্য-বিবৃতিতে এমন ভাব প্রকাশ পাচ্ছে যে, তারা যেন ক্ষমতায় যাওয়ার দ্বারপ্রান্তে। তারা ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্নে বিভোর হয়ে আছে। কোনো কোনো নেতার কথাবার্তায় এমন ভাব প্রকাশিত হচ্ছে, যেন দলটির ক্ষমতায় যাওয়ার মাঝে শুধু নির্বাচন নামক পর্দাটি রয়েছে। নির্বাচন হলেই পর্দাটি সরে যাবে এবং তারা ক্ষমতায় চলে যাবে। অস্বীকার করার উপায় নেই, গণঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার পতনের পর দলটি অত্যন্ত সুসংগঠিত হয়ে মাঠে নেমেছে। তার প্রাথমিক ফলাফল পেয়েছে, ডাকসু ও জাকসু নির্বাচনে। এসব নির্বাচনে কি ধরনের ত্রুটি-বিচ্যুতি এবং বিতর্ক হয়েছে, তা সকলেরই জানা। তবে এ বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেয়ার সঙ্গে সঙ্গে দলটি প্রায় ৪১টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে তার অনুগত ভিসি ও গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে নিজের লোকজন নিয়োগে সমর্থ হয়েছে, যার প্রাথমিক ফল পেয়েছে ডাকসু ও জাকসু নির্বাচনে।
ডা.তাহের বলেন, ‘অনেকে বলে জামায়াত ক্ষমতায় এলে ভারতের হামলার আশঙ্কা রয়েছে। আমি বলেছি দোয়া করতেছি এরা যেন ঢুকে পড়ে। ভারত ঢুকলেই আমাদের সেই বদনাম যাবে, যা ১৯৭১ সালে চাপানো হয়েছিল। তখন আমরা প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে প্রমাণ করার একটা সুযোগ পাব।
এই জামায়াত নেতা বলেন, ‘পাশের দেশের লোক ঢুকলে আওয়ামী লীগ কখনো তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ তো করবেই না বরং সহযোগিতা করবে। তাহলে যুদ্ধ করলে সংগঠিত শক্তি হলাম আমরা। তখন আমরা হবো খাঁটি মুক্তিযোদ্ধা।’
তিনি বলেন, ‘কমপক্ষে ৫০ লাখ যুবক তো ভারতের বিরুদ্ধে স্বাধীনতাযুদ্ধে আসবে। তাদের দুই ভাগ করে দেব।
এক ভাগ গেরিলা যুদ্ধে অংশ নেবে, বাকিরা বিস্তৃত এলাকায় ছড়িয়ে পড়বে।’ রাসূল (সা.)-এর গাজওয়া সম্পর্কিত হাদিসের বাস্তবায়ন তখন মহাপরিকল্পনা হয়ে
প্রবাসীদের অবদানের প্রশংসা করে জামায়াতের নায়েবে আমির বলেন, ‘আন্দোলন-সংগ্রামে প্রবাসীরা সব সময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। যারা প্রাণ দিয়েছেন, কলমে লড়েছেন, ইতিহাসে তারা সম্মানের আসনে থাকবেন।’ তার লক্ষ্যেই সেনার ভিতরে পরির্বতন শুরু করা হয়েছে, আর এবারের সেনার মধ্যে যে পরিবর্তন করা শুরু হয়েছে তার লক্ষ্য হল ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের একটি ভয়ঙ্কর যুদ্ধের প্রস্তুতি নেওয়া। সেই কারণে সেনাপ্রধান সহ সেনার উপর এই ভয়ঙ্কর আক্রমন। জেনারেলদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরয়ানা জারি হচ্ছে সেনাসদরকে না জানিয়েই। বাংলাদেশের একজন সাধারণ নাগরিক এই প্রশ্নটি করতেই পারে যে, যারা দেশ এবং দেশবাসীকে রক্ষ্যা করবে, তারা কি করে নিরুদ্দেশ হয়ে যেতে পারে? বিশেষ করে যখন তারা কর্মরত অবস্থায় আছেন? যদিও প্রথমে জানা গিয়েছিল একজন সেনা অফিসার যিনি নাকি হাসিনার পক্ষ্যের সেনাকর্তা ছিলেন তিনিই শুধু মিশিং। পরে আরও অনেকেই মিসিং বা দেশত্যাগ করেছেন বলে জনা যাচ্ছে। যদিও এই রকম মন্তব্য ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে যে তিনি নাকি গত দুই মাসে বহুবার কলকাতায় যাতায়াত করে,তার থাকার জায়গা নিশ্চিত করেছেন। তাহলে সাধারণ নাগরিকরা এটাও প্রশ্ন করতে পারেন যে, সেই বিষয়টি কি সরকার এবং সেনাসদর বা সেনা গোয়েন্দা ডিজিএফআই কেউ জানতে পারল না? বিশেষ করে এখন তো সেনাদফতর চলছে জামাতের অঙ্গুলি হেলনে। তাহলে এতজন সেনাঅফিসার কি করে মিশিং হয়ে গেলেন। আসলে এই অফিসারদের হয় গুম করা হয়েছে অথবা সরকার জেনে বুঝে তাদের বিদেশে পাঠিয়ে দিয়েছে, যাতে সেনা ক্যান্টনমেন্টকে নতুন করে সাজাতে চাইছে, যেখানে জামাতের লোকেরাই শুধু থাকবে। যারা হবে পাকিস্তান পন্থি এবং ভারত বিরোধী। তাই সেনাবাহীনিতে রক্তপাতহীন ভাবে সেনাঅফিসার থেকে সেনাবাহিনীর জেনারেলদের এই দুই উপায়ে বাহীনি থেকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এবং ভারতের অনেক ইউটিউবার থেকে ব্লগার এই নিয়ে হাসাহাসি করেন যে বাংলাদেশে সাধারণ মানুষ ঠিক করে খেতে পায় না, তারা আবার ৫০ লক্ষ্য সেনাবাহীনি রেডি করবে ভারতের সঙ্গে যু্দ্ধ করার জন্য। যারা এ কথা বলেন তারা আসলে জানেই না যে বাংলাদেশের ভিতরে কি হচ্ছে। সেখানে ফাঁকা মাঠ অথবা জঙ্গলে ভারত বিরোধী মনোভাপন্ন মানুষদের নিয়ে বাংলাদেশের প্রাক্তন সেনাঅফিসার এবং পাকিস্তানের আইএসআই এর সেনাঅফিসারদের দ্বারা গোপনে ট্রেনিং দেওয়া হচ্ছে। যারা ভারতের সঙ্গে যুদ্ধ করতে প্রস্তুত হচ্ছে। তাদের মাথায় গজবায়ে হিন্দ ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে। এবং বাংলাদেশের অনেক কট্টরবাদী এটা বিশ্বাস করেন যে তারা, আরও অনেক দেশের সঙ্গে মিলিত হয়ে ভারত আক্রমন করবে। এটিই জামাত দ্বারা শাসিত আগমী বাংলাদেশের স্বপ্ন। আর এই কাজ করতে সেনাপ্রধানের দ্বিধা দন্দ আছে বলেই এখনও মনে হয়। আসলে ওয়াকার উজ জামান এমন এক সময়ে বাংলাদেশের দায়িত্ব নিয়েছেন যখন বাংলাদেশকে নিয়ে ডিপস্ট্রেট থেকে শুরু করে বিভিন্ন দেশ তাদের মনোবাঞ্ছা পূরণ করতে ব্যস্ত। জামাত কখনই বাংলাদেশের শুভাকাঙ্খী হতে পারে না। কারণ পাকিস্তানের নেতা মন্ত্রীরা যখন বলে এখনও জামাতের হেড কোয়াটার করাচিতে। এবং এই জুলাই আন্দোলোনের সঙ্গে যারাই যুক্ত তারা ত্রিশ লক্ষ্য মানুষের হত্যা এবং দু লক্ষ্য মা বোনের সম্ভ্রম নষ্ট হয়েছে এটি মানতেই চায় না।কিন্তু এই মুক্তিযুদ্ধকে সম্মান করে এবং মুক্তি যুদ্ধের চেতনাকে বিশ্বাস করে এই সেনাবাহীনি। তাই মুক্তি যুদ্ধ থেকে উৎপন্ন হওয়া বাংলাদেশের সেনাবাহীনিকে ভেঙে ফেলতে প্রথমে তাদের, পুলিশের যে কাজ সেই কাজ করিয়ে মনোবল কে ভেঙে দেওয়া হয়েছে। এখন তাদের কাউকে জোর করে অবসরে পাঠানো হয়েছে আবার কাউকে বিদেশে যেতে বাধ্য করা হচ্ছে এবং যাদের উপর প্রতিশোধ নেওয়ার বাকি আছে তাদের গুম করে রাখা হয়েছে। আর বাংলাদেশের এই পরিবর্তনের প্রথম সুযোগ এসেছে ডিপস্ট্রেট থেকে যাকে পরে পাকিস্তান কব্জা করেছে আমেরিকার দালালি করে।












Discussion about this post