নিউ ইর্য়কের পর লন্ডনে মাহফুজ আলমের উপর হামলা করা হয়েছে বলে অভিযোগ। তার গাড়ি লক্ষ্য করে ডিম নিক্ষেপ করা হয়েছে। এমন অভিযোগও তোলা হয়েছে। এদিকে নাহিদ ইসলাম দাবি করেছিলেন, সরকারের মধ্যে থেকে উপদেষ্টারাই মাহফুজ আলমকে হত্যার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। তবে কি ঘুরিয়ে ইউনূসকে দায়ী করলেন নাহিদ ইসলাম? যদিও এই ধরণের ভয়াবহ অভিযোগের পরে উপদেষ্টা পরিষদের টনক নড়েছে। এবং একটা প্রেস বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। এবং সেই বিবৃতি প্রধান উপদেষ্টার ফেসবুক পেজে দেওয়া হয়েছে।
ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ১২ সেপ্টেম্বর মাহফুজ আলম বাংলাদেশের জুলাই বিপ্লবের প্রথম বার্ষিকী উপলক্ষে লন্ডনের সোয়াস-ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন আয়োজিত কর্মসূচি শেষে বের হলে একদল বিক্ষোভকারী বাংলাদেশ হাইকমিশনের গাড়িতে ডিম নিক্ষেপ করেন। কিছু সময়ের জন্য গাড়ির পথরোধের চেষ্টা চালান। তবে লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিসের দ্রুত হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আস। তবে ওই গাড়ির ভেতরে মাহফুজ আলম ছিলেন না বলে জানা যায়।
বাংলাদেশ হাইকমিশন জানিয়েছে, পুলিশ সবসময় যোগাযোগ রাখছে এবং উপদেষ্টার কর্মসূচির সময় তাকে পূর্ণ নিরাপত্তার আশ্বাস দিয়েছে।
প্রেস উইংয়ের তরফে বলা হয়েছে, কয়েক সপ্তাহ আগে নিউইয়র্কে সরকারি কাজে থাকাকালীন মাহফুজ আলমের ওপর হামলার পর লন্ডনে এই ঘটনাটি ঘটে। একই ঘটনা। বাংলাদেশের কনস্যুলেট জেনারেলে এক অনুষ্ঠানে বিক্ষোভকারীরা ডিম নিক্ষেপ করে এবং বোতল নিক্ষেপ করায় কাচের দরজা ভেঙে ফেলে। মিশনটি পরবর্তীকালে স্টেট ডিপার্টমেন্টের স্থানীয় অফিস-সহ স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে চিঠি লিখে পদক্ষেপ করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান। সরকার এই সাম্প্রতিক হামলার নিন্দা জানিয়ে বলে, আমাদের সরকার, বাংলাদেশের জনগণ এবং উভয় আয়োজক দেশের কর্তৃপক্ষ সভ্য মূল্যবোধের পাশে দাঁড়িয়েছে এবং দুর্বৃত্তরা বর্বরতা ও উৎপীড়নের জগতে বসবাস করছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, কনস্যুলার যানবাহনকে লক্ষ্যবস্তু করা এবং তাদের বাধা দেওয়ার চেষ্টা করা কেবল বেপরোয়াই নয়, এটি দেশগুলোর মধ্যে দায়িত্বশীল সংলাপের পথ রক্ষা করে। এমন নিয়ম লঙ্ঘন করে। এমনকি লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশের রেস্পন্সকে স্বাগত জানায় তারা। এবং অপরাধীদের শনাক্ত করতে এবং যথাযথ অভিযোগ আদায়ের জন্য অব্যাহত সমন্বয়ের আহ্বান জানায়। যারা এই আচরণকে সংগঠিত করেছিল তাদের প্রতি বিবৃতিতে বলা হয়, বড় হন। আপনি যদি আপনার কারণটিতে আস্থা রাখেন তবে আপনারা শান্তিপূর্ণভাবে, আইনগতভাবে এবং মর্যাদার সঙ্গে মোকাবিলা করুন।
তবে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আসলে মব কালচার অনেকে আগেই বন্ধ করা উচিত ছিল অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের। কিন্তু সেটার লাগাম টানেনি সরকার। ফলে এখন সেই মব উল্টো দিকে ধাবিত হচ্ছে। প্রবলভাবে উপদেষ্টারা এই মবের শিকার হচ্ছেন। তবে এটাও প্রশ্ন,অন্য উপদেষ্টারা কেন এটার শিকার হন না? তবে কি আওয়ামী লীগ মাহফুজ আলমকে টার্গেট করছে? এখন দেখার, মহম্মুদ ইুনূসের অন্তবর্তীকালীন সরকার আদেও এর লাগাম টানতে সচেষ্ট হন কিনা!












Discussion about this post