মহম্মদ ইউনূস যাকে আমেরিকায় নিয়ে গিয়ে ক্লিন্টন ফাউডেশনের অনুষ্ঠানে জুলাই আন্দোলোনের মাস্টারমাইন্ড বলে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন, সেই মহাশক্তি ধর মাহফুজ আলম এখন ভয়ে ভয়ে আছেন।এতদিন কিছু বলার থাকলে তিনি ফেসবুকে পোষ্ট করে জানাতেন, আবার সমলোচনার ঠেলায় মুছেও দিতেন। এবার তিনি এলেন সাংবাদিকদের সামনে। কিন্তু তিনি কি পরিষ্কার করতে পারলেন, মানে বাংলাদেশের মানুষকে উপদেষ্টামন্ডলীর ভিতরে কি চলছে আর কারা প্রভাব খাটিয়ে সুবিধা নিচ্ছে এবং তিনি কাদের অনুমোদন পেলে তবে কাজ করতে পারবেন, এবং বিরোধীতা করলে বা তাদের ইচ্ছাকে প্রধান্য না দিলে তাকেও যে, যে কোন সময় তার পদ থেকে সরে যেতে হবে এবং সেটি হয়তো এই মহুর্ত থেকেই যে সরে যেতে হতে পারে তারও ইঙ্গিত দিয়ে রাখলেন। তিনি বোঝাতে চাইলেন এই সরকারের ভিতরে একটি ছায়া সরকার আছে যারা, যাদের অনুমতি ছাড়া এই সরকারের একটি পাতাও নড়ে না। তাহলে সেই প্রভাবশালী সদস্যরা কারা। তারা কি আওয়ামীলীগের দোসর, নাকি জামাত বিএনপির পক্ষ্যের লোক। যদি তারা ক্ষমতা ভাগাভাগি করেই থাকতে পারছে, তাহলে তারা কোন একটি পক্ষকে শক্তিশালী করার জন্য ভোট কেন চাইবে। নাকি এই সব কথা বলে তিনি একটি জাতীয় সরকার গঠনের দিকে ইঙ্গিত করতে চাইছেন।
মাহফুজ আলম লন্ডনে গিয়েছিলেন একটি বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে, কিন্তু বিএনপি কে নিয়ে তার বক্তব্যের পর অনেকেই মনে করছেন যে তিনি লন্ডনে যে উদ্দেশ্য নিয়ে গিয়েছিলেন সেটি সফল হয়নি। মানে তিনি হয়তো বিএনপির টিকিটে জিততে চেয়েছিলেন, কিন্তু আজকের বক্তব্য এই ইঙ্গিত দিচ্ছে যে তিনি বিএনপিতে যোগ দিচ্ছেন না। কারণ তিনি বিএনপি এবং জামাতের দখলদারি এবং ভাগাভাগি নিয়ে যা বলেছেন তাতে তিনি বিএনপিকেই বেশী দায়ী করেছেন। বা বিএনপির দখলদারী বেশী বলেই উল্লেখ করেছেন। যেখানে বিএনপি সহ অনেকেই এটা প্রচার করছিল যে জামাত সব জায়গায় তাদের লোক বসিয়ে দখলদারির রাজত্ব কায়েম করেছে। তিনি বলছেন তারা ভাগাভাগির সময়ে তদরকী সরকারকে যতটা প্রাধান্য দিত, ভাগাভাগি শেষ হতেই আর এই সরকারকে গুরুত্ব দেয় না বা যে কোন বিপদে সরকারের পাশে থাকে না। তবে তিনি বা আসিফ মাহমুদ সজিব ভ্যুঁইয়া যে বেশী দিন সরকারে থাকতে পারবেন না তা তো আসিফ মাহমুদ আগেই বলে দিয়েছেন। কারণ যে সমস্ত উপদেষ্টারা ভোটে অংশ নিতে চান তারা তো সরকারে থাকতে পারবেন না তা তো আগের থেকেই ঠিক হয়ে আছে। তাহলে তিনি কিসের জন্য ভয় পাচ্ছেন বা আফসোস করছেন। এমন কথাও শোনা যাচ্ছে যে তিনি যে কাজগুলি শুরু করেছেন সেগুলির শেষ হয়তো দেখে যেতে পারবেন না। তিনি সব কিছু ঠিক ঠিক বলতে পারলেন কিনা তা হয়তো তিনিই বলতে পারবেন। তবে তিনি ক্ষমতা থেকে সরে যেতে যে ভয় পাচ্ছেন তা তার চোখ মুখে স্পষ্ট ফুটে উঠেছে।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post