অপারেশন সিন্দুরের সময় ভারতের পক্ষ থেকে ভারতীয় আকাশ সীমায় যে ধরণের সতর্কতা জারি করা হয়েছিল, আবার সেই পথেই ভারত। ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং বার বার পাকিস্তানকে মনে করিয়ে দিচ্ছেন যে এবার আর কোন ছাড় দিয়ে যুদ্ধ করা হবে না। এবার পাকিস্তান যদি কোন রকম উস্কানি দেওয়ার চেষ্টা করে তবে তার ফল ভুগতে হবে। আর সেনাপ্রধান উপেন্দ্র দ্বিবেদী আগের থেকেই বলে আসছেন পাকিস্তান নর্থইস্ট থেকে উত্তেজনা ছড়ানোর চেষ্টা করলে পাকিস্তানের ইতিহাস ভূলোগ সব বদলে দেওয়া হবে। এরই মাঝে এখন সবথেকে বড় খবর হল সার্ককিকে ভারতের পক্ষ থেকে আবার নোটাম জারি করা হয়েছে। ভারতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে ত্রিশ তারিখ থেকে দশ তারিখ পর্যন্ত এক যুদ্ধাভ্যাসের আয়োজন করা হয়েছে। যা শুনে ঘুম উড়েছে পাকিস্তানের।কারণ ভারত এই যুদ্ধাভ্যাসের নাম দিয়েছে ত্রিশূল। যেখানে ভারতীয় সেনার তিন বাহীনি ভাগ নিবে। পাকিস্তান ভাবছে এই যুদ্ধাভ্যাস করতে করতে ভারত না পাকিস্তানের ভিতের চলে যায়। কারণ কিছু দিন আগেই ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং পাকিস্তানকে আবারও হুশিয়ারি দিয়ে রেখেছেন যে পাকিস্তানের সঙ্গে এবার বড় কিছু ঘটতে পারে। এই ভয়ে পাকিস্তানও নোটাম জারি করে, আর তার পরই বিশ্বজুড়ে এটি চর্চার বিষয় হয়ে যায়। অনেকেই মনে করেন যে অপারেশন সিন্দুর কি তবে এখনও শেষ হয়নি। অপারেশন সিন্দুরে পাকিস্তান নাস্তানাবুদ হওয়ার পর, পাকিস্তান চেষ্টা করছে বাংলাদেশকে ব্যবহার করে নর্থ ইস্ট থেকে ভারতকে অস্থির করার। তাই ভারতও নর্থ ইস্টে তাদের গতিবিধি দ্রুত বৃদ্ধি করেছে। বিশেষ করে শিলিগুড়ি করিডরে সব রকমের যুদ্ধসরাঞ্জাম মজুত করেছে ভারত। যেখানে ফাইটার জেট রাফাল থেকে শুরু করে এস ৪০০ সবই মোতায়েন করা হয়েছে। এবং শুধু অজিত ডোভালই যে মাঝে মাঝে পশ্চিমবঙ্গে এসে সুরক্ষা খতিয়ে দেখছেন তাই নয়। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও কলকাতায় এসে সেনাবাহিনীর ‘কম্বাইন্ড কম্যান্ডার্স কনফারেন্স-এ যোগ দিয়েছিলেন। ১৫ থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কলকাতায় ভারতীয় সেনার পূর্বাঞ্চলীয় সদর কার্যালয় ফোর্ট উইলিয়ামে ঐ সম্মেলন সংঘটিত হয়। অপারেশন সিঁদুরের পর ভারতীয় সেনা এবং কমান্ডারদের নিয়ে দেশের মধ্যে এটিই ছিল সবচেয়ে বড় বৈঠক। প্রধানমন্ত্রী ওই কনফারেন্সের উদ্বোধন করেন। উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল, চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল অনিল চৌহান, তিন বাহিনীর প্রধান সহ সেনাবাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা। সেনাবাহিনীর ভবিষ্যৎ কৌশল ও সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে এই বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post