ভয়ের ঠকঠক করে কাঁপছে পাকিস্তান। কারণ, স্যর ক্রিকে ভারতীয় সেনার তিন শাখা একযোগে মহড়়া শুরু করেছে। চলবে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত। ভারতের তরফ থেকে জারি করা হয়েছে নোটাম (নোটিশ টু এয়ারম্যান)। এই মহড়া চলবে বাংলাদেশ, মায়ানমার এবং বাংলাদেশ সীমান্ত জুড়ে। এই মহড়ায় দেখা যাবে রাফালে এবং সুখোইয়ের মতো যুদ্ধবিমান। মহড়া হবে দু ধাপে। প্রথম মহড়া শুরু হবে ৬ এবং ২০ নভেম্বর। দ্বিতীয়ধাপের মহড়া ডিসেম্বরে। মহড়া ৪ এবং ১৮ ডিসেম্বর। শেষ ভাগের মহড়া হবে পরের বছর জানুয়ারির ১ ও ১৫ তারিখ। সেনাসূত্রে পাওয়া খবর উদ্ধৃত করে ভারতের একাধিক গণমাধ্যম জানিয়েছে, উত্তর-পূর্বের এয়ারবেস ও ফ্রন্টলাইন স্কোয়াড্রন অংশ নেবে। এই মহড়ার উদ্দেশ্য সীমান্ত জুড়ে বাহিনীকে প্রস্তুত রাখা এবং হামলা হলে দ্রুত এবং ক্ষিপ্রতার সঙ্গে পালটা হামলা করা। ভারত-পাক আন্তর্জাতিক সীমান্তে এর আগেও মহড়া হয়েছে। তবে এত বিশাল আকারে নয়।
ভারতের স্থলবাহিনীর তরফ থেকে এই মহড়ায় তারা মোতায়েন করেছে টি নাইন্টি যুদ্ধট্যাংক, ব্রক্ষোস, আকাশ মিসাইল সিস্টেম এবং স্বদেশি হেলিকপ্টার প্রচণ্ড। রয়েছে সি গার্ডিয়ান এবং হিরোন ড্রোন। ভারতীয় নৌবাহিনীর তরফ থেকে এই মহড়ায় তারা মোতায়েন করেছে কলকাতা ক্লাস ডেস্ট্রয়ার, নিলগিরি ক্লাস ফ্রিগেট এবং ফাস্ট অ্যাটাক ক্রাফট। থাকছে দ্রুত আক্রমণ করতে পারে এমন বিভিন্ন অস্ত্র এবং জলযান। অপারেশন ত্রিশূলে থাকবে স্থলসেনার বিশেষ ব্যাটিলিয়ন, প্যারাশুট রেজিমেন্ট প্যারা এসএফ, নৌবাহিনী বিশেষ ব্যাটিলিয়ন মারকোস। এই মারকোস জল এবং স্থল দুই জায়গাতেই অপারেশন চালাতে পারে। সন্ত্রাসবিরোধী অপারেশনে অত্যন্ত দক্ষ এই বাহিনী। ত্রিশূলে যোগ দিচ্ছে বিশেষ কম্যান্ডো ইউনিট গোরুড়। অপারেশন সিঁদুরের পর এই বিশাল আকারে ভারতীয় সেনার তিন শাখা একসঙ্গে যৌথ মহড়ায় সামিল। ভারতের দেখাদেখি পাকিস্তানের তরফ থেকেও নোটাম জারি করা হয়েছে।
কিছুদিন আগে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংকে বলতে শোনা যায়, ‘এবার এমন জবাব দেবে ভারত যে পাকিস্তানের ভূগোল ইতিহাস বদলে যাবে। ’ চলতি মাসের শুরুতেই তার একটা ইঙ্গিত তিনি দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, গুজরাতের কচ্ছ এবং পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের মাঝে অবস্থিত প্রায় ১০০ কিলোমিটার দীর্ঘ জোয়ারভাটার সরু জলপথ ক্রিক রো-য়ের ভারতের অংশ অবৈধভাবে দখল করার চেষ্টা করলে তা কোনওভাবেই বরদাস্ত করা যাবে না। সাউথব্লকের এই সিদ্ধান্ত বিশেষ একটি ঘটনার প্রেক্ষিতে।
সম্প্রতি বাংলাদেশ গিয়েছিলেন পাক সেনাকর্তা মির্জা। তিনি সে দেশের বাহিনীর বেশ কয়েকজন কর্তার সঙ্গে বৈঠক করেন। তদারকি সরকারের তরফ থেকে মির্জার হাতে তুলে দেওয়া হয় একটি বই যে বইয়ের প্রচ্ছদে আঁকা মানচিত্র জন্ম দিয়েছে নতুন বিতর্কের। দেখানো হয়েছে উত্তর-পূর্বের সাত রাজ্য সে দেশের। ঢাকা সাউথব্লককে এই বার্তাই দিতে চাইল, ওই সব অংশ তাদের। তাই, ভারত যেন কোনওভাবে ওই সাতটি রাজ্যকে তাদের বলে দাবি না করে। সেই সব ঘটনার নিরিখে ভারতের এই সেনামহড়া ঢাকাকে পাল্টা বার্তা দিতে চলেছে। বোঝাতে চেয়েছে বাড়াবাড়ি করলে ফল একেবারেই ভালো হব না।
ইতিমধ্যে ভারতীয় সেনাগোয়েন্দারা সে দেশে গিয়ে এমন কিছু দলিল দস্তাবেজ তুলে দিয়েছে, যা প্রমাণ করে আইএসআই বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করে ভারত-বিরোধী কার্যকলাপ চালাতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। এই অবস্থায় সীমান্তে শুরু হতে চলেছে মহড়া।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post