পাকিস্তান ভারতের সঙ্গে কোনও দিনই পেরে ওঠেনি। এবার তারা কৌশল অবলম্বন করেছে। পাকিস্তান বাংলাদেশ হয়ে ভারতকে ঘিরে ধরতে চাইছে। বিশেষ করে তাদের নজর, ভারতের উত্তর-পূর্ব অঞ্চল অর্থাৎ সেভেন সিস্টার্স। বিভিন্ন সূত্র মারফত জানা গিয়েছে। বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের বৈঠক হয়েছে। জানা যায়, ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পাকিস্তানের হোম মিনিস্ট্রির একাধিক গুরুত্বপুর্ণ আধিকারিক, বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা এবং পাকিস্তানের ইন্টিয়ার মিনিস্টার। অর্থাৎ বোঝাই যাচ্ছে, কতটা হাইভোল্টেজ বৈঠক। জানা যাচ্ছে, পাকিস্তানের ইন্টেরিয়র মিনিস্টার মহসিন নাকইভি এবং বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী…এই দুজনে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। এরা দুজনে বাংলাদেশর পাকিস্তানের পলিসি মেকার। অর্থাৎ পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের গোপন আঁতাত একদম সামনে চলে এসেছে। এদিকে নজর রাখছে ভারত। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে প্রশ্ন উঠছে, তবে কি আরও একটি যুদ্ধ আসন্ন?
খবর, ওই বৈঠকে ভারতের সুরক্ষা, দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের এই রকম হাইভিলেন্টজ বৈঠক এবং ওই বৈঠকে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তাতে ভারতের উত্তর পূর্ব অঞ্চলের জন্য খুবই বিপদজনক।
আগামী এক বছরে, পাকিস্তান ও বাংলাদশ যে যে বিষয় নিয়ে কাজ করবে, সেগুলি হল টেরোরিজম নিয়ে কাজ করবে। ইন্টারনাল সিকিউরিটি নিয়ে কাজ করবে। এমনকি পাকিস্তানের পুলিশ বাংলাদেশের পুলিসকে ট্রেনিং দেবে। এমনকি ড্রাগ নিয়ন্ত্রণ করবে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান একসঙ্গে। এমনকি হিউম্যান ট্রাফিং রোদ করবে। এমনকি বাংলাদেশ পাকিস্তানের জন্য ভিসা পদ্ধতি সহজ করে দিয়েছে। এবং পলিসি মেকারদের জন্য ভিসা ফ্রী করে দিয়েছে। এর অর্থ হল, যখন তখন বিনা কাগজপত্র ছাড়াই তারা অবাধে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারবে।
আর বিষয়গুলি সামনে আসতেই অনেকে অবাক হয়ে যাচ্ছেন।
প্রশ্ন উঠছে,একটি জঙ্গি রাষ্ট্র, যেটা গোটা বিশ্ব জানে, সেই পাকিস্তান নাকি বাংলাদেশের সঙ্গে জঙ্গি দমনে কাজ করবে। অন্যদিকে ড্রাগ নিয়ন্ত্রণ করা হবে বলে জানানো হচ্ছে। এদিকে প্রায় রোজ সীমান্তে বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশের থেকে ড্রাগ পাওয়া যায়। যে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান ড্রাগের আতুর ঘর, তারা নাকি এই নিয়ে কাজ করবে। এছাড়া ভিসা ফ্রি’ র বিষয়টি। যেটি ভারতের জন্য অত্যন্ত উদ্বেগের। তার কারণ পাকিস্তান থেকে যখন তখন যে কেউ বাংলাদেশে প্রবেশ করলে তারা চেষ্টা করবে ঘুরপথে সীমান্তকে কাজে লাগিয়ে ভারতে প্রবেশ করার। এটা ভারতের সুরক্ষার জন্য অনেক বেশি হুমকির। তবে ভারত যথেষ্ট সচেতন। ওয়াকিবহাল মহল বলছে, ভারতের ক্ষেত্রে এটা চাপের বিষয়। ভারতের উচিত, বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা।
এদিকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন বলেছেন, বাংলাদেশ ভারতের সঙ্গে একটি যুক্তি সম্পর্ক চায়। প্রশ্ন উঠছে, মুখে মুখে বললেই কি সেই সম্পর্ক গড়ে ওঠা যায়। কারণ ভারত যে বিষয়গুলি নিয়ে ক্ষুব্ধ হতে পারে, সেগুলি করছে বাংলাদেশ। এদিকে ভারত বাংলাদেশের বিমান দুর্ঘটনার পর দেশের চিকিৎসক ও নার্সের প্রতিনিধি, চিকিৎসা সরঞ্জাম পাঠাচ্ছে বাংলাদেশে। তারপরও শোধ যাচ্ছে না ইউনুসের দেশ।












Discussion about this post