এখন প্রবলভাবে আলোচনা চলছে, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের বৈঠক ঘিরে। এই বৈঠক ভারতের সুরক্ষা, দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের আইএসআইয়ের এই রকম হাইভিলেন্টজ বৈঠক এবং ওই বৈঠকে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তাতে ভারতের উত্তর পূর্ব অঞ্চলের জন্য খুবই বিপদজনক। এদিকে নয়া দিল্লি ছুটলেন শেখ হাসিনার প্রাক্তন মন্ত্রীরা।
জানা যায়, ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পাকিস্তানের হোম মিনিস্ট্রির একাধিক গুরুত্বপুর্ণ আধিকারিক, বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা এবং পাকিস্তানের ইন্টিয়ার মিনিস্টার। অর্থাৎ বোঝাই যাচ্ছে, কতটা হাইভোল্টেজ বৈঠক। জানা যাচ্ছে, পাকিস্তানের ইন্টেরিয়র মিনিস্টার মহসিন নাকইভি এবং বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী…এই দুজনে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। এরা দুজনে বাংলাদেশর পাকিস্তানের পলিসি মেকার। তবে ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না বাংলাদশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা। ফলে স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন উঠে যাচ্ছে, কেন তিনি অনুপস্থিত ছিলেন এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে? ইতিমধ্যেই সরকারি ভাবে জানানো হয়েছে, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ মিলে একটি জয়েন কমিটি গঠন করা হয়েছে। জয়েন কমিটির কাজ হল, পাঁচটি বিষয়ে ভারত এবং বাংলাদেশকে পাস কাটিয়ে পাকিস্তান ও চিন ঢুকে পড়তে চাইছে।
আগামী এক বছরে, পাকিস্তান ও বাংলাদশ যে যে বিষয় নিয়ে কাজ করবে, সেগুলি হল টেরোরিজম নিয়ে কাজ করবে। ইন্টারনাল সিকিউরিটি নিয়ে কাজ করবে। এমনকি পাকিস্তানের পুলিশ বাংলাদেশের পুলিসকে ট্রেনিং দেবে। এমনকি ড্রাগ নিয়ন্ত্রণ করবে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান একসঙ্গে। এমনকি হিউম্যান ট্রাফিং রোদ করবে। এমনকি বাংলাদেশ পাকিস্তানের জন্য ভিসা পদ্ধতি সহজ করে দিয়েছে। এবং পলিসি মেকারদের জন্য ভিসা ফ্রী করে দিয়েছে। এর অর্থ হল, যখন তখন বিনা কাগজপত্র ছাড়াই তারা অবাধে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারবে।
সবথেকে হাস্যকর বিষয় হল, একটি জঙ্গি রাষ্ট্র, যেটা গোটা বিশ্ব জানে, সেই পাকিস্তান নাকি বাংলাদেশের সঙ্গে জঙ্গি দমনে কাজ করবে। অন্যদিকে ড্রাগ নিয়ন্ত্রণ করা হবে বলে জানানো হচ্ছে। এদিকে প্রায় রোজ সীমান্তে বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশের থেকে ড্রাগ পাওয়া যায়। যে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান ড্রাগের আতুর ঘর, তারা নাকি এই নিয়ে কাজ করবে। এছাড়া ভিসা ফ্রি’ র বিষয়টি। যেটি ভারতের জন্য অত্যন্ত উদ্বেগের। তার কারণ পাকিস্তান থেকে যখন তখন যে কেউ বাংলাদেশে প্রবেশ করলে তারা চেষ্টা করবে ঘুরপথে সীমান্তকে কাজে লাগিয়ে ভারতে প্রবেশ করার। এটা ভারতের সুরক্ষার জন্য অনেক বেশি হুমকির। তবে ভারত যথেষ্ট সচেতন। ওয়াকিবহাল মহল বলছে, এ ক্ষেত্রে ভারত বিষয়টি যেন হালকাভাবে না নেয়। এ বিষয়ে ভারতের জোরদার কাজ শুরু করা উচিত।
অন্যদিকে গুরুত্বপূর্ণ খবর, আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতা-মন্ত্রীরা দিল্লিতে এসে পৌঁছেছেন। সেখানে একটি প্রেস কনফারেন্সের আয়োজনের কথা ছিল। যেটা দায়িত্বে ছিল বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ। যার সেক্রেটারি হলেন মহম্মদ আলী সিদ্দিকী। সেখানে নাকি উপস্থিত ছিলেন, আব্দুল কাদের, আসাদুজ্জামান খান কামাল। যখন বাংলাদেশ পাকিস্তান জোট তৈরি করছে, এখন দিল্লিতে বসে আওয়ামী লীগ তাদের নেতা মন্ত্রীদের সংগঠিত করছে। তবে সেই বৈঠকটি হয়নি। কিন্তু এই সময় এটা অনেক বেশি তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।












Discussion about this post