দিন কয়েক আগে উত্তর ২৪ পরগনার ক্যানিং থেকে ধরা পড়েছিল আইডি এক্সপার্ট জাভেদ মুন্সি। জেরার সে জানায় ক্যানিং থেকে ঝাড়খালি হয়ে তাঁর বাংলাদেশ যাওয়ার মতলব ছিল। এই জাভেদ মুন্সি তেহরিক-উল-মুজাহিদিনের সদস্য। এই গ্রেফতারে আরও একবার স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে যে জম্মু ও কাশ্মীরের বিচ্ছিন্নতাবাদী জঙ্গি সংগঠনগুলিকে মদত দিচ্ছে বাংলাদেশ। দিন কয়েক আগে ভারতের একটি গণমাধ্যমকে ভার্জিনিয়া থেকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন হাসিনাপুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়। সেই সাক্ষাৎকারে জয় বলেন,‘লস্কর জঙ্গিদের কাছে বাংলাদেশ হয়ে উঠেছে বধ্যভূমি। সম্প্রতি দিল্লির লালকেল্লার কাছে যে সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে, সেই হামলায় লেট জঙ্গিদের হাত ছিল।’
এ দেশের জাতীয় তদন্ত সংস্থা কেন্দ্রের কাছে এই বিস্ফোরণ নিয়ে যে রিপোর্ট দিয়েছে, সেই রিপোর্টে স্পষ্ট বলা হয়েছে, পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করে ভারতের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চালিয়েছে। আগামীদিনে তাদের আরও বড়ো ধরনের নাশকতার পরিকল্পনা রয়েছে। এই বিস্ফোরণ থেকে বেশ কয়েকটি প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। দিল্লিতে অস্থিতিকর পরিস্থিতি তৈরির জন্যই কি পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা লালকেল্লায় হামলা চালিয়েছে? না কি প্রধামন্ত্রী মোদিকে খুন করার যে ষড়যন্ত্র আমেরিকা নিয়েছিল, সেটা বানচাল হয়ে যাওয়ার জন্য তাদের পরোক্ষ মদতে লেট জঙ্গিরা কেল্লার কাছে আত্মঘাতী হামলা চালায়?
ইতিমধ্যে গোয়েন্দাদের হাতে এই বিস্ফোরণ নিয়ে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। সেই তথ্যে দেখা যাচ্ছে এই হামলায় বাংলাদেশের যোগ রয়েছে। গোয়েন্দাসূত্রে পাওয়া খবর উদ্ধৃত করে ভারতের একটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,জম্মু-কাশ্মীরের হিজবুল মুজাহিদিন কমান্ডার বুরহান ওয়ানির মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে চেয়েছিলেন দিল্লি বিস্ফোরণকাণ্ডে অভিযুক্ত তথা ‘ডক্টর টেরর মডিউল’-এর অন্যতম সদস্য তথা চিকিৎসক উমর উন নবি। সূত্রটি জানিয়েছে, উমর নিজেকে ‘টেরর মডিউল’-য়ের নেতা বলে দাবি করতেন। তদন্তকারীরা জানিয়েছে, দিল্লি বিস্ফোরণ ফিঁদায়ে ধাঁচের হামলা।
বিস্ফোরণের জন্য যে বোমা গাড়িতে করে দিল্লিতে নিয়ে এসেছিলেন উমর, সেটি অসম্পূর্ণ অবস্থায় ছিল। এই বোমা তৈরি করতে উমর নখপালিশ রিমুভার, গুঁড়ো চিনি ব্যবহার করেছিলেন। প্রাথমিক ভাবে ‘টেরর মডিউল’-এর সদস্যেরা চেয়েছিলেন হরিয়ানায় যে বিস্ফোরক লুকিয়ে রেখেছেন তাঁরা, সেগুলি জম্মু-কাশ্মীরে স্থানান্তরিত করা হোক। বিস্ফোরণের তীব্রতা এত বেশি ছিল যে পার্কিং লটে থাকা বেশ কিছু গাড়ির টুকরো টুকরো হয়ে ঘটনাস্থল থেকে ১০০ মিটার দূরে ছিটকে পড়ে। কয়েকজন পথচারী এবং রিকসায় থাকা যাত্রী কয়েক ফুট দূরে ছিটকে পড়েন। ঘটনাস্থল থেকে অদূরে থাকা বেশ কয়েকটি দোকানও পুড়ে যায়। লালকেল্লা থেকে তিন – চার মাইল দূরে গীতাকলোনির বাসিন্দারা শুনতে পান বিস্ফোরণের বিকট আওয়াজ। পুলওয়ামার হামলার সঙ্গে দিল্লি বিস্ফোরণের সম্পর্ক বা যোগসূত্র রয়েছে বলে জানিয়েছেন গোয়েন্দারা। বিস্ফোরণের জন্য যে গাড়ি ব্যবহার করা হয়েছিল সেই গাড়ির সর্বশেষ মালিক উমর।
ভারতের একটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, বাংলাদেশে কার্যত জামাই আদরে রাখা হয়েছে বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনের সদস্যদের। সূত্রটি জানিয়েছে, সে দেশে ঘাঁটি গেড়েছে আনসারুল্লাহ বাংলা টিম। জামাত-ই-ইসলামি। এদিকে, দিল্লি বিস্ফোরণে জড়িত সন্দেহে জাতীয় তদন্ত সংস্থা আরও একজনকে গ্রেফতার করেছে। ধৃতের নাম সোয়েব। বাড়ি ফরিদাবাদের ধৌজে। তাকে জেরা করে গোয়েন্দারা জেনেছ বিস্ফোরণের ঠিক আগে উমরকে সে আশ্রয় দিয়েছিল। লজিস্টিক সহায়তা করেছে। ওই বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় দু হাজার কেজি বিস্ফোরক। তদন্তকারী সংস্থাগুলি জানিয়েছে, উমর মহম্মদ ছিলেন সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের সদস্য।
প্রকাশ্যে গুলি। একবার নয়, একাধিকবার। বলা হচ্ছে গুলি মাথার এফোঁড় ওফোঁড় করে বেরিয়ে গিয়েছে। যারা গুলি চালিয়েছে, তারা এসেছিল বাইকের...
Read more












Discussion about this post