লালকেল্লার বিস্ফোরণ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মাত্র কয়েকটি কথা বলেন। সেই কথা শুনেই রাওয়ালপিন্ডির সেনাসদরের বড় কর্তা থেকে শুরু করে বাহিনী সব সদস্য ভয়ে ঠকঠক করে কাঁপছে। শোনা যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের মাথা নাকি চরকিপাকের মতো বনবন করে ঘুরছে। লালকেল্লার বিস্ফোরণ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য এই ফাঁকে একবার দেখে নেওয়া যায়।
বিস্ফোরণ হয়েছে সোমবার, ১০ নভেম্বের। পরের দিন ১১ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী চলে যান ভূটান। সেখানে একটি অনুষ্ঠানে তাঁকে আমন্ত্রণ করা হয়েছে। অনুষ্ঠান হয়েছে রাজধানী থিম্পুতে। সেই অনুষ্ঠানমঞ্চ থেকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘আজ আমি খুব ভারাক্রান্ত মনে এখানে এসেছি। কাল সন্ধ্যায় দিল্লির ভয়াবহ ঘটনা আমাদের সকলকে ব্যথিত করেছে। কাল সারারাত ধরে আমি কেন্দ্রীয় এজেন্সির সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছিলাম। তদন্তে উঠে আসা তথ্যগুলি নিয়ে আলোচনা চলছিল। আমাদের তদন্ত সংস্থাগুলি এই ষড়যন্ত্রের শিকড় পর্যন্ত যাবে। যারা যারা এই ষড়যন্ত্রের জন্য দায়ী, তাদের সকলকে বিচারের আওতায় আনা হবে। একজনকেও ছেড়ে দেওয়া হবে না। ’’ এবার দেখে নেওয়া যাক আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ কী বলেছিলেন।
ভদ্রলোক এমনিতে কথা খুব কম বলেন। কবে শেষবার তাঁর হাসিমুখ দেখা গিয়েছিল, তা বলা ভারি মুশকিল। খুব রাশভারী চেহারা। দিল্লির বিস্ফোরণ নিয়ে এক্স পোস্টে তাঁর প্রতিক্রিয়া – ‘‘দিল্লির গাড়ি বিস্ফোরণ নিয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা হয়েছে। এই ঘটনার নেপথ্যে জড়িত প্রত্যেক দোষীকে খুঁজে বের করার নির্দেশ দিয়েছি। তারা এবার দেখবে আমাদের সংস্থাগুলির ক্রোধের বহিঃপ্রকাশ। ’’
এই দুই নেতার হুমকি-বার্তায় পাক সেনাপ্রধান আসিম মুনির, প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ থেকে শুরু করে তাঁর মন্ত্রিসভার সব সদস্যের মেরুদণ্ড দিয়ে ঠাণ্ডা রক্তের স্রোত বইতে শুরু করেছে। পাক সেনার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ কর্তা সাহির শামসাদ মির্জা সম্প্রতি বুক চিতিয়ে বাংলাদেশ গিয়েছিলেন। মোদির হুমকি আর শাহি-ধ্বনি শুনে তিনি নাকি আবোল-তাবোল বকতে শুরু করেছেন। কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসছে। মাথায় জলপট্টি লাগাচ্ছেন। কিচ্ছুটি তাঁর খেতে ইচ্ছে করছে না। রসগোল্লার রসও নাকি করোলার মতো তেতো লাগছে।
ইসলামাবাদ জেনে গিয়েছে অমিত শাহ লোকটা কতটা ভয়ঙ্কর। হেড অফিসের বড়বাবুর থেকেও ভয়ানক। উনি যখন বলেছেন, তখন কিছু একটা করেই ছাড়বে। তাছাড়া গোয়েন্দা দফতর থেকে সরকারের কাছে একটি রিপোর্ট গিয়েছে। রিপোর্টে নাকি বলা হয়েছে – স্যর, দিনকাল মোটেই ভাল না। আপাতত কিছুদিন একটু চুপচাপ থাকেন। সীমান্তের দিকে নজর দিন। সাবধানের মার নেই। তাই আগে থেকে প্রস্তুতি নিয়ে রাখা ভালো। সীমান্তের ওপার থেকে এপারে মানে ইসলামাবাদের দিকে কিছু উড়ে পড়লে যাতে অন্তত ঠেকনা দেওয়া যায়, তার তো একটা ব্যবস্থা করে রাখতে হবে।
সেই ব্যবস্থার অঙ্গ হিসেবে সে দেশে জারি হয়েছে রেড অ্যালার্ট। বিমানবাহিনীর ছাউনিতে থাকা সব যুদ্ধবিমানকে জরুরী ভিত্তিতে সোডা-সাবান দিয়ে সাফ-সুতরোর কাজ চলছে। দেখে নেওয়া হচ্ছে একবার স্টার্ট বোতাম টিপলে প্রপেলার ঘোরে না কি ঘোরে না। নাকি স্টার্ট বোতাম টেপার পর হাত দিয়ে প্রপেলার ঘোরাতে হচ্ছে। মঙ্গলবার জারি হয়েছে দু দিনের জন্য নোটাম। দেশের সেন্ট্রাল কম্যান্ডকে বলা হয়েছে – নো ঘুম। দরকার হলে চোখে নস্যি ডলে রাত জাগতে হবে। কারণ কাটাতারের ওপার থেকে এসেছে শাহি হুঙ্কার।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post